fstcap
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে প্যারামাউন্ট বিট্রাক এনার্জি লিমিটেডের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) মেয়াদ শেষ হয়েছে। বিপিডিবি এ চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে অসম্মতি জানিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্যারামাউন্ট বিট্রাকের উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পর্ষদ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, প্যারামাউন্ট বিট্রাক এনার্জির ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ডিজেলনির্ভর। এর ৪৯ শতাংশ মালিকানা রয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের।
২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। এর অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৬২ কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৭১ কোটি ২১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৫৩২। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৪ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৯৮ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ১৬ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬৭ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও গত ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৯ টাকা ৬০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৫ টাকা ৯৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
Source: bonikbarta
PTL power plant shut
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের প্রতিষ্ঠান রেনাটা পিএলসির ৩৫০ কোটি টাকা মূল্যের অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যুর সম্মতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর আগে বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে ৯০৩তম কমিশন সভায় এটির অনুমোদন দেয়া হয়।
বিএসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রেনাটার ৩৫০ কোটি টাকা মূল্যের রিডিমেবল, কিউমুলেটিভ, নন-কনভার্টিবল ও নন-পার্টিসিপেটিভ প্রেফারেন্স শেয়ারের মেয়াদ পাঁচ বছর। বার্ষিক লভ্যাংশের হার ৯-১০ শতাংশ। কোম্পানিটি প্রাইভেট অফারের মাধ্যমে এ শেয়ার ইস্যু করবে। এ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানি তার বিদ্যমান ঋণের আংশিক পরিশোধ করবে।
১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে আসা রেনাটা পিএলসির অনুমোদিত মূলধন ২৮৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৯১২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯১। এর মধ্যে ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২২ দশমিক ৪১ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৮ টাকা ৩০ পয়সা।
Source: bonikbarta
Renata Preference share approval
Sea Pearl Beach Resort risks being defaulter if regulator rejects ICB condition
Sea Pearl Beach Resort & Spa is at the risk of being labelled as defaulter if it fails to covert bonds worth Tk 1.2 billion into shares meeting the conditions put forth by the bondholder, state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB).
The failure would lead to the rescheduling of debt of Tk 1.2 billion while the remaining bonds worth Tk 2.05 billion have already been rescheduled. The Sea Pearl has not been paying installments against the bonds subscribed by the ICB since 2020.
To make the conversion deal happen, Sea Pearl has to get the approval of the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) for releasing shares against the bond amount with a lock-in period agreed by the ICB.
The BSEC earlier said the shares must not be sold within three years after the release, but the ICB says it would not accept shares if the lock-in period is more than two years — one year for 50 per cent of the shares and two years from the remaining half.
The BSEC had approved a proposal of converting 20 per cent of the bonds worth Tk 3.25 billion, solely subscribed by the ICB in 2017, into shares to reduce the debt burden of the Sea Pearl.
Having been informed of the ICB’s conditions, the Sea Pearl on Tuesday communicated the matter to the securities regulator.
“We hope the securities regulator will give its consent considering the interest of both the parties,” said Md. Azaharul Mamun, company secretary of the Sea Pearl.
ICB Managing Director Md. Abul Hossain said cost of funds would not be covered if their demands were not met.
“It’s the responsibility of the Sea Pearl to ensure the regulatory consent.
“Otherwise, the conversion deal will not be executed,” Mr. Hossain said.
Asked about the consequences of bond conversion deal scrapped, the ICB managing director said Tk 1.2 billion would be rescheduled and then the central bank would be informed of the non-payment, if any, of installments.
“Then the Sea Pearl will be labelled as a CIB [Credit Information Bureau] defaulter. This status will hamper the company’s business,” he said.
The Sea Pearl was declared a defaulter in 2022, and at the end of 2023 the High Court stayed the CIB report following a writ petition filed by the company.
The ICB’s managing director said the HC stay order would not remain effective for ever and that the investment bank would again inform the central bank of the non-payment of installments by the Sea Pearl if such a scenario emerged.
