- রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ: সরকারি ব্যাংকগুলো মূলত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- পরিচালক নিয়োগের অনিয়ম: এই ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান এবং পরিচালক পর্ষদ নিয়োগ দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। ফলে পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করে।
- ঋণ খেলাপি: ব্যাংকিং রীতিনীতি না মেনেই ঢালাওভাবে ঋণ বিতরণ করার কারণে সেই অর্থ আর ফেরত আসছে না, যার ফলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক পরিস্থিতি চরম নাজুক হয়ে পড়েছে।
- জনগণের অর্থের অপচয়: বেসিক ব্যাংককে বাঁচানোর জন্য সরকার জনগণের করের অর্থ থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে পদ্মা ব্যাংককেও মূলধন জোগান দিয়েছিল। কিন্তু অনিয়ম-দুর্নীতির ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না পারায় এর ফলাফল শূন্য হয়েছে।
fstcap
- The appointment of Shoaib Baig as chief human resources officer of Robi Axiata has raised serious questions over the telecom operator’s recruitment practices as the company ignored allegations of ethical misconduct, irregular appointments and controversial dismissals linked to his previous employers in Pakistan.
- Mohammad Maruful Alam Chowdhury, who served as Robi’s acting chief human resources officer (later changed the title to chief people officer) from July 2023 to January 2025, has filed formal complaints with the Bangladesh Investment Development Authority, the Bangladesh Securities and Exchange Commission and the National Board of Revenue. He accused the telecom operator of bypassing transparent hiring procedures to appoint the Pakistani national Shoaib Baig in February 2025.
https://www.newagebd.net/post/telecom/300293/robis-hiring-of-foreign-executive-challenged
- The country’s private sector credit growth fell to a historic low of 4.72% in March this year, reflecting weak business confidence, slowing investment and mounting uncertainty in the economy.
- Private sector credit growth had been declining steadily in recent months, falling from 6.58% in November 2025 to 6.20% in December, and then to 6.03% in both January and February 2026, before dropping sharply in March, central bank sources confirmed.
https://www.tbsnews.net/economy/banking/private-sector-credit-growth-drops-all-time-low-472-1443971
পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে সংকটে পড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তদন্তে উঠে এসেছে, বর্তমানে কোম্পানিটি এমন ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যাদের এ দায়িত্ব পালনের আইনগত এখতিয়ার নেই। তবে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে শেয়ারহোল্ডারদের দুই পক্ষের বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলমান। এ দ্বন্দ্বের জেরে গত সাড়ে তিন মাস ধরে নিয়মিত পর্ষদ সভা হচ্ছে না। ফলে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত ও প্রকাশ কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন গত এপ্রিলের মধ্যে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তা প্রকাশ হয়নি। একই সঙ্গে আগামী জুন শেষে বার্ষিক নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কোম্পানির পর্ষদ সভাকে কেন্দ্র করে জটিলতার সূত্রপাত হয়। তৎকালীন চেয়ারম্যান সাইকা মাজেদ পরদিন বিএসইসিতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, সভায় জুম লিংকের মাধ্যমে কয়েকজন সাবেক পরিচালক যুক্ত হন, যারা প্রায় দুই বছর আগে পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা বিদেশে অবস্থান করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তিদের সভা থেকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. সাঈদ আহমেদ তা মানেননি। একই সভায় জাবেদ কায়সার আলীকে চেয়ারম্যান এবং সাঈদ আহমেদকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে পরে স্টক এক্সচেঞ্জে তথ্য প্রকাশ করা হয়। তবে সাইকা মাজেদের দাবি, ওই সভার এজেন্ডায় এমন কোনো বিষয় ছিল না এবং এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি।
বিএসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার তদন্তে গত ১০ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে চেয়ারম্যান পরিবর্তন ও এমডি নিয়োগকে আইনসম্মত নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কমিশন আগের পরিচালনা পর্ষদ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট হওয়ায় বিষয়টি এখন বিচারাধীন।
এদিকে প্রশাসনিক অচলাবস্থার কারণে কোম্পানিটি তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেনি। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি সচিব আমিনুল হক বলেন, আর্থিক হিসাব প্রস্তুত হয়নি। এজন্য প্রতিবেদন প্রকাশে সময় বাড়ানোর আবেদন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।
https://banijjobarta.net/23296/নাভানা-ফার্মায়-দ্বন্দ্ব/
The government is planning to form a capital market reform commission to bring transparency and restore investor confidence, according to officials at the Ministry of Finance.
