https://thefinancialexpress.com.bd/trade/tk-30-billion-credit-wholesaling-scheme-launched-to-boost-sme-sector-says-commerce-minister#google_vignette |
first capital
The Central Depository Bangladesh Ltd. (CDBL) is set to take on the role of custodian of mutual funds (MFs) in a move aimed at expanding its portfolio and playing a supportive role in the MF industry.
The company, which has so far provided only depository services, will apply for the licence required for the new role within a week, sources at the organisation said.
The development comes at a time when MF custodians are facing heavy criticism for their failure to prevent scams in fund management and when CDBL is experiencing shrinking income amid a bearish secondary market.
While the board of directors of CDBL suggested taking on the new responsibility, the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) viewed the move as a way to bring discipline to the professionally managed fund industry.
At a recent meeting, the securities regulator urged the depository authority to submit an application seeking a custodian licence, CDBL sources said.
“CDBL is well positioned to act as custodian of mutual funds,” said its Managing Director Md. Abdul Mutaleb.
Meanwhile, CDBL’s operating profit has endured a sharp decline.
The company receives Tk 25 for every settlement of listed securities worth Tk 0.1 million. The lower the daily transactions in the capital market, the lower CDBL’s earnings from securities settlements.
Moreover, income from the maintenance of each BO (beneficiary owner’s) account has been reduced to Tk 50 from Tk 100. As a result, the company’s annual income from BO account maintenance fell to Tk 70 million in FY25 from more than Tk 130 million the previous year.
Consequently, CDBL’s operating profit eroded by more than 17 per cent year-on-year to Tk 522 million in FY25, prompting the company to explore a new line of operation to recover lost income.
Under the revised rules, a custodian’s role includes safekeeping funds’ assets, maintaining accounts of unitholders and funds, and managing bank transactions.
CDBL was incorporated in August 2000, sponsored by the country’s nationalised commercial banks, the Investment Corporation of Bangladesh (ICB), private commercial banks (PCBs), and the Dhaka and Chittagong stock exchanges, among others, with the collaboration of the Asian Development Bank (ADB).
CDBL officials said the securities regulator wanted them to take on the new role due to a lack of efficient custodians.
Custodians’ efficiency came under question after funds worth Tk 2.07 billion were embezzled from three open-ended funds managed by Universal Financial Solutions (UFS) without any resistance from the custodian – Investment Corporation of Bangladesh (ICB).
UFS Managing Director Syed Hamza Alamgir left for Dubai in October 2022 with the money.
Custodians have said that the previous rules defining their role did not enable them to secure investors’ interests in pooled funds.
At the end of last year, BRAC Bank, which serves as custodian for more than 60 MFs, expressed its intention to withdraw its custodianship from a large number of funds, saying the role lacked adequate authority in fund management.
At the time, a custodian’s role was limited to ensuring the protection of assets purchased by asset management companies (AMCs), while cash funds and transactions remained under the control of asset managers.
The revised MF rules, which came into effect in November last year, empowered custodians to oversee bank transactions.
Assets under management (AUM) in the country’s mutual fund industry amount to approximately Tk 113.43 billion. The industry comprises 68 licensed AMCs, 136 mutual funds, nine trustees, and nine custodians.
https://today.thefinancialexpress.com.bd/stock-corporate/cdbl-to-apply-for-custodian-licence-to-strengthen-mf-oversight-1772038747
Commerce Minister Khandaker Abdul Muktadir held discussions with business leaders on the reciprocal tariff agreement with the United States, as some business representatives proposed scrapping the deal.
The meeting, held on Wednesday, was attended by State Minister for Commerce Md Shariful Alam and Commerce Secretary Mahbubur Rahman.
Following the meeting, the commerce minister told reporters that the reciprocal tariff issue with the United States remains an evolving matter and the government will take a decision after carefully evaluating the changing situation.
“The signing of the agreement was a sensitive issue. The country with whom we signed the agreement is also very sensitive to us. We should not make any unwarranted comment in this evolving situation,” he said.