Source: thefinancialexpress
গত অর্থবছর শুরু থেকেই মন্দার মুখে পড়ে দেশের বিদ্যুৎ খাত। জ্বালানি সংকটে ঘোষণা দিয়ে শুরু করা হয় লোডশেডিং। প্রয়োজনীয় তেল-গ্যাস সরবরাহ করতে না পারায় বিভিন্ন কোম্পানির বিদ্যুৎ উৎপাদন লম্বা সময় বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে তেল আমদানি ও ঋণ পরিশোধ খরচও বেড়ে যায় বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর। ফলে মুনাফা অর্জনে বড় ধরনের ধাক্কা খায় কোম্পানিগুলো। এতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানির মুনাফা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।
২০২২-২৩ অর্থবছরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুনাফা কমেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল)। আগের অর্থবছরের তুলনায় কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে পাঁচ হাজার ২১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা কমেছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের। এ কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ৭৯৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। এছাড়া সামিট পাওয়ারের ৭৪ দশমিক ৫১ শতাংশ, বারাকা পাওয়ারের ৬৭ দশমিক ১১ শতাংশ, শাহজিবাজার পাওয়ারের ৬৪ দশমিক ৩০ শতাংশ, ডরিন পাওয়ারের ৬১ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ১৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ মুনাফা কমেছে। তবে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে কেবল জিবিবি পাওয়ারের মুনাফা সামান্য বেড়েছে, যার পরিমাণ ৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
কোম্পানিগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে, কেপিসিএল সর্বশেষ অর্থবছরে ৫০৫ কেটি ৯২ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে লোকসান গুনেছে ৬৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, কোম্পানিটি আগের অর্থবছরে (২০২১-২২) ২৪৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যবসার বিপরীতে মুনাফা করেছিল এক কোটি ৩০ লাখ টাকা। এতে এক বছরের ব্যবাধানে কেপিসিএলের মুনাফা কমেছে ৬৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বা পাঁচ হাজার ২১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। যদিও আগের বছরগুলোতে মুনাফায় ছিল কোম্পানিটি। সর্বশেষ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান গুনেছে এক টাকা ৬৭ পয়সা। লোকসান গুনলেও এ সময় বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে কেপিসিএল।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৮০০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে লোকসান দিয়েছে ৬৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। অথচ আগের অর্থবছর (২০২১-২২) ২০৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে লোকসান করেছিল সাত কোটি ৭১ লাখ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির লোকসান বেড়েছে ৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা বা ৭৯৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে দুই টাকা ৩৬ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৫১ পয়সা। লোকসান গুনলেও এই বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে।
বিদ্যুৎ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি মুনাফা কমেছে সামিট পাওয়ারের। ২০২২-২৩ অর্থবছর কোম্পানিটি পাঁচ হাজার ৫১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ১৭১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। তবে আগের অর্থবছরে পাঁচ হাজার ৩৪১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে মুনাফা করেছিল ৬৭৩ কোটি টাকা। এ হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ৫০১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বা ৭৪ দশমিক ৫১ শতাংশ। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়ায় দুই টাকা সাত পয়সা, যা আগের বছরে ছিল তিন টাকা ৮৭ পয়সা। এই বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে। যদিও আগে সামিট পাওয়ার আরও অধিক হারে লভ্যাংশ দিত।
২০২২-২৩ অর্থবছরে বারাকা পাওয়ার ২৩৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে মুনাফা করেছে ১৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। তবে এর আগের বছর ১৮১ কোটি ৩১ লাখ টাকার আয়ের বিপরীতে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৪৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এ হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বা ৬৭ দশমিক ১১ শতাংশ। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের অর্থবছর যা ছিল দুই টাকা ১৩ পয়সা। ২০২২-২৩ হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে।
এদিকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (এসপিসিএল) ৯৩৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ২৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। এর আগের বছরে ৭২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে মুনাফা ছিল ৭৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ৫১ কোটি ১৬ লাখ টাকা বা ৬৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল চার টাকা ১৪ পয়সা। এ বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করেছে।
২০২২-২৩ অর্থবছরে ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস এক হাজার ৮৪২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ৬৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা মুনাফা করে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এক হাজার ৫০২ কোটি ৪১ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ১৬৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা মুনাফা করেছিল ডরিন পাওয়ার। এ হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১০২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বা ৬১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। সর্বশেষ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ৫৬ পয়সা, আগের অর্থবছর যা ছিল ১০ টাকা ৩১ পয়সা। এ বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে।
ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আয় ছিল ২০২২-২৩ অর্থবছরে চার হাজার ১৩০ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এ সময় কোম্পানিটি ৮২৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। তবে আগের অর্থবছরে চার হাজার ৯৪৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা আয় ছিল ইউনাইটেড পাওয়ারের। ওই অর্থবছর মুনাফা ছিল এক হাজার ১৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এ হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১৯১ কোটি ২৯ লাখ বা ১৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। সর্বশেষ অর্থবছরে ইউনাইটেডের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮৩ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ১৭ টাকা ২১ পয়সা। এই বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ৮০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে।
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলো যখন মুনাফায় বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে তখন জিবিবি পাওয়ারের মুনাফা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছর কোম্পানিটির আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৮৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর বিপরীতে মুনাফা করেছে ১১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। যদিও আগের অর্থবছর ৬৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকা মুনাফা করেছিল জিবিবি। এ হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৮৯ লাখ টাকা বা আট দশমিক ৬৪ শতাংশ। সর্বশেষ হিসাব বছরে জিবিবির ইপিএস হয়েছে এক টাকা ১০ পয়সা, আগের বছর যা ছিল এক টাকা এক পয়সা। মুনাফা সামান্য বাড়লেও এ বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের মাত্র দুই শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করেছে।
Source: sharebiz
Power Sector crisis negative growth
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বর্তমানে চার ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। এগুলো হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক খাতের ঝুঁকি। বৈশ্বিক এই প্রতিষ্ঠান সে কারণে পূর্বাভাস দিয়েছে যে চলতি বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে। সংস্থাটির মতে, এ বছর প্রবৃদ্ধি কমে হতে পারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে সরকার চলতি অর্থবছর প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সাড়ে ৭ শতাংশ।
গতকাল মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে চ্যালেঞ্জ চারটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অর্থনীতিতে তিনটি ঝুঁকি বিরাজমান বলেও মনে করে সংস্থাটি। প্রথম ঝুঁকি হলো, মুদ্রা বিনিময় হার সংস্কার বিলম্ব হওয়ায় তা বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণকে দীর্ঘস্থায়ী করছে। দ্বিতীয়ত, জিনিসপত্রের বাড়তি দামের কারণে উচ্চ মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকা। আর তৃতীয় ঝুঁকি হলো সমন্বিত সংস্কার কর্মসূচি না নেওয়ায় তা আর্থিক খাতের চলমান ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ব্যাংক একীভূত করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন: বিশ্বব্যাংক

চার চ্যালেঞ্জ হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক খাতের ঝুঁকি।
সম্প্রতি দুটি ব্যাংক একীভূত করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা নিয়েও মন্তব্য করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, ব্যাংক একীভূত করার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা দরকার।
বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট বা বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ উপলক্ষে সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুল্লায়ে সেক। প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের অর্থনীতিবিদ রনজিত ঘোষ ও বার্নার্ড হ্যাভেন।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুল্লায়ে সেক বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা আছে। তবে কোনো সন্দেহ নেই—এ দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। কিন্তু মজুরি অনেকটা এক জায়গায় আটকে আছে। এতে অনেক নিম্ন আয়ের পরিবার চাপের মুখে আছে। এ ছাড়া আর্থিক খাতেও নানা ধরনের ঝুঁকি আছে।
প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, কোভিড-১৯ মহামারি থেকে প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতি, লেনদেনের ভারসাম্যে ঘাটতি, আর্থিক খাতের দুর্বলতার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে মহামারি–পরবর্তী পুনরুদ্ধার ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা আছে। তবে কোনো সন্দেহ নেই—এ দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। কিন্তু মজুরি অনেকটা এক জায়গায় আটকে আছে। এতে অনেক নিম্ন আয়ের পরিবার চাপের মুখে আছে। এ ছাড়া আর্থিক খাতেও নানা ধরনের ঝুঁকি আছে।
প্রবৃদ্ধি কমতে পারে
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হ্রাসের পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস চলতি অর্থবছরের বাজেটে উল্লেখ করা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশ কম। চলতি অর্থবছরে সরকার সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুসারে, এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়।
বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুসারে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। তার আগের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২১-২২ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ১ শতাংশ। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২১-২২ অর্থবছরের পর টানা দুই অর্থবছর ধরে দেশের প্রবৃদ্ধির হার কমে ৬ শতাংশের নিচে নেমে যাচ্ছে।
তবে নানা ধরনের সংস্কার প্রবৃদ্ধির আগের ধারা ফিরিয়ে আনতে পারে বলে বিশ্বব্যাংক মনে করে। এ জন্য যেসব সংস্কার করতে হবে, তা–ও বলেছে সংস্থাটি। যেমন মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা; মুদ্রা ও আর্থিক নীতি কঠোর করা; ব্যাংক খাত সংস্কারে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া।
প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, কোভিড-১৯ মহামারি থেকে প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতি, লেনদেনের ভারসাম্যে ঘাটতি, আর্থিক খাতের দুর্বলতার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে মহামারি–পরবর্তী পুনরুদ্ধার ব্যাহত হচ্ছে।
ব্যাংক একীভূত করা প্রসঙ্গে
সম্প্রতি ব্যাংক একীভূত করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। সম্পদের মান ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যাংক একীভূত করা উচিত বলে মনে করে সংস্থাটি।
বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে এই বক্তব্য এসেছে বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংক ও সমস্যা–কবলিত পদ্মা ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে গত মাসে উভয় পক্ষের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে। দুটি ব্যাংকের এই একীভূত করার প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে করা হচ্ছে বলে ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তরা মনে করেন। আর্থিক খাত সংস্কারের উদ্দেশ্যে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংক একীভূত করার পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করার পর এক্সিম ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।
ব্যাংক একীভূত করা সম্পর্কে বিশ্বব্যাংকের আবদুল্লায়ে সেক বলেন, ব্যাংক খাতে কোনো সংস্কার কার্যক্রম কীভাবে হবে—তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। যেমন ব্যাংক একীভূত করার ক্ষেত্রে সম্পদের মান সঠিকভাবে নির্ধারণ করা উচিত। ব্যাংক একীভূত ও অধিগ্রহণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বানানো উচিত। তিনি জানান, ব্যাংক খাতে সংস্কারে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছে বিশ্বব্যাংক।
ব্যাংক একীভূত করা প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, সমস্যায় পড়া ব্যাংক (ট্রাবলড ব্যাংক) নিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। ব্যাংকের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে একীভূত করার প্রক্রিয়ায় যাওয়া উচিত। একীভূত করা নিয়ে কী ধরনের আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা হয়, তা–ও দেখতে হবে। কারণ, ভালো ব্যাংক অতিরিক্ত দায় নেয় না।
বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস চলতি অর্থবছরের বাজেটে উল্লেখ করা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশ কম। চলতি অর্থবছরে সরকার সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুসারে, এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়।
আর্থিক খাতের ঝুঁকি
আর্থিক খাতের ঝুঁকি গভীর হচ্ছে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে মোট ঋণের ৮ দশমিক ২ শতাংশ খেলাপি ছিল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ শতাংশে। এটি ব্যাংক খাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। কারণ, খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। বারবার ঋণখেলাপিদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। দুর্বল তদারকি ব্যবস্থাও খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে করে সংস্থাটি। এ ছাড়া সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঋণের প্রবৃদ্ধিকে টেনে ধরছে বলে মন্তব্য করে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংক আরও মনে করছে, বাংলাদেশ এখনো লেনদেন ভারসাম্যের ঘাটতির মধ্যে রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি ছিল ৪৭০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল ৭৪০ কোটি ডলার। গত এক বছরে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি কমলেও রিজার্ভের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আবদুল্লায়ে সেক বলেন, উচ্চ সুদের হার বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত করছে। সুদের হার পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করার পক্ষে মত দেন তিনি। তাঁর মতে, ব্যাংক খাতের সংস্কারে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ায় সমস্যা কাটছে না।
আর্থিক খাতের ঝুঁকি গভীর হচ্ছে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে মোট ঋণের ৮ দশমিক ২ শতাংশ খেলাপি ছিল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ শতাংশে। এটি ব্যাংক খাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
চাপে আছে নিম্ন আয়ের মানুষ
দেশে বিরাজমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নিত্যপণ্যের শুল্ক কমানোর কথা বলেছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, এক বছর ধরেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে আছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষ চাপে আছে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়নে, তিন কারণে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি হচ্ছে। কারণগুলো হলো টাকার অবমূল্যায়ন, ডলার–সংকটে আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানিসংকট ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি।