The decision was taken at a recent budget-related meeting. It forms part of the ruling BNP’s broader commitment to reviving the capital market, which featured in the party’s election manifesto.
Ministry officials said the commission will work toward overall market reform, with the government also planning to focus on building a stronger bond and equity market.
Besides, the government is also planning to take steps towards ensuring the use of blockchain technology, create an investment gateway for non-resident Bangladeshis, and attract greater foreign investment.
The meeting was informed that Dhaka Stock Exchange’s (DSE) market capitalisation has dropped by Tk 33,000 crore, or 4.4 percent, between January 2024 and February 2026.
The bourse’s benchmark index, the DSEX, fell from 6,153 to 5,600 points in the same period.
The move follows reform efforts under the interim government, which had formed a five-member taskforce to recommend changes to the stock market.
The taskforce, after extensive stakeholder consultation, proposed amendments to several securities rules, many of which the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has since adopted.
In a successor note before leaving office, former finance adviser Salehuddin Ahmed said the BSEC was restructured after the interim government assumed office, and an external investigation committee was formed to look into 12 irregularities from the previous regime.
A taskforce was also formed that worked on reforming three major rules regarding margin loans, mutual funds and public offering issuance, he added.
Apart from these, another committee was formed to strengthen the BSEC and improve the capital market which also submitted a report including recommendations.
The recommendations were sent to relevant ministries to implement, Ahmed added in the note.
https://www.thedailystar.net/business/economy/news/govt-form-capital-market-reform-commission-4178086
- National Board of Revenue (NBR) Chairman Md Abdur Rahman Khan has said strict monitoring to curb tax evasion will begin with the tobacco sector.
- There are plans to introduce counting machines, counting cameras, QR codes and advanced revenue stamps at the production stage, he told a pre-budget dialogue on Saturday, reports bdnews24.com.
জামানত ছাড়া বড় ধরনের ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে একীভূত হওয়া পাঁচ ইসলামী ব্যাংকে। এই পাঁচ ব্যাংকের ৭৫ শতাংশ ঋণের বিপরীতে কোনো জামানত নেই। ব্যাংকগুলো ন্যূনতম শর্ত পূরণ ছাড়াই ঋণ বিতরণ করেছিল। ফলে খেলাপি হওয়ার পর ব্যাংকগুলো অর্থ আদায়ে ব্যর্থ হয়। এতে আমানতকারীদের অর্থও ফেরত দিতে পারছে না।
আর এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হয় সরকারকে। ইতোমধ্যে আমানত বিমা তহবিল থেকে এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
আলোচ্য পাঁচ ব্যাংক হলো— এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বর শেষে পাঁচ ব্যাংকের ঋণ স্থিতি ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বিতরণ করা এসব ঋণের বিপরীতে জামানত রয়েছে মাত্র ৪৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের মাত্র ২৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ। বর্তমানে এই পাঁচ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৮৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
এ পাঁচ ব্যাংকের ১ লাখ ১ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা একাই নিয়েছে এস আলম গ্রুপ, যা মোট ঋণের ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যার বেশির ভাগ ছিল জামানত ছাড়া। এছাড়া নজরুল ইসলাম মজুমদারের প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ ১ হাজার ৭৯৬ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এসব ব্যাংক থেকে এস আলম, নজরুল ইসলামসহ যারা ঋণ নিয়েছিলেন তা জামানত ছাড়াই। এতে ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তাদেরও সহযোগিতা ছিল। তা না হলে মাত্র ২৫ শতাংশ জামানত রেখে ঋণ বিতরণ কীভাবে সম্ভব! ঋণ নেওয়ার সময় জামানত অতিমূল্যায়ন দেখানো হয়েছে, যার ফলে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের বিপরীতে জামানত রয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের মাত্র আট দশমিক ৫৭ শতাংশ। এই ব্যাংকের বর্তমান খেলাপি ঋণ ৬১ হাজার কোটি টাকা বা ৯৬ দশমিক ৮২ শতাংশ।
ইউনিয়ন ব্যাংকের ২৮ হাজার কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে জামানত মাত্র ৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের মাত্র ১৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। এই ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকা বা ৯৬ দশমিক ৪২ শতাংশ।