When asked about the discussions with business leaders, he said, “We invited the business leaders to discuss about the deal and other issues. We discussed the future course of action with the business leaders.”
He noted that differing opinions among stakeholders are natural, with one group supporting the agreement while another opposing it. The government will review all aspects before making a final decision, he added.
Bangladesh and the United States signed the reciprocal tariff deal on 9 February, setting the tariff rate at 19 percent. However, the US Supreme Court recently struck down tariffs previously imposed by US President Donald Trump.
The minister said issues related to the United States are still evolving, adding that the US Supreme Court has declared that the previous tariff structure would not be maintained. The US government later announced a flat tariff rate of 10 percent, which was subsequently revised to 15 percent for all countries.
He also said Bangladesh has yet to receive any written communication from the US administration, noting that tariffs imposed by the US government must be endorsed by Congress.
Govt reviews US reciprocal tariff deal amid divergent business views
দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু—জাতীয় সংসদ ভবন আবারও প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বরণ করতে প্রস্তুত জাতীয় সংসদ ভবন। চলছে শেষ মুহূর্তের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য বর্ধনের কার্যক্রম।
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের শপথকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
নির্ধারিত সময়ে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে নিশ্চিত করেছে সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। তিনি জানান, নেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। আর নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে প্রত্যাশা জেগেছে সাধারণ মানুষেরও।
যেখানে সরকার আর বিরোধীদল মুখোমুখি হতো যুক্তিতর্কে, নীতির লড়াইয়ে, জনস্বার্থের প্রশ্নে। তর্ক থাকত, মতভেদ থাকত, কিন্তু সেই বিতর্কই গণতন্ত্রের প্রাণসঞ্চার করত। বহু বছর ধরে একপেশে কার্যক্রমের অভিযোগে যে সংসদ সমালোচনার মুখে ছিল, সেখানে আজ শোনা যাচ্ছে নতুন সূচনার প্রত্যাশা।
শেরেবাংলা নগরের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা জাতীয় সংসদ ভবন এখন অপেক্ষায় নতুনদের বরণের জন্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়। যেখানে প্রত্যাশা, সংসদ আবার হবে প্রাণবন্ত বিতর্ক ও জবাবদিহির মঞ্চ।
তবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংসদ ভবনের অভ্যন্তরের ক্ষয়ক্ষতি সারিয়ে অধিবেশন পরিচালনার জন্য কতটা প্রস্তুত সংসদ ভবন? এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সংসদ সচিবালয় সচিব।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এদিকে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একইদিন বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দশক পর আবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। ফলে বিএনপির কাছে প্রত্যাশা বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফলের গেজেট এখন জারি করা হয়নি।
নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। বিএনপির শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
Renata PLC, a listed drugmaker, has launched Fludrocortisone 0.1mg tablets in the UK, expanding its growing portfolio in this key market, the company said in a press release.
Fludrocortisone is a synthetic corticosteroid (anti-inflammatory hormone) used to treat conditions in which the adrenal glands fail to produce enough hormones. It is prescribed as replacement therapy for Addison’s disease and for treating salt-losing adrenogenital syndrome.
The drug is supplied from Renata’s UK MHRA (Medicines and Healthcare products Regulatory Agency)-approved potent product facility.
Renata says its Fludrocortisone 0.1mg tablets have a market advantage as they remain stable at storage temperatures below 25°C, compared to the innovator product, which requires refrigeration between 2°C and 8°C.
