- National Board of Revenue (NBR) Chairman Md Abdur Rahman Khan has said strict monitoring to curb tax evasion will begin with the tobacco sector.
- There are plans to introduce counting machines, counting cameras, QR codes and advanced revenue stamps at the production stage, he told a pre-budget dialogue on Saturday, reports bdnews24.com.
Industry News
পুঁজিবাজারের মাধ্যমে এসএমই-এর প্রবৃদ্ধি জোরদার করতে ডিএসই ও সুইসকন্ট্যাক্ট একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ঢাকা, ১৭ মে, ২০২৬ (বিএসএস) — বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলোকে (এসএমই) পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব স্থাপনের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।
উভয় সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ডিএসই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুঝাত আনোয়ার এবং সুইসকনট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন সমঝোতা স্মারকটিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নুঝাত আনোয়ার বলেন, দুটি সংস্থার মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় ও সতর্ক পরিকল্পনার মাধ্যমে উদ্যোগটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অংশীদারিত্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন এবং বিধিগত পরিপালন শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে এসএমই খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে, যা পুঁজিবাজারে এসএমই-এর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) উল্লেখ করে হেলাল হোসেন বলেন, তারা অর্থায়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং নিয়মকানুন প্রতিপালনের ক্ষেত্রে ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
তিনি বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ এবং ইক্যুইটি-ভিত্তিক মূলধনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, ডিএসই-এর সাথে এই সহযোগিতা সম্ভাবনাময় এসএমইগুলোকে পুঁজিবাজারে প্রবেশ করতে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, সংস্থা দুটি প্রধানত তৈরি পোশাক, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি খাতের ওপর মনোযোগ দেবে।
তারা পরিবেশগত, সামাজিক ও শাসনতান্ত্রিক (ইএসজি) মানদণ্ড, টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য সহায়তা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত উদ্যোগগুলোতেও যৌথভাবে কাজ করবে।
এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে, আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করার জন্য ডিএসই এবং সুইসকন্ট্যাক্ট সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি, সচেতনতামূলক কর্মশালা, ইনকিউবেশন সহায়তা এবং পরামর্শমূলক পরিষেবার আয়োজন করবে।
এই অংশীদারিত্ব গ্রিন বন্ড, সাসটেইনেবিলিটি-লিঙ্কড বন্ড, সুকুক এবং মিশ্র-অর্থায়ন মডেলসহ উদ্ভাবনী টেকসই বিনিয়োগ উপকরণগুলোর উন্নয়নে আরও সহায়তা করবে।
এই উদ্যোগটি আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজার ইকোসিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা ও স্থায়িত্বকে সমর্থন করে বাংলাদেশের আর্থিক অবকাঠামোকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
https://www-bssnews-net.translate.goog/business/387898?_x_tr_sl=en&_x_tr_tl=bn&_x_tr_hl=bn&_x_tr_pto=sge
- Speakers at a programme on Saturday urged the government to introduce a predictable five-year tax structure and long-term policy reforms for the telecom sector to encourage investment and accelerate digital transformation.
- The call came at a roundtable titled “Future of the Telecom Sector: What the Government is Thinking”, organised by the Telecom and Technology Reporters Network Bangladesh at InterContinental Dhaka.
- Prime Minister’s Adviser Rehan Asif Asad said the government was working on a long-term and predictable reform of the telecom tax structure for the next five years in response to demands from operators and investors.