এ বিষয়ে আবদুল্লায়ে সেক বলেন, কঠোর মুদ্রানীতির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করার নতুন কৌশলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ হতে পারে। তিনি আরও বলেন. রপ্তানি খাতে ভর্তুকি কমানো হলে আর্থিক খাতে কিছুটা স্বস্তি আসবে।
দেশে বিরাজমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নিত্যপণ্যের শুল্ক কমানোর কথা বলেছে সংস্থাটি।
কর ফাঁকি, করছাড়
বিশ্বব্যাংক বলেছে, সবচেয়ে কম কর-জিডিপি অনুপাত আছে এমন দেশগুলোর একটি হলো বাংলাদেশ। দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
রাজস্ব আহরণে মোটা দাগে তিনটি সমস্যা আছে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। এগুলো হলো কর আদায় যথাযথভাবে না হওয়া, কর ফাঁকি ও করছাড় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে করের সঙ্গে বিদ্যমান নানা ধরনের প্যারা-ট্যারিফ। কর আদায় বাড়াতে তিনটি সুপারিশ করেছে বিশ্বব্যাংক। সুপারিশগুলো হলো স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে প্যারা-ট্যারিফ কমিয়ে আনা; করছাড় যৌক্তিক করা; এবং কর প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি।
দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রতিবেদনে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ; পরের অর্থবছরে তা অনেকটা কমে ৬ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসবে বলে তারা মনে করছে।
Source: prothomalo
WB Bangladesh Economy
BRAC Bank PLC registered a 35 percent increase in profit to Tk 827.50 crore last year thanks to its focus on small and medium enterprises (SME) and technology-based customer services, which added over 3.60 lakh new customers.
The private commercial lender made a Tk 614.20-crore profit in 2022.
Following a board meeting yesterday, the bank, thus, reported consolidated earnings per share of Tk 4.73 in 2023.
It was Tk 3.75 in 2022.
The consolidated net operating cash flow per share surged to Tk 40.76 in 2023 from Tk 23.39 in the previous year.
Meanwhile, the consolidated net asset value per share rose to Tk 41.36 from the previous year’s Tk 38.03.
In the meeting, the board of directors recommended 10 percent cash and 10 percent stock dividends.
The board also approved the audited financial statements for 2023.
Talking to The Daily Star after the meeting, BRAC Bank Managing Director Selim RF Hussain said the biggest reason behind the profit growth was the growth in the bank’s balance sheet.
“Our customer deposits and customer loans have increased a lot. Our deposits grew by 34 percent while deposits in the overall banking sector grew by only 11 percent,” he said.
“Our loans have grown by 26 percent compared to the national average of 10-11 percent,” he added.
More than 3.60 lakh new customers joined BRAC Bank in 2023, he said. “As our highest focus is on the SME sector, the growth in the sector was the maximum last year,” said Hussain.
Another big reason behind the growth is the adoption of new app-based retail customer and corporate services, which received a tremendous response, he said.
Besides, the bank’s overall reputation and values, and the board’s good governance has put a big positive impact on the profit growth, Hussain said.
Source: thedailystar
The securities regulator has approved the application of Power Grid Company to issue 201.08 million ordinary shares and 7.64 billion irredeemable and non-cumulative preference shares in favour of the power division secretary.
The state-run electricity transmission and distribution service provider will issue the ordinary shares at Tk 20 each, with a Tk 10 premium, and preference shares at Tk 10 each.
Hence, the total value of the new ordinary shares will be Tk 4.02 billion whereas the paid-up capital will increase by Tk 2.01 billion. The value of preference shares will be Tk 76.41 billion.
The power division secretary will get the shares against funds of Tk 80.43 billion given to the state-run company for implementation of different projects since its inception in 2000.
In a 2020 gazette, the Financial Reporting Council directed state-run companies to convert share money deposits into paid-up capital against the backdrop of such funds piling up with them.
It also made it mandatory that share money deposit is incorporated into paid-up capital within six months after the money is deposited in a company’s bank account in order to prevent fund anomalies.
The directive was given because the government had been and still is deprived of dividends in return for its equity investment.
Share money deposit is the money paid in exchange for shares that have not been acquired yet.
Implications of additional shares
There will be no business expansion or no new investment but the number of shares will be increased, which will affect the existing shareholders.
This might affect the company’s dividend payout ability for general shareholders.
Although preference shares will not enhance the equity size, the huge number of shares may increase fixed payment liabilities for the company in future.
Remittance fell 1.23 percent year-on-year to $1.99 billion in March although inflows usually go up on the occasion of Eid, Bangladesh Bank data showed.