This reflects Renata’s focus on innovation in product development to deliver practical benefits to consumers and gain a competitive edge, the company said
https://www.thedailystar.net/business/news/renata-continues-uk-market-expansion-hormonal-drug-3976901
ড্যাপ সংশোধন: ঢাকার কিছু এলাকায় ভবন নির্মাণে ফ্লোর এরিয়া রেশিও দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে
রাজধানীর ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ব্যাপকভাবে সংশোধন করছে সরকার। বর্তমান পরিকল্পনার তুলনায় এলাকাভিত্তিক ও আবাসিক ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) দুই গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে।
এর ফলে শহরের সব এলাকায়ই এখনকার তুলনায় বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের সুযোগ তৈরি হবে। সংশোধিত ড্যাপে রাজধানীকে ৬৫টি জনঘনত্ব ব্লকে ভাগ করে নতুন এফএআর নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজউক সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।
আগামীকাল রোববার (১০ আগস্ট) ড্যাপের সংশোধন এবং ‘ঢাকা ইমারত বিধিমালা-২০২৫’ চূড়ান্ত করা হবে। ইতোমধ্যে আবাসন খাতের সংগঠন রিহ্যাব, নগর পরিকল্পনাবিদদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব প্ল্যানার্স, রাজউক এবং উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নিয়ে সংশোধিত ড্যাপের খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। এখন কমিটির অনুমোদন নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
এর আগে, গত ৩ আগস্ট গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এটি আগামীকাল চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, জমির মালিক ও ডেভেলপারদের দাবি এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ড্যাপ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে এফএআর বাড়িয়ে উচ্চতা বৃদ্ধি করে কম জমিতে বেশি আয়তনের ভবন নির্মাণের সুযোগ থাকবে। এতে আবাসন ব্যবসায়ীরা ছোট প্লটে ভবন নির্মাণে আগ্রহী হবেন এবং ক্রেতা পর্যায়ে ফ্ল্যাটের দাম কমার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
তবে নগর পরিকল্পনাবিদদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের স্বার্থে সরকার এফএআর বাড়াচ্ছে—যা নগরের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের মতে, সুবিধাভোগীদের স্বার্থে কোনো নীতিমালা প্রণয়ন করা উচিত নয়।
এফএআর বা ফ্লোর এরিয়া রেশিও হলো একটি প্লটে কতটুকু জায়গা নিয়ে ভবন নির্মাণ করা যাবে তার অনুপাত। উদাহরণস্বরূপ– ১,০০০ বর্গফুট জমির এফএআর যদি ১.৫ হয়, তবে মোট ফ্লোর স্পেস হবে ১,৫০০ বর্গফুট। সেই প্লটে পাঁচতলা ভবন হলে প্রতিতল হবে ৩০০ বর্গফুট। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, এফএআর শহর পরিকল্পনা ও ভবন নির্মাণের ঘনত্ব ও উচ্চতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সংশোধিত ড্যাপে ‘সেটব্যাক এলাকা’ ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। সেটব্যাক এলাকা বলতে প্লটের যে অংশ ফাঁকা রেখে ভবন নির্মাণ করতে হয় সেটি বোঝায়।
পাশাপাশি আলো-বাতাস নিশ্চিত করতে দুটি ভবনের মধ্যে কৌণিক দূরত্ব কমপক্ষে ৭২ ডিগ্রি রাখার বিষয়টি বিবেচনা করছে রাজউক। যদিও নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, আদর্শ মান ৪৫ ডিগ্রি, কিন্তু আবাসন ব্যবসায়ীদের দাবি—এটি মানলে ঢাকার আবাসন সুবিধা অর্ধেক কমে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২২ সালের ২৪ আগস্ট গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বর্তমান ড্যাপ (২০২২–২০৩৫) কার্যকর করে গেজেট প্রকাশ করে। এরপর থেকেই আবাসন কোম্পানি ও জমির মালিকসহ বিভিন্ন পক্ষ এর সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছেও ডেভেলপার কোম্পানিগুলো বারবার এ দাবি জানায়। সর্বশেষ গত ২০ মে ঢাকা সিটি ল্যান্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন রাজউকের প্রধান কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে এবং ড্যাপ সংশোধন না হলে রাজউকের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়।
জানা গেছে, মালিকানা ও বসবাসের ধরন অনুযায়ী ইমারত বা ভবন ছয়টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।
এলাকা-ভিত্তিক পরিবর্তন