- https://today.thefinancialexpress.com.bd/trade-market/telecom-sector-seeks-5-yr-tax-regime-to-spur-investment-1778949174
রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি যুদ্ধসহ নানা বৈশ্বিক কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি কয়েক বছর ধরে চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে উৎপাদন ও সেবা-সংশ্লিষ্ট খাতের কোম্পানির লাভ-ক্ষতির খতিয়ানে।
চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত উৎপাদন ও সেবা-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর অন্তত তিন-চতুর্থাংশ বা ৭৫ শতাংশ হয় লোকসান করেছে, নয়তো মুনাফা কমেছে, অথবা বন্ধ ও রুগ্ণ অবস্থায় পড়ে আছে বলে আর্থিক হিসাব প্রকাশই বন্ধ রেখেছে।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন ও সেবা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের তালিকাভুক্ত দেশীয় কোম্পানি ২৩১টি। এসব কোম্পানির আর্থিক হিসাব বছর জুলাই মাসের শুরু হয়ে শেষ হয় জুনে। গত ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিক শেষে এ ধরনের কোম্পানিগুলোর প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১১৩ কোম্পানি কম-বেশি মুনাফা করার বিপরীতে ৫৪টি লোকসান করেছে বলে জানিয়েছে। তবে মুনাফায় থাকা ১১৩ কোম্পানির মধ্যে ৫৭টির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে।
এর বাইরে ৬৪ কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদনই প্রকাশ করেনি। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ না করা কোম্পানিগুলোর অধিকাংশ গত অন্তত এক বছর থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না। এর বড় কারণ কোম্পানিগুলোর ব্যবসা কার্যক্রম হয় পুরোপুরি বন্ধ বা অত্যন্ত রুগ্ণ অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। এসব কোম্পানির বেশির ভাগই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়েছিল।
আর্থিক প্রতিবেদন এবং কোম্পানিগুলোর প্রদান করা তথ্যানুযায়ী, চলতি হিসাব বছরে লোকসান করার পেছনে প্রধানত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি, ডলার সংকট, ঋণের উচ্চ সুদহার এবং কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির মতো কারণগুলো উৎপাদনমুখী কোম্পানির ব্যাখ্যায় লোকসানের মূল নেপথ্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
বেশ কিছু কোম্পানি জানিয়েছে, ডলার সংকটের কারণে তারা সময়মতো কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি খুলতে পারেনি। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাজার থেকে বেশি দামে কাঁচামাল কিনতে হয়েছে। দেশবন্ধু পলিমার জানিয়েছে, কাঁচামালের অভাবের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটে পর্যাপ্ত উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেনি।
মেঘনা সিমেন্ট কোম্পানিও জানিয়েছে, কাঁচামাল আমদানিতে বাধার কারণে কোম্পানিটি তার পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারেনি এবং আয়ের জন্য প্রধানত কনভার্সন ইনকামের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বাড়ার ফলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ।
হেইডেলবার্গ সিমেন্ট জানিয়েছে, কাঁচামালের দাম বাড়লেও বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারায় মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস এর ব্যাখ্যায় বলেছে, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া লোকসানের বড় কারণ। ব্যাংক ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় কোম্পানিগুলোর আর্থিক ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে, যা নিট মুনাফাকে নেতিবাচক করে তুলেছে। এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন এবং বসুন্ধরা পেপার মিলসও।
উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রি কমেছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ। মুন্নু সিরামিকস জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ঈদ ও নির্বাচনের ছুটির কারণে কর্মদিবস কমে যাওয়ায় তাদের রাজস্ব ও মুনাফা কমেছে। এদিকে কারখানা বন্ধ থাকা কয়েকটি কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে মিথুন নিটিং বলেছে, কারখানা বন্ধ থাকায় কোম্পানিটির কোনো আয় হয়নি।
ভালো করেছে কিছু কোম্পানি
সার্বিক এমন নেতিবাচক চিত্রের বিপরীতে কিছু কোম্পানি ভালো মুনাফা করারও তথ্য দিয়েছে। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে অন্তত ৩০ কোম্পানির ইপিএস অর্জিত হয়েছে পাঁচ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৪ টাকা।
বারাকা পাওয়ার কোম্পানিটির ৯ মাসের ইপিএস ২৯ পয়সা থেকে বেড়ে ৮৭ পয়সা হয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই মুনাফা বেড়েছে। সহযোগী কোম্পানি তালিকাভুক্ত বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার কোম্পানিটির ইপিএস ৭৪ পয়সা থেকে বেড়ে দুই টাকা ৮৬ পয়সা হয়েছে। কারণ হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়জনিত লোকসান কমা এবং গত বছরের তুলনায় আর্থিক ব্যয় কমে যাওয়াকে উল্লেখ করেছে।