Industry insiders attribute the decline to the growing use of the hundi system since remitters get better rates of the US dollars if they transfer the funds through the illegal cross-border system instead of formal channels.
March’s receipts were also 7.71 percent lower than the previous month. In February, the remittance inflow stood at $2.16 billion.
Source: thedailystar
Stocks failed to sustain the revival spirit as rising interest rates and approval of a big amount of zero coupon bonds turned investor sentiment against the market.
Substantial price erosion of large-cap stocks dragged the Dhaka Stock Exchange (DSE) down by 68.32 points to 5,761, the lowest in three years since May 2021.
The maximum lending rate jumped to 13.55 per cent for April as SMART (six-months moving average rate of Treasury bills) rose to 10.55 per cent from 9.61 per cent the month before.
With the interest rate soaring, the central bank reduced the lending margin for banks to 3 per cent from 3.50 per cent on Sunday. Yet, the maximum lending rate has gone higher for the current month.
Generally, the market tends to weaken when interest rates rise and funds are diverted to the money market from the capital market.
The market pulse shifted to correction mode after a short-lived optimism as investor confidence waned, said market experts.
Renata, Beximco Pharma, Beacon Pharma, BAT Bangladesh, and BRAC Bank contributed largely to Monday’s market plunge. They jointly accounted for one-third of the day’s index decline.
The index lost 575 points or 9 per cent since the withdrawal of floor price on January 18. The overall market lost Tk 1.10 trillion in asset value during the time.
Rising interest rate is one of the major factors behind the downturn of the country’s stock market,
said Md Sajedul Islam, managing director of Shyamol Equity Management.
Moreover, the Sunday’s regulatory approval of a large amount of zero coupon bonds to be issued by Beximco and pre-Eid sale pressure exerted a downward pressure on the index, he said.
Beximco will issue bonds to collect Tk 15 billion at a time when the stock market has been suffering from a liquidity shortage.
“Right now, the market hardly has the capacity to absorb bonds of such a big amount,” said a merchant banker, requesting anonymity.
Amid the tightening of the money market, the issuance of the bonds will worsen the liquidity condition of the stock market.
On the other hand, the rising interest rate of Treasury bills and bonds is driving up the cost of deposit for banks. Now, banks have to offer higher rates to attract savers.
“The growing deposit rates in the banking sector and the higher return from Treasury bonds are making savers to move funds to the money market from the stock market,” said Mr Islam.
Earlier, Sreepur Township project, the same project where Beximco will invest its bond money, raised Tk 10 billion through bonds, with IFIC Bank serving as its guarantor.
In 2021, Beximco floated Shariah-compliant sukuk bonds worth Tk 30 billion for five years to finance its two solar power plants and textile division’s green expansion.
Banks invested a huge amount of their funds into Beximco sukuk, instead of stocks after the central bank relaxed rules for the lenders to buy private sector-issued green sukuk.
Beximco turned out to be the ultimate beneficiary of the scheme as most banks subscribed to its Green Sukuk Al Istisna’a, thanks to the liberty extended by the Bangladesh Bank to the lenders.
On Monday, two other indices also ended lower. The DSE 30 index, comprising blue chips, slumped nearly 14 points to finish at 2,007 and the DSE Shariah index (DSES) shed 15 points to 1,251.
Turnover, a crucial indicator of the market, was Tk 4.69 billion on Monday, up from Tk 4.67 billion the day before.
More than 79 per cent traded shares saw price decline, as out of 397 issues traded, 315 declined, 47 advanced, and 35 remained unchanged on the DSE trading floor.
Panicked investors sold off major sector stocks, with the non-bank financial institutions experiencing the highest loss of 2.35 per cent, followed by pharmaceutical, telecom, food, engineering, banking and power sectors.
Low-performing stocks dominated the turnover chart with Shinepukur Ceramic becoming the most-traded stock, with shares worth Tk 325 million changing hands, followed by Central Pharmaceuticals, Fu-Wang Ceramic, Asiatic Laboratories, and Malek Spinning Mills.
Mercantile Insurance was the day’s top gainer, posting a 4.98 per cent rise while Emerald Oil Industries was the worst loser, losing 9.82 per cent.
The Chittagong Stock Exchange returned to the losing streak with its All Shares Price Index (CASPI) shedding 117 points to 16,511 and the Selective Categories Index (CSCX) losing 72 points to 9,926.
Source: thefinancialexpress




