- ঋণের উৎস: ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স তাদের সহযোগী বা মূল গ্রুপ প্রতিষ্ঠান ‘ড্যাফোডিল ফ্যামিলি কনসার্ন’ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছিল।
- শেয়ার ইস্যুর পরিকল্পনা: এই ঋণ পরিশোধের অংশ হিসেবে কোম্পানিটি ১৫ টাকা মূল্যে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজারটি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করতে চেয়েছিল।
- আর্থিক মূল্য: এই শেয়ারগুলোর মোট আর্থিক মূল্য ধরা হয়েছিল ৪৯ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই প্রক্রিয়া সফল হলে ড্যাফোডিল ফ্যামিলির কাছে কোম্পানির কোনো ঋণ থাকত না, বরং তারা ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের মালিকানার অংশ (শেয়ার) পেয়ে যেত। [1, 2]
- বাজারমূল্য ও প্রস্তাবিত মূল্যের বড় ব্যবধান: কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার মাত্র ১৫ টাকা মূল্যে ইস্যু করার আবেদন জানায়। কিন্তু ওই সময়ে শেয়ারবাজারে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের প্রতিটি শেয়ারের প্রকৃত বাজারদর ছিল প্রায় ১৪২ টাকা ৫০ পয়সা। [1, 2]
- স্বার্থের সংঘাত ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি: বাজারমূল্যের চেয়ে এত কম মূল্যে নিজস্ব মূল গ্রুপের কাছে শেয়ার ইস্যু করলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতেন এবং স্পন্সর-পরিচালকেরা অনৈতিক সুবিধা পেতেন। এই কারণে বিএসইসি জনস্বার্থে ও বাজারের শৃঙ্খলারক্ষায় আবেদনটি সরাসরি বাতিল করে দেয়। [1,