জ্বালানি খাতের কোম্পানি সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ইপিএস দুই টাকা ৩৫ পয়সা থেকে বেড়ে পাঁচ টাকা ০৮ পয়সা হয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, বিক্রি বৃদ্ধি এবং কাঁচামালের দাম কমে যাওয়ায় তাদের মুনাফা বেড়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ সঞ্চালনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি গত বছরের লোকসান কাটিয়ে ৯ মাসে বড় মুনাফা করেছে। তাদের ৯ মাসের ইপিএস ৩৪ পয়সা থেকে ছয় টাকা ২৪ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।
প্রকৌশল খাতের আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লোকসান কাটিয়ে ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি চার টাকা ইপিএস দেখিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তাদের ‘নন-অপারেটিং’ আয় অনেক বেশি হওয়ায় মুনাফায় এই পরিবর্তন এসেছে।
কোম্পানিগুলোর নিট মুনাফার অঙ্কের দিকে তাকালে দেখা যায়, স্কয়ার ফার্মা সর্বোচ্চ দুই হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে। স্টিল খাতের বিএসআরএম লিমিটেড এবং বিএসআরএম স্টিল যথাক্রমে ৪৬৪ কোটি ও ৪৩২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। বিদ্যুৎ খাতের পাওয়ার গ্রিড ৫৭০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে ব্যর্থ যারা
নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও অনেক কোম্পানি তাদের তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেনি। এই তালিকায় রয়েছে জিপিএইচ ইস্পাতের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া টেক্সটাইল খাতের আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ফ্যামিলি টেক্স, জেনারেশন নেক্সট এবং ওষুধ খাতের বেক্সিমকো ফার্মা, কেয়া কসমেটিকস ও মারিকো বাংলাদেশ তাদের আর্থিক তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি।
https://samakal.com/economics/article/351448/লোকসানে-৫৪টি-কোম্পানি-মুনাফা-কমেছে-৫৭টির
Most listed drug manufacturers in Bangladesh posted double-digit year-on-year profit growth in the first nine months through March, supported by rising demand, efficient cost management, and a stable forex market.
Market analysts attributed the growth to higher sales volumes, improved operational efficiency, and sustained demand for medicines both domestically and in export markets.
The sector’s performance stands out at a time when many other industries-including multinational companies-are grappling with elevated operating costs amid persistent inflationary pressure.
“Sales of lifesaving drugs increased due to strong local demand, while leading companies successfully managed to keep operating costs lower,” Salim Afzal Shawon, head of research at BRAC EPL Stockbrokerage, told The Financial Express over the phone.
The growing population, coupled with rising awareness of healthcare needs, has amplified demand for generic medicines in the local market, particularly for chronic diseases.
The aftermath of the Covid-19 pandemic has further underscored the importance of healthcare, leading to a heightened focus on medical preparedness and infrastructure, which in turn has positively impacted the pharmaceutical industry.
“People now prioritise healthcare spending more than before, which is contributing to higher sales and profitability,” said Mr Shawon.
This resilience allows leading pharmaceutical companies to sustain strong revenue and profit growth, he added.
Combined profits of eight major drug manufacturers rose nearly 14 per cent year-on-year to Tk 27.22 billion during July-March of FY26. Over the same period, total sales increased 13 per cent year-on-year to Tk 155 billion.
Among the eight, Techno Drugs and Silco Pharma saw their profits decline, mainly due to lower sales and higher finance costs.
Silco Pharma’s profit fell 19 per cent year-on-year in the nine months through March, as its finance costs more than doubled to Tk 170 million due to increased borrowing.
Techno Drugs’ profit also dropped 16 per cent due to lower sales and higher tax expenses. Its sales declined 10 per cent year-on-year, while tax expenses surged 19 per cent during July-March FY26 compared to the same period a year earlier.
Beximco Pharma and Navana Pharma have yet to publish their third-quarter financial results.
Overall, the pharmaceutical sector has remained resilient despite broader economic challenges such as inflationary pressure and rising production costs.
Square Pharma, the country’s largest drug maker, posted a 10 per cent year-on-year increase in profit to Tk 20.64 billion for the nine months through March. Revenue rose 12.5 per cent to Tk 65.08 billion.
The company attributed the sustained growth to several factors, including rising domestic demand for healthcare products, export earnings, and income from subsidiaries.
Square Pharma’s local sales grew by more than 9 per cent, while revenue from its Kenya subsidiary rose 4.5 per cent year-on-year during the period.
The company also reduced its finance costs by 55 per cent, supported by the partial repayment of long-term loans.