এক্সিম ব্যাংকের মোট ঋণ ৫২ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের বিপরীতে জামানত ২১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪০ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বর্তমানে এ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৩৭ হাজার কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে জামানত রয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ৪৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। ব্যাংকের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ৩১ হাজার কোটি টাকা বা ৮৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের মোট ঋণ ১৫ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের বিপরীতে জামানত রয়েছে মাত্র দেড় হাজার কোটি টাকা বা ১০ শতাংশ। এ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ৯৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এক্সিম ব্যাংক ছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের নিয়ন্ত্রণে এবং বাকি চারটি ছিল চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের কর্ণধার ও বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলমের নিয়ন্ত্রণে। তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার সময় জামানত ছাড়াই ব্যাংকগুলোতে ব্যাপক লুটপাটের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নামে হাতিয়ে নেওয়া হয়। এতে আর্থিক সংকট সৃষ্টি হওয়ায় ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের অর্থও ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। এমন অবস্থায় গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার শরিয়াহভিত্তিক এ পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করে।
ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের শেয়ার দেওয়া হবে। এর বাইরে আমানত বীমা ট্রাস্ট তহবিল থেকে আমানতকারীদের ১২ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম দফায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ তহবিল থেকে আট লাখ ২২ হাজার আমানতকারীকে তিন হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। শুধু ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের তিন লাখ ৫০ হাজার গ্রাহকের এক হাজার ৬০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে সংকটে পড়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোকে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ৫৯ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকগুলোর টাকা পরিশোধের মাধ্যমে একটা স্থিতিশীল পর্যায় নিয়ে আসা গিয়েছিল। এর মধ্যে নতুন ব্যাংকে আমানতকারীরা অর্থও জমা করছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের ব্যাংক রেজুলেশন আইন সংশোধন করে একটি ধারা যুক্ত করা হয়। যার মাধ্যমে আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে নতুন করে ব্যাংকগুলোয় আমানতকারীদের টাকা তোলার চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে নতুন ব্যাংকটিতেও আস্থার সংকট তৈরি হয়। এছাড়া এই ব্যাংকগুলো একীভূত নিয়ে সরকার থেকে স্পষ্ট কোনো বার্তা না পাওয়ায় সংকট আরো গভীর হচ্ছে। তাই দ্রুত সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া উচিত।
https://www.dailyamardesh.com/business/bank-financial-institutions/amdi5mvvaaesy
পুঁজিবাজারের মাধ্যমে এসএমই-এর প্রবৃদ্ধি জোরদার করতে ডিএসই ও সুইসকন্ট্যাক্ট একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ঢাকা, ১৭ মে, ২০২৬ (বিএসএস) — বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলোকে (এসএমই) পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব স্থাপনের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।
উভয় সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ডিএসই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুঝাত আনোয়ার এবং সুইসকনট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন সমঝোতা স্মারকটিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নুঝাত আনোয়ার বলেন, দুটি সংস্থার মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় ও সতর্ক পরিকল্পনার মাধ্যমে উদ্যোগটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অংশীদারিত্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন এবং বিধিগত পরিপালন শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে এসএমই খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে, যা পুঁজিবাজারে এসএমই-এর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) উল্লেখ করে হেলাল হোসেন বলেন, তারা অর্থায়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং নিয়মকানুন প্রতিপালনের ক্ষেত্রে ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
তিনি বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ এবং ইক্যুইটি-ভিত্তিক মূলধনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, ডিএসই-এর সাথে এই সহযোগিতা সম্ভাবনাময় এসএমইগুলোকে পুঁজিবাজারে প্রবেশ করতে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, সংস্থা দুটি প্রধানত তৈরি পোশাক, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি খাতের ওপর মনোযোগ দেবে।
তারা পরিবেশগত, সামাজিক ও শাসনতান্ত্রিক (ইএসজি) মানদণ্ড, টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য সহায়তা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত উদ্যোগগুলোতেও যৌথভাবে কাজ করবে।
এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে, আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করার জন্য ডিএসই এবং সুইসকন্ট্যাক্ট সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি, সচেতনতামূলক কর্মশালা, ইনকিউবেশন সহায়তা এবং পরামর্শমূলক পরিষেবার আয়োজন করবে।
এই অংশীদারিত্ব গ্রিন বন্ড, সাসটেইনেবিলিটি-লিঙ্কড বন্ড, সুকুক এবং মিশ্র-অর্থায়ন মডেলসহ উদ্ভাবনী টেকসই বিনিয়োগ উপকরণগুলোর উন্নয়নে আরও সহায়তা করবে।
এই উদ্যোগটি আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজার ইকোসিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা ও স্থায়িত্বকে সমর্থন করে বাংলাদেশের আর্থিক অবকাঠামোকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
https://www-bssnews-net.translate.goog/business/387898?_x_tr_sl=en&_x_tr_tl=bn&_x_tr_hl=bn&_x_tr_pto=sge