আবাসন ইউনিটের সর্বোচ্চ এফএআর নির্ধারণ করা হয়েছে ২.৩—যা রামপুরা, বাড্ডা, তেজগাঁও, তারাবো পৌরসভা, হেমায়েতপুর, সাভার পৌরসভা ও টঙ্গীতে প্রযোজ্য হবে। সর্বনিম্ন এফএআর ১.৬। এলাকাভিত্তিক সর্বোচ্চ এফএআর নির্ধারণ করা হয়েছে গুলশান ও বনানীতে ৫.৫ এবং সর্বনিম্ন ২.০।
সূত্র জানায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এলাকাভিত্তিক এফএআর আগের মতোই ৪.১ রাখা হলেও আবাসন ইউনিটের এফএআর ১.৯ থেকে বাড়িয়ে ২.০ করা হচ্ছে। বারিধারার এলাকাভিত্তিক এফএআর ৪ থেকে বেড়ে ৪.৭ হলেও আবাসন এফএআর ১.৮ থেকে কমিয়ে ১.৭ করা হয়েছে।
গুলশান ও বনানীর এলাকাভিত্তিক এফএআর ৫.৭ থেকে কমিয়ে ৫.৫ করা হলেও আবাসন এফএআর ১.৭ থেকে বাড়িয়ে ২.০ করা হয়েছে। উত্তরা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের দুই ধরনের এফএআরই ০.২ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধানমন্ডির আবাসন এফএআর ১.৭ থেকে বাড়িয়ে ২.১ এবং জলসিড়ি আবাসিক এলাকার এফএআর ১.৬ থেকে বাড়িয়ে ২.১ করা হয়েছে।
পান্থপথ এলাকার দুই ধরনের এফএআরই বাড়ছে। মহাখালী, মহাখালী ডিওএইচএস ও নিকেতনের দুই ধরনের এফএআরই বাড়ানো হয়েছে। খিলক্ষেত আবাসিক এলাকার এলাকাভিত্তিক এফএআর ১.৪ থেকে বেড়ে ৪.২ এবং আবাসন এফএআর ১.২ থেকে বেড়ে ২.০ করা হয়েছে।
আফতাবনগর, বনশ্রী ও উত্তরা তৃতীয় পর্বের এফএআরও বাড়ানো হচ্ছে। মিরপুরের আবাসন এফএআর ১.৭ থেকে বাড়িয়ে ২.০ এবং এলাকাভিত্তিক এফএআর ২.৮ থেকে বাড়িয়ে ৩.৪ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ সেন্টার এলাকার আবাসন এফএআর ১.২ থেকে বেড়ে ২.১, ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় ১.৬ থেকে বেড়ে ১.৯, রামপুরায় ১.৪ থেকে বেড়ে ২.৩, গ্রীন মডেল টাউনে ১.৫ থেকে বেড়ে ১.৯ এবং পূর্বাচলে ১.৬ থেকে বেড়ে ১.৯ করা হয়েছে।
তবে বিমানবন্দর এলাকার এফএআর এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
কি থাকছে ঢাকা ইমারত বিধিমালা ২০২৫-এ
জানা গেছে, ‘ঢাকা ইমারত বিধিমালা ২০২৫’-এ বেশ কয়েকটি নতুন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যেকোনো স্থানে অ্যাপার্টমেন্ট ভবন নির্মাণ বা ব্লকভিত্তিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনাবিদের অনুমোদন নিতে হবে।
বিধিমালায় বলা হয়েছে, ৭০ শতাংশ বা ৪২.৪৩ কাঠা থেকে দেড় একরের কম জমিতে অ্যাপার্টমেন্ট ভবন নির্মাণ বা ব্লকভিত্তিক উন্নয়নের জন্য নগর পরিকল্পনাবিদের অনুমোদন লাগবে।
২০০৮ সালের বিধিমালায় এ ধরনের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল না। দেড় একরের বেশি জমিতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের অনুমোদন নিতে হবে।
এছাড়া দেড় একরের বেশি জমিতে অ্যাপার্টমেন্ট বা ব্লকভিত্তিক উন্নয়ন করতে হলে প্রয়োজন অনুযায়ী বেবিচক, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিআইডাব্লিউটিএ, কেপিআই ও হেরিটেজ কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নিতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকেও অবস্থানগত ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক হবে।
নতুন বিধিমালায় ঢালু ছাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিন্দুকে ভবনের উচ্চতা হিসেবে গণনা করা হবে। এছাড়া ‘এট্রিয়া’—অর্থাৎ একাধিক তলাবিশিষ্ট বৃহৎ খোলা জায়গা—নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নদীতীরবর্তী বা বন্যাপ্রবণ এলাকায় প্রকল্প হাতে নেওয়ার সময় বন্যার প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হবে কি না, পানির উচ্চতা বা গতিবেগ বাড়বে কি না এবং বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে কি না—তা বিবেচনায় রাখতে হবে।
রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য যে প্লটের জমি অধিগ্রহণ করা হবে, সেই জমির মালিক তিন গুণ ক্ষতিপূরণ পাবেন।
এফএআর বাড়াতে চাপ দিচ্ছে ডেভেলপাররা
রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বেসিক বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল লতিফ টিবিএসকে বলেন, “ঢাকা শহরের আয়তনের তুলনায় মানুষের সংখ্যা বেশি। তাই সবার জন্য নিরাপদ ও শোভন আবাসন নিশ্চিত করতে উঁচু ভবন নির্মাণের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।”
তিনি বলেন, “এখন যে এফএআর নির্ধারণ করা হচ্ছে, সেটিও পর্যাপ্ত নয়। জমির বর্তমান দামে অন্তত সাততলা ভবন নির্মাণের সুযোগ না পেলে ব্যবসায়ীরা টিকতে পারবে না।”