“The drug maker continues to grow in both sales and profit owing to strong consumer trust in its products,” said Akramul Alam, head of research at Royal Capital.
He highlighted Square Pharma’s competitive edge in producing high-quality generic medicines at relatively low costs, supporting its long-term growth trajectory.
Another leading drug manufacturer, Renata, posted 28 per cent year-on-year profit growth in the first nine months through March, driven by strong operating profit and reduced finance costs following a capital restructuring initiative.
“Profitability improved on the back of better gross margins, efficient procurement, and tight control over expenses, including lower financing costs through major capital restructuring,” said the company.
“We successfully lowered finance costs by deploying the proceeds from preference share issuance to retire high-cost debts, a move that has structurally reduced our interest burden going forward,” Mustafa Alim Aolad, chief financial officer of Renata, told The Financial Express over the phone recently.
Renata’s domestic sales, which account for almost 74 per cent of total revenue, grew by more than 10 per cent, while export revenue rose 5 per cent, aided by a wave of international regulatory approvals.
Beacon Pharmaceuticals recorded the highest profit growth among its peers, registering a 59 per cent year-on-year increase. The growth was driven by higher sales, lower input costs, efficient production planning, and prudent financial management, the company said.
IBN Sina Pharmaceutical Industry also posted strong results, with profit rising 33 per cent and sales increasing 18 per cent, backed by solid operational performance.
Meanwhile, although Advanced Chemical Industries (ACI) remained in the red, its pharmaceutical segment posted 21 per cent year-on-year sales growth during the period under review. Its consolidated losses shrank to Tk 71 million in July-March of FY26, one-eleventh of the losses recorded during the same period of the previous year.
Bangladesh’s pharmaceutical industry, which meets 98 per cent of local demand, remains one of the country’s success stories, having recorded remarkable growth in recent years.
Export performance has also remained steady. Pharmaceutical exports reached $170.67 million in the first nine months of FY26, marking growth of more than 3 per cent, driven largely by demand from Asian markets such as Sri Lanka and Myanmar.
Mr Alam said that with continued investment, regulatory compliance, and a growing skilled workforce, the local pharmaceutical sector is poised not only to sustain but also to accelerate export growth in the coming years.
https://thefinancialexpress.com.bd/stock/bangladesh/stocks-open-higher-after-recent-fall
শেয়ারবাজারে এখন ভালোর চেয়ে মন্দ ব্যাংকের সংখ্যাই বেশি। গতকাল রোববার এক দিনেই ১০টি ব্যাংক নতুন করে দুর্বল মানের জেড শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় পুরো ব্যাংক খাত নিয়ে বিনিয়োগকারীরা আস্থার সংকটে পড়েছেন। গত বছর শেষে শেয়ারধারীদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এসব ব্যাংককে জেড শ্রেণিভুক্ত করা হয়। তাতে এ খাতের তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর অর্ধেকের বেশি দুর্বল ব্যাংক হিসেবে শ্রেণিভুক্ত হয়ে গেল। ফলে এসব ব্যাংকের শেয়ারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সার্বিক বাজারে।
শেয়ারবাজারের নিয়ম অনুযায়ী, পরপর দুই বছর তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ না দিলে সেসব কোম্পানিকে দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে জেড শ্রেণিভুক্ত করা হয়। আর জেড শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার যাতে বিনিয়োগকারীরা কিনতে আগ্রহী না হন, সে জন্য এসব শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এসব শেয়ারের লেনদেন নিষ্পত্তিতে ভালো ও মাঝারি মানের কোম্পানির চেয়ে এক দিন বেশি সময় লাগে। শেয়ারবাজারে সেই নিয়মের ফাঁদে পড়েছে নতুন করে আরও ১০টি ব্যাংক। এগুলো হলো এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক বা ইউসিবি, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ও এনআরবিসি ব্যাংক। আগে থেকেই শেয়ারবাজারে দুর্বল মানের ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, সাউথবাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স বা এসবিএসি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক। আগের সেই ৫টি ব্যাংকের সঙ্গে নতুন করে আরও ১০টি ব্যাংক যুক্ত হয়ে এখন শেয়ারবাজারে দুর্বল মানের ব্যাংকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫টিতে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১০টি ব্যাংকের শেয়ারের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিগুলোকে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগারি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ‘জেড’ ক্যাটাগরি হলো পুঁজিবাজারের লেনদেনের মধ্যে সর্বনিম্ন ক্যাটাগরি, যা সাধারণত দুর্বল ও জাঙ্ক স্টক হিসেবে পরিচিত।