- নতুন কমিশন গঠন হলেই চার্জশিট দাখিলের প্রক্রিয়া
- ১৫ বছরে ব্যাংক থেকে লক্ষাধিক কোটি টাকা আত্মসাৎ
- ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলজুড়ে নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলম মাসুদ ওরফে এস আলম। তার এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি এবং মানিলন্ডারিংয়ের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক লুটের অন্যতম হোতা হিসেবে চিহ্নিত তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাত থেকে লক্ষাধিক কোটি টাকা ঋণ নেয়ার নামে আত্মসাৎ করা, ভুয়া কোম্পানি তৈরি করে টাকা পাচার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
এস আলমের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব মামলার সবগুলোই এখন তদন্তাধীন। এছাড়া দুদক এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে আরো অনেকগুলো অর্থ পাচার ও জালিয়াতির মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে দুদক সূত্র জানায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, দুদকের বর্তমানে তদন্তাধীন ২৭ মামলায়ই ফেঁসে যাচ্ছেন এস আলম ও তার পরিবার। দুদকের নতুন কমিশন গঠন হলেই এস আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চার্জশিট দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তদন্ত কর্মকর্তারা বলেন, সবগুলো মামলাতেই তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে। ব্যাংক থেকে ঋণ তোলার নামে করেছেন মহা জালিয়াতি। একাধিক ভুয়া কোম্পানির নামব্যবহার করে ঋণের নামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া অবৈধভাবে বিদেশে গড়ে তুলেছেন বাড়ি, ফ্ল্যাটসহ নানা সম্পদ।
অর্থ লুটের যত অভিযোগ
এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রায় দুই লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। এই পাচারকৃত অর্থ দিয়ে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাসে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।
ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতি : কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ‘বাই মুরাবাহা প্লেজ’ ঋণের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৯ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে।
এছাড়া এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনতা ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংক থেকে ৯ হাজার ৪২৯ কোটি থেকে শুরু করে ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রধানত জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রামের বিভিন্ন শাখা থেকে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে শুধু এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের নামেই দুই হাজার তিন কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও আদালতের আদেশে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম (এস আলম), তার পরিবার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার ৯৩৬ একর জমি, দুই হাজার ৬৮০টির বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ১৭১টি কোম্পানির শত শত কোটি টাকার শেয়ার অন্যতম। এছাড়া বিদেশেও তাদের সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
জব্দকৃত সম্পদ : ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, আদালত এস আলমের প্রায় এক হাজার ৯৩৬ একর জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৬ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। দুই হাজার ৬৮০টির বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, যাতে প্রায় ছয় হাজার ৬৯২ কোটি টাকা জমা আছে। এছাড়া ১৭১টি কোম্পানির নামে থাকা প্রায় ২৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকার শেয়ার ফ্রিজ করা হয়েছে।
বিদেশে সম্পদ : এস আলমের সিঙ্গাপুর, সাইপ্রাস, জার্সি ও ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ জব্দের জন্য মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরে ভিলা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং কোম্পানি রয়েছে।
বিদেশের সম্পদ অবরুদ্ধের আদেশ : এদিকে এস আলম, তার স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নামে সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা বিপুল পরিমাণ ব্যাংক হিসাব, বীমা পলিসি ও বিনিয়োগ অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। আবেদনে প্রতিনিধিত্ব করেন দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মোনাবিল হক।
আদেশ অনুযায়ী, সাইফুল আলমের নামে সিঙ্গাপুরে ৪০টি ব্যাংক হিসাব ও একাধিক বীমা পলিসি, তার স্ত্রীর নামে চারটি ব্যাংক হিসাব এবং দু’জনের যৌথ নামে দু’টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ছয় কোটি ৮০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার বিনিয়োগ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া তিনি নিজে চারটি এবং তার স্ত্রী আরো চারটি কোম্পানির পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার।
তাদের ছেলে আশরাফুল আলমের নামে দু’টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ও হিসাব রয়েছে, পাশাপাশি তিনি একটি কোম্পানির পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার। অপর সন্তান আহসানুল আলমের নামে একটি কোম্পানির পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আটটি ব্যাংক হিসাব ও বীমা পলিসি।
পরিবারের আরো এক সদস্য আহমেদ বেলালের নামে দু’টি ব্যাংক হিসাব এবং কন্যা মাইমুনা আলমের নামে একটি বীমা পলিসি ও সিঙ্গাপুরে ৫৪ হাজার ৪০০ সিঙ্গাপুরি ডলার মূল্যের সম্পদ রয়েছে। এছাড়া ছোট ছেলে আসাদুল আলম মাহিরের নামে রয়েছে আরো একটি ব্যাংক হিসাব।
দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্পদ অবরুদ্ধের আদেশটি সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে সংশ্লিষ্ট দেশকে পাঠানো হয়। এরপর বাংলাদেশের আইন অনুসারে সংশ্লিষ্ট দেশের লিগ্যাল অথরিটি সেই আদেশ বাস্তবায়ন করেন। এভাবে দেশের বাইরে অবস্থিত সম্পদ (ক্রোক) অবরুদ্ধের আদেশ কার্যকর করা হয়।
এর আগে, গত ৯ জুলাই এস আলম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা আরো ৫৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করেন আদালত, যেখানে ১১৩ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৮ টাকা রয়েছে।
এর আগে সাইপ্রাসের লিমাসলে অবস্থিত সাইফুল আলমের একটি দুই তলা বাড়ি, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে হ্যাজেক ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেডে তাদের বিনিয়োগকৃত তিন লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, পিকক প্রপার্টি হোল্ডিংসসহ আরো ১৮টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ এবং জার্সি ট্রাস্ট কোম্পানির অধীনে ছয়টি ট্রাস্টে থাকা অর্থও জব্দের নির্দেশ দেন আদালত।
প্রধান প্রধান মামলা : অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি, আত্মসাৎ ও পাচারের ঘটনায় গত বছর (২০২৫) ৯ নভেম্বর এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ (এস আলম) ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ ও তা সিঙ্গাপুরে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলাটি দুদকের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ মামলা বলে জানিয়েছে দুদক।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এস আলম রিফাইন্ড সুগার, এস আলম স্টিলস লিমিটেড ও এস আলম ট্রেডিং কম্পানি লি.-এর ঋণের নামে নেয়া মোট ৯ হাজার ২৮৩ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা (যা বর্তমানে লভ্যাংশসহ/সুদ-আসলে ১০ হাজার ৪৭৯ দশমিক ৬২ কোটি টাকা) আত্মসাৎ ও সিঙ্গাপুরে পাচার করেছেন।
এস আলমসহ ৬৭ জন আসামি পরস্পর যোগসাজশে ইসলামী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ইস্যু করা বিধি, পলিসি ও সার্কুলারের তোয়াক্কা না করে ওই তিনটি কোম্পানির অনুকূলে অপ্রতুল জামানত রেখে, সিআইবি রিপোর্টে বিদ্যমান উচ্চ ঋণের পরিমাণ বিবেচনা না করে ও গ্রাহকের ব্যবসায়িক টার্নওভার ঋণসীমার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকের ঝুঁকির কথা বিবেচনা না করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয়ে ঋণের নামে ওই পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। পরবর্তী সময়ে এস আলম ও এর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করেন।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে আরো জানা যায়, আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক ঋণের বড় অঙ্ক আত্মসাৎ করেছেন। এর ফলে ইসলামী ব্যাংক, সাধারণ আমানতকারী ও সরকারের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংকের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিনিয়োগ অনুমোদন দেন। ২০২২ সালের শেষের দিকে ইসলামী ব্যাংকে অস্বাভাবিক ঋণ বিতরণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
অপরদিকে জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সোয়া ছয় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনসহ ৯৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম কার্যালয়ে মামলাগুলো হয়। তিন মামলায় এস আলম গ্রুপের তিনটি প্রতিষ্ঠান এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল মিল ও এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নামে ঋণ নিয়ে ছয় হাজার ২৪৩ কোটি ৭৮ লাখ তিন হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
দুদক জানায়, প্রথম মামলায় এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সুদে-আসলে দুই হাজার তিন কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৩০৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় বলা হয়েছে, ২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ে এ ঘটনা ঘটেছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল আলম মাসুদ, পরিচালক হিসেবে তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন, জনতা ব্যাংকের ২৮ জন কর্মকর্তাসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
দ্বিতীয় মামলায় এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে সুদে-আসলে দুই হাজার ২৯৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল আলম মাসুদ, জনতা ব্যাংকের ২৫ কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তৃতীয় মামলাটি করা হয়েছে এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নামে ঋণ নিয়ে সুদে আসলে এক হাজার ৯৪২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার ৫৯৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে। ২০০৫ সালের ১০ মে থেকে চলতি বছরের ৬ এপ্রিলের মধ্যে এ ঘটনার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় এস আলম, পরিচালক তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনসহ পরিবারের পাঁচ সদস্য, জনতা ব্যাংকের ২৬ কর্মকর্তাসহ মোট ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে এস আলম গ্রুপের দু’টি প্রতিষ্ঠানের নামে তিন হাজার ৮৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুটি মামলা করেছিল দুদক।
https://dailynayadiganta.com/printed-edition/YnSJWBytjx1Y
Salam
The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) directed the Capital Market Stabilisation Fund (CMSF) to pull back Tk225 crore fund from the Investment Corporation of Bangladesh (ICB) that was lent for the investment in the capital market.
