June 18, 2026 12:48 am
June 18, 2026 12:48 am
Home Banking দেশের অর্থনীতির সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় রয়েছে

দেশের অর্থনীতির সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় রয়েছে

by fstcap

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ ও বণিক বার্তার যৌথভাবে আয়োজিত ‘ফার্স্ট ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ঢাকা’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ কয়েকজন সাবেক গভর্নর উপস্থিত ছিলেন ছবি: নিজস্ব আলোকচিত্রী
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। কৃষি খাতের উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘শিল্প খাতের উৎপাদন এখন ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও আছে সঠিক পথে। অর্থনীতিতে এখন একমাত্র সমস্যা মূল্যস্ফীতি। তবে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে না পারাটাও একটি ইস্যু।’

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে গতকাল ফার্স্ট ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন। ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে উন্নয়নের পথ অনুসন্ধান’ শীর্ষক এ সম্মেলন যৌথভাবে আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ ও বণিক বার্তা। দুদিনব্যাপী এ সম্মেলনের প্রথম দিনের দ্বিতীয় প্লেনারিতে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। দুপুরে ‘ফিসক্যাল অ্যান্ড মনিটরি পলিসি ইন দ্য ইভলভিং ইকোনমিক অর্ডার’ শীর্ষক এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও ফজলে কবির, সাবেক অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক ও মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী।

গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘সরকারের বিনিয়োগ তেমন একটা কমেনি। সামাজিক খাতের বিনিয়োগ বিশেষ করে সুরক্ষা নীতিগুলোর পরিধি বেড়েছে। সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষকে সুরক্ষা দিতেই এটি করা হয়েছে। এ মুহূর্তে দেশের রাজস্ব ঘাটতি অত বেশি নয়। জিডিপির তুলনায় আমাদের রাজস্ব ঘাটতি এখনো দক্ষিণ এশিয়ার সর্বনিম্নদের একটি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করেছে। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারকে কোনো ধরনের ঋণ দেয়া হচ্ছে না।’

আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘বর্তমানে রেফারেন্স রেট অনুসারে ব্যাংকের সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে। শিগগিরই এটি আরো বেশি বাজারভিত্তিক করা হবে। বর্তমান সুদহার নির্ধারণের পদ্ধতিটি একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দিলে সুদহার নির্ধারণে ব্যাংকের স্বাধীনতা থাকবে। চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এটি নির্ধারণ করতে পারবে।’

বি‌নিময় হারের বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘এক্ষেত্রে কিছুটা প্রতিকূলতা আছে। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে আমরা ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছি। পরবর্তী সময়ে এটিও বাজারভি‌ত্তিক করে দেয়া হবে। মুদ্রানী‌তি প্রণয়ন কমিটিতে আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তারা থাকলেও এখন আমরা বাইরের বিশেষজ্ঞদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের স্বার্থে আমাদের আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হয়েছে। নিরুৎসাহিত করা হয়েছে কম গুরুত্বপূর্ণ ও বিলাসপণ্য আমদানিতে। পাঁচ মাস ধরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এ সময়ে প্রতি মাসে গড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। চার মাস ধরে সরকারের চলতি হিসাব ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তবে পুরো বছরের চিত্রটি এমন ছিল না। দেশের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট এখনো নেতিবাচক।’ 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও রিজার্ভ ক্ষয়—এ দুটি চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে বলে জানান গভর্নর। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আমরা অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছি। এক্ষেত্রে শুধু চাহিদা কমাচ্ছি না, বরং জোগান বাড়ানোর লক্ষ্যেও কাজ করছি। কৃষি ও এসএমইতে ঋণের জোগান বাড়ানো হয়েছে। রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রেও বেশকিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘আমাদের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে। আমরা দেখছি, আদায়কৃত রাজস্বের মধ্যে প্রত্যক্ষ কর এক-তৃতীয়াংশ। বাকি দুই-তৃতীয়াংশই পরোক্ষ কর। এর অর্থ হলো—ধনীদের তুলনায় গরিবদের বেশি কর দিতে হচ্ছে।’

ভর্তু‌কির বিপরীতে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বাজারে অর্থের সরবরাহ বাড়ার বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘বিশেষ বন্ড থেকে ১ লাখ কোটি টাকা তৈরি হয়েছে বলে একজন আলোচক উল্লেখ করেছেন। কিন্তু টাকা তৈরির বিষয়টি এতটা দ্রুততার সঙ্গে হয় না। বন্ডের মাধ্যমে অর্থের সরবরাহ বাড়ার জন্য কয়েক বছর সময় লাগে।’

সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় কমে গেছে। ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাত যাতে ঋণ পায় সেটি বাংলাদেশ ব্যাংককে দেখতে হবে। মূল্যস্ফীতি অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে সবকিছুতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে প্রবৃদ্ধি যাতে কমে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বিষয়ে বলা যায় দেশের আর্থিক হিসাব তো ঋণাত্মক। এর মানে হচ্ছে দেশে বাইরে থেকে অর্থের প্রবাহ আসছে না। আসবে কীভাবে? যদিও না আপনি বিনিয়োগকে আরো আকর্ষণীয় করেন। পুঁজিবাজারের যে অবস্থা তাতেও এফডিআই আসছে না। বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমিয়ে আনার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে হবে। অর্থনীতিতে ঝুঁকি তো থাকবেই। কিন্তু অনিশ্চয়তা যাতে তৈরি না হয়।’

মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয় সাধন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন সাবেক গভর্নর ফজলে কবির। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কভিডের সময় যেসব প্রণোদনা দেয়া হয়েছিল, সেক্ষেত্রে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয় করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। এরপর গুরুত্ব দিতে হবে প্রবৃদ্ধিকে। মূল্যস্ফীতির হারকে সাড়ে ৯ থেকে ৭ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে হবে। এটি দরিদ্রদের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলছে। এজন্য আরো বেশকিছু সময় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল রাখতে হবে। তবে শুধু মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। এজন্য আরো বেশকিছু ফ্যাক্টর রয়েছে। সেগুলোকেও কাজে লাগাতে হবে।’ 

প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক বলেন, ‘শক্তিশালী বেসরকারি খাত ও ব্যবসায়িক গ্রুপ ব্যতীত কোনো দেশই উন্নত হতে পারবে না। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রবৃদ্ধির জন্য তাদেরকে আমাদের প্রয়োজন। তবে এক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে। সেটি হচ্ছে যদি এসব ব্যক্তি নীতিনির্ধারক হয়ে যান তাহলে সবকিছুই নিচের দিকে যাবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি গ্রুপ সবকিছুকেই প্রভাবিত করছে, এমনকি রাজনীতিবিদদেরও। ফলে নীতিনির্ধারকরা যদি নীতি প্রণয়নের বিষয়টি নিজেদের হাতে না নিতে পারেন তাহলে আমি মনে করি আমাদের পক্ষে বিদ্যমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। স্থানীয় ও বৈশ্বিকভাবে টাকার মূল্যমান বজায় রাখা, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও ব্যাংক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল কাজের মধ্যে পড়ে। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক এটি ভালোভাবে করতে পারছে কিনা? প্রবৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই যে এটি প্রয়োজন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে সবসময়ই কি এটি প্রয়োজনীয়? প্রবৃদ্ধি যদি বাংলাদেশের বর্তমান মূল্যস্ফীতিকে প্রভাবিত করে তাহলেও কি এটি প্রয়োজনীয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগ এ বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে পারে।’

অর্থ বিভাগের সাবেক সচিব ও সাবেক মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী প্যানেল আলোচনায় বলেন, ‘সরকারের ব্যয়ের ক্ষেত্রে বরাদ্দগত কিছু বড় ইস্যু রয়েছে। আমাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে রাজস্ব আয়ের উদ্বৃত্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর মানে হচ্ছে আমাদের রাজস্ব উদ্বৃত্ত না থাকলে উন্নয়ন ব্যয়ের শতভাগই ঋণের মাধ্যমে করতে হবে। সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি থাকা সত্ত্বেও সার ও বিদ্যুতের ভর্তুকির বিপরীতে ২০ হাজার কোটি টাকার ট্রেজারি বন্ড ইস্যু করা হয়েছে। এতে সরকারের তহবিল থেকে নগদ অর্থ না গেলেও আর্থিক ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে এর মাধ্যমে বাজারে ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি অর্থের সরবরাহ বাড়বে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়লেও ভাতার পরিমাণ বাড়েনি। অন্যদিকে সরকারের পরিচালন ব্যয়ে সামাজিক অবকাঠামোর অবদান কমছে। ভৌত অবকাঠামোতে আমাদের বিনিয়োগের প্রবণতা বেশি। আমি বলছি না যে এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করার প্রয়োজন নেই। তবে আমাদেরকে অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রশাসন ও টিডিএম অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহমান খান, বাজেট ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, ঋণ ব্যবস্থাপনা অধিশাখার অতিরিক্ত সচিব হাসান খালেদ ফয়সাল, সামষ্টিক অর্থনীতি-১ শাখার উপসচিব ড. মো. রাশেদুর রহমান সরদার, সামষ্টিক অর্থনীতি-৩ শাখার উপসচিব তৌহিদ ইলাহী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের পিএফএম রিফর্মস লিডারশিপ, কো-অর্ডিনেশন অ্যান্ড মনিটরিং স্কিমের প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর (উপসচিব) মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান, বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. শেখ মনিরুজ্জামান, এনসিসি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ সেলিম, সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ইসলামী ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এমডি সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এমডি আবুল কাশেম মো. শিরিন, ঢাকা ব্যাংকের এমডি এমরানুল হক, ওয়ান ব্যাংকের এমডি মো. মনজুর মফিজ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি জাফর আলম, মধুমতি ব্যাংকের এমডি মো. সফিউল আজম, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের এমডি হাবিবুর রহমান, সিটিজেনস ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ মাসুম, ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক এমডি ফারুক মঈনউদ্দীন, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক এমডি মো. আরফান আলী ও এনসিসি ব্যাংকের সাবেক এমডি মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, প্রাইম ব্যাংকের ডিএমডি নাজিম এ চৌধুরী, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি সাব্বির আহমেদ, লংকাবাংলা ক্যাপিটাল মার্কেটস অপারেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) খন্দকার সাফাত রেজাসহ আর্থিক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন। 

source: https://bonikbarta.net/home/news_description/382638/দেশের-অর্থনীতির-সূচকগুলো-ইতিবাচক-ধারায়-রয়েছে

 

bangladesh economic condition

You may also like