রোববার (৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে এই ১০টি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেনের জন্য ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে পাঠানো হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি, এনআরবি ব্যাংক পিএলসি, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসি।
https://bonikbarta.com/economy/AnrJw6Tja42uS5XY
পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ দেশের মোট স্থায়ী মূলধনের মাত্র ৬ শতাংশ
২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের পুঁজিবাজারের ইস্যুকৃত মূলধনের পরিমাণ ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছে এখন পর্যন্ত ১ লাখ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে।
দেশের গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশন বা মোট স্থায়ী মূলধনের সঙ্গে তুলনা করলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় মাত্র ৬ শতাংশে।
দেশের পুঁজিবাজারের যাত্রা সাত দশক আগে, ১৯৫৬ সালে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আনুষ্ঠানিক লেনদেন চালু হয়। সেই হিসেবেও পুঁজিবাজারের যাত্রা পাঁচ দশকের। অথচ পুঁজির জোগানের দিক থেকে এখনো তলানিতে রয়ে গেছে পুঁজিবাজার। অর্থনীতির আকার বিবেচনায় নিলে দেখা যায় যে বিশ্বের আর কোথাও পুঁজিবাজার থেকে এত কম অর্থায়ন হয়নি। তার ওপর গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে নতুন কোনো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের পুঁজিবাজারে ইস্যুকৃত মোট মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। গতকালের দর অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৪১ কোটি বা ৮ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশের গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশনের (জিএফসিএফ) আকার ছিল ১৩৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে গত পাঁচ দশকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট স্থায়ী মূলধনের ৬ শতাংশে।
জিএফসিএফ বা মোট স্থায়ী মূলধন গঠন হলো জাতীয় পরিসরে নিট বিনিয়োগের ধারণা, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে অ-আর্থিক সম্পদে ব্যয় পরিমাপ করে। মোটা দাগে কোনো দেশে উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যেসব সম্পদ (অবকাঠামো, ভবন ও যন্ত্রপাতি) নতুন করে তৈরি বা কেনা হয়, তার মোট মূল্যই হলো গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশন। এর হিসাবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগের (অবকাঠামো, মেগা প্রকল্প) পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বিদেশী বিনিয়োগকেও (এফডিআই) আমলে নেয়া হয়।
সারা বিশ্বে শিল্পায়নে মূলধনের জোগান আসে পুঁজিবাজার থেকে। যদিও বাংলাদেশে এ মূলধনের প্রধান উৎস ব্যাংক খাত। এক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের অবদান যৎসামান্য। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ব্যাংক ঋণের ৪৩ শতাংশ বা ৭ লাখ ৬৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে শিল্প খাতে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা মেয়াদি ঋণ এবং ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা চলতি মূলধন। দেখা যাচ্ছে শিল্প খাতে পুঁজিবাজারের তুলনায় ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে সাত গুণেরও বেশি অর্থ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা, যার প্রায় ৩১ শতাংশই শিল্প খাতে। স্বল্পমেয়াদি আমানতের অর্থ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করার কারণে ব্যাংকগুলোকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এক্ষেত্রে পুঁজিবাজার থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হলে সেটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর তহবিল সংগ্রহ ব্যয়কেও অনেকাংশে কমিয়ে দিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ইকুইটি বা কোম্পানিনির্ভর হলেও বৈশ্বিক চিত্র এর বিপরীত। বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর পুঁজিবাজার বেশ বৈচিত্র্যময়। সেখানে কোম্পানির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বন্ড, ডেরিভেটিভস, কমোডিটি ও অবকাঠামো প্রকল্পের অর্থায়নও পুঁজিবাজারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশে সিকিউরিটাইজেশনের মাধ্যমে অবকাঠামো প্রকল্পের অর্থায়ন পুঁজিবাজারের মাধ্যমে সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও সেটি কখনো আলোর মুখ দেখেনি। তবে সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে বাজেট