“রাজধানীর ন্যূনতম এফএআর ৩.৫ থেকে ৪.০ হওয়া উচিত, যাতে ৪০ শতাংশ সেটব্যাক রেখে আটতলা ভবন নির্মাণ সম্ভব হয়। সরকার যা করছে সেটি মন্দের ভালো; এফএআর বাড়ালে কোনো ক্ষতি হবে না, বরং স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়ে উঠবে,” যোগ করেন তিনি।
রিহ্যাবের এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ডেভেলপারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের জন্য রাজউকের কিছু কর্মকর্তা, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদদের মধ্যে যোগসাজশ রয়েছে।
রাজউক বলছে, এত বড় একটি খাত পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ ছাড়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তাই তাদের বিভিন্নভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু একটি সংস্থা প্রকাশ্যে এভাবে বলতে পারে না।
ঝুঁকির ব্যাপারে সতর্ক করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্সের প্রেসিডেন্ট আদিল মোহাম্মাদ খান টিবিএসকে বলেন, “ড্যাপ সংশোধনে আবাসন ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। তবে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা, অবকাঠামো ও বসতি বিবেচনায় ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সরকার ব্যবসায়ীদের প্রভাবে এমন উদ্যোগ নিচ্ছে যা অবকাঠামোর আরও বিস্তৃতি ঘটাবে।”
তিনি আরও বলেন, “সংশোধিত এফএআর অনুযায়ী উঁচু ভবনের সারি গড়ে উঠবে, এতে আলো-বাতাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে, যা পরিবেশের জন্য অনুকূল নয়। অনেক ভবনে আলো-বাতাসের ঘাটতি হবে, আকাশও দেখা যাবে না।”
এই নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, “বর্তমান এফএআরই শহরের জন্য যথেষ্ট। একসময় ধানমন্ডিতে ভবনের উচ্চতা ছিল ছয়তলা, পরে এফএআর পরিবর্তনের কারণে তা নয়তলা হয়েছে। এখন আরও বেশি উচ্চতার ভবন হবে, যা কাঠামোগত বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে।”
https://www.tbsnews.net/bangla/bangladesh/news-details-375201
বাংলাদেশে আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে মহাকাশভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংকের সেবা। এদিন রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনে’ অংশগ্রহণকারীরা ব্যবহার করতে পারবেন এ সেবা। সেখান থেকে স্টারলিংকের ইন্টারনেট ব্যবহার করে সম্মেলনের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এর আগে, গত ২৯ মার্চ স্টারলিংককে বিনিয়োগ নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। এর ফলে, প্রতিষ্ঠানটি ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। তবে, বাণিজ্যিকভাবে ইন্টারনেট সেবা চালু করতে হলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছ থেকে এনজিএসও লাইসেন্স নিতে হবে। ইতোমধ্যে লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, আমরা তাদের ৯০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছি। স্টারলিংকের প্রযুক্তি ইতিবাচকভাবে যাচাই করা হয়েছে।
মূলত, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্টারলিংকের প্রযুক্তি পরীক্ষা চালানো হয়। এরপর বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ভিডিও কলে মার্কিন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদ ইলন মাস্কের সঙ্গে স্টারলিংক প্রসঙ্গে আলোচনা করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এতে স্টারলিংকের পরিসেবা চালুর কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়। এরপর গত মাসেও ঢাকায় বেশ কয়েকবার পরীক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করছেন বাংলাদেশে তাদের পরীক্ষামূলক যাত্রার মাধ্যমে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। কারণ, স্পেসএক্সের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক ইতোমধ্যে বিশ্বের বহু দেশে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।
সে অনুযায়ী, এটি চালু হলে বাংলাদেশ প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হবে এবং কমবে শহর ও গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন সময়ে জরুরি যোগাযোগ স্থাপনেও স্টারলিংকের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করছেন তারা।
প্রসঙ্গত, চলতি বছর দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে ভুটানে স্টারলিংকের সেবা চালু হয়েছে। এবার বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে পরীক্ষামূলক সংযোগ।
