সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমক্যাশ লিমিটেডে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগকারী অন্তর্ভুক্ত করার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত সরে এসেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ জানিয়েছে, যথাযথ যাচাই-বাছাই বা ডিউ ডিলিজেন্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে না। আজ রবিবার (১৫ মার্চ) দেশের দুই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ইসলামী ব্যাংকের ৩৯৬তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় বিস্তারিত পর্যালোচনার পর এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) সেবা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বি১০০ হোল্ডিংস এলএলসি-কে কৌশলগত ইক্যুইটি বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত করার বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখা হবে। গত ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত এই সভায় পর্ষদ সদস্যরা বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপর জোর দেন।
এর আগে গত ৯ মার্চ ডিএসইর মাধ্যমে ব্যাংকটি জানিয়েছিল, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কার্যক্রমের পরিধি বাড়াতে তারা এমক্যাশে বিদেশি বিনিয়োগকারী যুক্ত করতে যাচ্ছে। তবে নতুন সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় ডিউ ডিলিজেন্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগের সেই ঘোষণাটি কার্যকর থাকবে না। মূলত বিনিয়োগের স্বচ্ছতা ও সঠিক মূল্যায়নের লক্ষ্যেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১ হাজার ৬০৯ কোটি ৯৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮টি। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ব্যাংকটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে মাত্র ০.১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৭৫.০৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৭.৯১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অবশিষ্ট শেয়ার রয়েছে।
https://sharenews24.com/article/116539/index.html
Islamibank