আলোচনায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সিকিউরিটাইজেশনের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়নের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যানুসারে, আইপিওর মাধ্যমে সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নয়টি কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে ৮৪১ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। এ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিক থেকে এখন পর্যন্ত আইপিওর মাধ্যমে নতুন কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়নি। দেশের পুঁজিবাজারে এত দীর্ঘ সময় ধরে আইপিও না আসার নজির আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ২০২২ সালের শুরুতেই দেশের পুঁজিবাজারে মন্দা ভাব দেখা যায়, যা বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। পুঁজিবাজারের এ নিম্নমুখিতার কারণে উদ্যোক্তারা কোম্পানিকে আইপিওতে আনতে আগ্রহ দেখান না। নিম্নমুখী বাজারে শেয়ারের প্রত্যাশিত দাম পাওয়া নিয়ে তাদের সংশয় থাকে। তাছাড়া বিগত সময়ে দেশের পুঁজিবাজারে যেভাবে অনিয়ম ও কারসাজির ঘটনা ঘটেছে তাতে অনেক ভালো কোম্পানি আগ্রহ হারিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার (সাবেক) ক্ষমতা নিলে অনেকে প্রত্যাশা করেছিলেন যে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে। যদিও সে প্রত্যাশার বাস্তবায়ন হয়নি। তার ওপর সে সময়ের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে কোনো বিনিয়োগে যাননি উদ্যোক্তারা
https://bonikbarta.com/economy/AnrJw6Tja42uS5XY
খেলাপি ঋণ ও আর্থিক দুর্বলতার কারণে ব্যাংক খাতে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ২০২৫ সালে দেশের অর্ধেকের বেশি ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশ বা তার বেশি হলে লভ্যাংশ ঘোষণা করা যাবে না। পাশাপাশি মূলধন বা প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও লভ্যাংশ দেওয়ার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।
এই নীতির কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ১৬টি এবং দেশের মোট ৫২টি ব্যাংকের মধ্যে ১৮টি ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পেরেছে।
খেলাপি ঋণ ও আর্থিক দুর্বলতার কারণে ব্যাংক খাতে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ২০২৫ সালে দেশের অর্ধেকের বেশি ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশ বা তার বেশি হলে লভ্যাংশ ঘোষণা করা যাবে না। পাশাপাশি মূলধন বা প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও লভ্যাংশ দেওয়ার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।
এই নীতির কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ১৬টি এবং দেশের মোট ৫২টি ব্যাংকের মধ্যে ১৮টি ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পেরেছে।

সপ্তাহজুড়ে বীমা খাতের ১৫ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
০২ মে ২০২৬

সপ্তাহজুড়ে ১০ ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
০২ মে ২০২৬

চলতি সপ্তাহে ৫ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ও ইপিএস প্রকাশ
০২ মে ২০২৬
বর্তমানে ২৯টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ২৯ শতাংশের বেশি বলে জানা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভালো মুনাফা করা ব্যাংকের ক্ষেত্রেও লভ্যাংশ সীমিত রাখা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, লভ্যাংশ পরিশোধিত মূলধনের ৩০ শতাংশ বা নিট মুনাফার ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।
তবে কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক তুলনামূলকভাবে ভালো লভ্যাংশ দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক। এছাড়া যমুনা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়াসহ কয়েকটি ব্যাংক বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক, একীভূত হওয়া কিছু ব্যাংক এবং অধিকাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এ বছর লভ্যাংশ দিতে পারেনি। ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ভিত্তি শক্তিশালী করতেই এ নীতি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
Telecom, steel seek tax cuts as tobacco firms split over govt revenue policy ahead of budget
- The Association of Mobile Telecom Operators of Bangladesh (AMTOB) has proposed abolishing the 20% supplementary duty on mobile talk-time and data, along with other tax cuts, saying the current structure is restricting growth and digital inclusion.
- The proposals were placed at a pre-budget meeting with the National Board of Revenue (NBR) in Agargaon, Dhaka, yesterday (27 April).
- AMTOB said operators currently pay about 56% of gross revenue in taxes, VAT and other charges, compared to a global average of 22% and 26% in Asia-Pacific countries.
https://www.tbsnews.net/economy/telecom-steel-seek-tax-cuts-tobacco-firms-split-over-govt-revenue-policy-ahead-budget