আমানতের ৮৭ শতাংশ একটি পরিবারকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিছু ব্যাংকের বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ: গভর্নর
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি গুড গভর্নেন্স (সুশাসন) এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। পুরোটা হয়তো পারব না। সব ব্যাংকই যে বেঁচে যাবে, এমন নয়। কিছু কিছু ব্যাংকের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। কারণ কোনো কোনো ব্যাংকের আমানতের ৮৭ শতাংশ একটি পরিবারকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘অর্থনীতির পুনর্বিন্যাস বিষয়ে টাস্ক ফোর্সের সুপারিশ’ শীর্ষক দুই দিনের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে “ম্যাক্রো-ইকোনমিক পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স ইন দ্য ব্যাংকিং সেক্টর” সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।
গভর্নর বলেন, ‘এই মুহূর্তে নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ার চিন্তা করছি না। এর বদলে এমএফএস-কে আন্তঃলেনদেন যোগ্য কীভাবে করা যায়, সে চিন্তা করছি।’
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) টিকে থাকলেও ব্যাংকে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না- এমন নীতিমালা করা হচ্ছে মন্তব্য করে গভর্নর বলেন, ‘এফআইডি ব্যাংকখাতে কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। তারা চাইলে বিমা কোম্পানি টেক-কেয়ার করতে পারে, তবে ব্যাংক নয়।’ https://www.tbsnews.net/bangla/অর্থনীতি/news-details-315521
bangladesh bank
দেশে খেলাপি ঋণের মোট ঋণের ৩০ শতাংশ অতিক্রম করে যেতে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে দেশের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং খাতের ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
খেলাপি ঋণের বাড়বাড়ন্ত মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে বলে মুদ্রানীতির ঘোষণায় জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা জোরদার, ব্যাংকিং খাতের সুশাসন নিশ্চিত ও যথাযথভাবে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার ওপর জোর দিয়েছে। তারা মনে করছে, এর মধ্য দিয়ে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যেমন এক্সপেকটেড ক্রেডিট লস মেথডলজি; ২০২৭ সালের মধ্যে এটি চালু করা হবে। আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে এই পদ্ধতি চালু করা হবে। সে জন্য কী কী করতে হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, সে জন্য ব্যাংকের ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্ত, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ঋণ ব্যবস্থাপনা রীতি–সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণী—এসব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এই মডেলের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে ঋণের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে।
সেই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকের আইন বিভাগগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে যেসব ঋণ অর্থঋণ আদালত ও উচ্চ আদালতে ঝুলে আছে, সেগুলোর জট ছাড়াতে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা ও এই খাতের সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এসব ঝুলে থাকা বিষয়ের জট ছাড়াতে আইন বিভাগের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
দেশের ব্যাংকগুলোয় গত সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা, যা ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের প্রায় ১৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। তখন দেশের ব্যাংকগুলো থেকে বিতরণ করা ঋণের ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ ছিল খেলাপি।
ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবশ্য মনে করেন, প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হিসাব অবলোপন করা ও আদালতের আদেশে স্থগিত থাকা ঋণ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর ব্যাংক খাত সংস্কারে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩০ শতাংশে উঠে যেতে পারে বলে মুদ্রানীতির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। https://www.prothomalo.com/business/bank/auu9l3isn0