As part of the better management and safeguard of funds, the capital regulator asked the stabilisation fund, a custodian of funds accumulated from investors’ unclaimed dividends, to return the money.
The commission also directed that the stabilisation fund will submit a fund withdrawal plan from ICB, and inform the commission and financial institutions division of the ministry of finance, according to a letter copy of which is obtained by TBS.
With the previous mandate to stabilisation fund at least 50% of cash balance of the fund shall be used for providing loan to market intermediaries for refinancing as margin loan to invest stabilising the capital market and increasing liquidity support into the market, according to sources.
In line with the mandate, the ICB had taken the money from the stabilisation fund to invest in the capital market, and the state-owned investment banker had already invested in the capital market.
The CMSF, which had been created by collecting investors’ unclaimed dividends, is turning into a new funding window for the stock market.
The CMSF was established in 2021 by collecting investors’ unclaimed dividends under CMSF Rule 2021 of the BSEC.
CMSF acts as a custodian of undistributed cash and stock dividends, non-refunded public subscription money, and unallotted rights shares from the issuer of listed securities.
Cash and stocks in the fund will be returned to due claimants by the shareholders or investors at any time in the indefinite future.
The fund provided the ICB with Tk225 crore in several phases for investing in the secondary market.
The commission directed us to withdraw the investment from ICB. We have been instructed to encash the funds to safeguard them so that we can repay investors upon demand.
Wasi Azam Head of operations at CMSF
Now, to safeguard the funds, the government has decided to change the prevision purposes of the stabilisation fund that no funds to be lent to the intermediaries, and funds only will be used to settle investors’ claims.
As well as, the stabilisation will take various investors awareness programs for the capital market investors.
Under the proposed 2025 act, the CMSF will be recognised as a statutory fund, providing legal clarity on its structure, management, financial operations, oversight, and relationship with the BSEC.
This legal recognition is expected to strengthen investor confidence and ensure long-term market stability.
The new act for the capital market stabilisation fund is in the process as the ministry of finance and capital market regulator are working together to finalise it.
Wasi Azam, head of operations at CMSF, told The Business Standard, “The commission directed us to withdraw the investment from ICB. We have been instructed to encash the funds to safeguard them so that we can repay investors upon demand.”
According to the letter, the commission also directed the stabilisation fund to transfer its main account to state-owned commercial banks, and also directed to send a letter to the central bank to recover its stuck funds at the EXIM Bank.
Wasi Azam said, “We have already sent a letter to Bangladesh Bank seeking support regarding the EXIM Bank issue. We have also met with ICB and sent letters seeking their plan. Currently, we are regularly getting interest payments from ICB.”
He said, “We have opened a new account at Agrani Bank, where the encashed FDR funds from ICB will be kept. We have already transferred all funds from private banks to Sonali Bank and Agrani Bank.”
“Now, according to the plan, we will encash the funds placed with ICB to ensure that all money remains secure and can be returned immediately whenever investors demand it. We have already returned Tk375 crore in shares and cash,” he noted.
“Every month, CMSF pays Tk3–5 crore in dividend claims. Once the Act is enacted, our activities will expand further,” he added.
According to the latest fund data, the CMSF has so far received a total of Tk727 crore in cash alongside 14.54 crore shares transferred to the fund.
The market value of those shares stood at Tk939.21 crore as of December 2025. Meanwhile, the fund has already settled Tk329.02 crore in cash and shares to eligible investors.
In addition, CMSF earned Tk131.53 crore from investments and interest income generated from bank deposits.
https://www.tbsnews.net/economy/stocks/bsec-moves-pull-back-tk225cr-stabilisation-fund-icb-1441816