rin khelapi bangladesh bank
Factors such as increased raw material prices, energy expenses, higher taxes, and sluggish demand have contributed to the financial strain, impacting their bottom line in the October-December quarter of the current fiscal year, according to industry insiders
Leading companies in the rod and cement sectors have reported a decline in profits due to rising production costs.
Factors such as increased raw material prices, energy expenses, higher taxes, and sluggish demand have contributed to the financial strain, impacting their bottom line in the October-December quarter of the current fiscal year, according to industry insiders.
Although most of these companies experienced higher sales revenue – primarily driven by product price hikes in response to rising production costs – the increase was insufficient to boost profits due to weak demand in the construction sector, insiders added.
Among the top-listed steel manufacturers, BSRM Limited recorded an 8% increase in revenue during the second quarter of FY25. However, its net profit declined by 33% year-on-year.
Similarly, BSRM Steels, an associate firm of the leading steelmaker, saw an 18% jump in revenue, but its profit fell by 17%.
Another major player, GPH Ispat, reported a slight increase in revenue, yet experienced a 23% drop in profit when the cement sector faced significant challenges.
Crown Cement reported a revenue growth of around 13%, but its net profit plummeted by 50%. Meanwhile, Premier Cement experienced a sharp decline in both revenue and profit.
Meanwhile, investors observed a downward trend in these stocks, with share prices nearing their lowest levels in a year on the Dhaka Stock Exchange.
Market analysts attribute this decline to uncertainty in the construction sector, as government projects have slowed following the recent political transition.
Additionally, ongoing energy supply shortages and high debt costs have further strained the industry. As a result, investors are hesitant to hold these shares amid the current challenges, they added.
Steel manufacturers said despite raising product prices, the selling prices of steel rods remain insufficient to drive profit growth, leading to a shrinking profit margin.
According to them, government construction projects account for 70% of the country’s total steel demand, while individual consumers make up the remaining 30%. However, the slowdown in government projects has prevented steelmakers from achieving their targeted growth.
Additionally, challenges in opening letters of credit and an inadequate energy supply have further pressured the industry, driving up production costs even more.
A senior officer at Premier Cement told The Business Standard the company’s cement sales declined by 18%, while net profit plummeted by 89% year-on-year in the October-December quarter.
According to him, the drop in sales was driven by two key factors: the stalling of several major infrastructure projects and a leadership vacuum from the city corporation to the union level, which has disrupted various construction activities. As a result, instead of achieving growth, the cement business has faced a downturn.
Meanwhile, Crown Cement, in its financial statement, attributed its profit decline to higher depreciation and finance costs related to its newly installed production unit, as well as a high effective tax rate due to the minimum tax regulation.
The company further stated that it raised the price of cement per bag by 0.63%. Additionally, several strategic initiatives helped boost sales revenue despite the ongoing challenges in the country’s construction sector. https://www.tbsnews.net



