- National Board of Revenue (NBR) Chairman Md Abdur Rahman Khan has said strict monitoring to curb tax evasion will begin with the tobacco sector.
- There are plans to introduce counting machines, counting cameras, QR codes and advanced revenue stamps at the production stage, he told a pre-budget dialogue on Saturday, reports bdnews24.com.
BSEC
পুঁজিবাজারের মাধ্যমে এসএমই-এর প্রবৃদ্ধি জোরদার করতে ডিএসই ও সুইসকন্ট্যাক্ট একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ঢাকা, ১৭ মে, ২০২৬ (বিএসএস) — বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলোকে (এসএমই) পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব স্থাপনের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।
উভয় সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ডিএসই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুঝাত আনোয়ার এবং সুইসকনট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন সমঝোতা স্মারকটিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নুঝাত আনোয়ার বলেন, দুটি সংস্থার মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় ও সতর্ক পরিকল্পনার মাধ্যমে উদ্যোগটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অংশীদারিত্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন এবং বিধিগত পরিপালন শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে এসএমই খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে, যা পুঁজিবাজারে এসএমই-এর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) উল্লেখ করে হেলাল হোসেন বলেন, তারা অর্থায়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং নিয়মকানুন প্রতিপালনের ক্ষেত্রে ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
তিনি বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ এবং ইক্যুইটি-ভিত্তিক মূলধনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, ডিএসই-এর সাথে এই সহযোগিতা সম্ভাবনাময় এসএমইগুলোকে পুঁজিবাজারে প্রবেশ করতে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, সংস্থা দুটি প্রধানত তৈরি পোশাক, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি খাতের ওপর মনোযোগ দেবে।
তারা পরিবেশগত, সামাজিক ও শাসনতান্ত্রিক (ইএসজি) মানদণ্ড, টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য সহায়তা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত উদ্যোগগুলোতেও যৌথভাবে কাজ করবে।
এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে, আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করার জন্য ডিএসই এবং সুইসকন্ট্যাক্ট সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি, সচেতনতামূলক কর্মশালা, ইনকিউবেশন সহায়তা এবং পরামর্শমূলক পরিষেবার আয়োজন করবে।
এই অংশীদারিত্ব গ্রিন বন্ড, সাসটেইনেবিলিটি-লিঙ্কড বন্ড, সুকুক এবং মিশ্র-অর্থায়ন মডেলসহ উদ্ভাবনী টেকসই বিনিয়োগ উপকরণগুলোর উন্নয়নে আরও সহায়তা করবে।
এই উদ্যোগটি আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজার ইকোসিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা ও স্থায়িত্বকে সমর্থন করে বাংলাদেশের আর্থিক অবকাঠামোকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
https://www-bssnews-net.translate.goog/business/387898?_x_tr_sl=en&_x_tr_tl=bn&_x_tr_hl=bn&_x_tr_pto=sge
- Bangladesh and Pakistan on Saturday reaffirmed their commitment to deepening bilateral engagement and expanding cooperation across key sectors, as senior ministers from the two countries held talks in the capital, with a focus on regional connectivity and people-to-people contacts.
- The discussion took place when State Minister for Foreign Affairs Shama Obaed Islam met visiting Pakistan’s Minister for Interior and Narcotics Control Syed Mohsin Raza Naqvi at a city hotel, according to a Foreign Ministry press release.
https://thefinancialexpress.com.bd/national/bangladesh-pakistan-vow-stronger-bilateral-cooperation-ties
শেয়ারবাজারে এখন ভালোর চেয়ে মন্দ ব্যাংকের সংখ্যাই বেশি। গতকাল রোববার এক দিনেই ১০টি ব্যাংক নতুন করে দুর্বল মানের জেড শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় পুরো ব্যাংক খাত নিয়ে বিনিয়োগকারীরা আস্থার সংকটে পড়েছেন। গত বছর শেষে শেয়ারধারীদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এসব ব্যাংককে জেড শ্রেণিভুক্ত করা হয়। তাতে এ খাতের তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর অর্ধেকের বেশি দুর্বল ব্যাংক হিসেবে শ্রেণিভুক্ত হয়ে গেল। ফলে এসব ব্যাংকের শেয়ারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সার্বিক বাজারে।
শেয়ারবাজারের নিয়ম অনুযায়ী, পরপর দুই বছর তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ না দিলে সেসব কোম্পানিকে দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে জেড শ্রেণিভুক্ত করা হয়। আর জেড শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার যাতে বিনিয়োগকারীরা কিনতে আগ্রহী না হন, সে জন্য এসব শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এসব শেয়ারের লেনদেন নিষ্পত্তিতে ভালো ও মাঝারি মানের কোম্পানির চেয়ে এক দিন বেশি সময় লাগে। শেয়ারবাজারে সেই নিয়মের ফাঁদে পড়েছে নতুন করে আরও ১০টি ব্যাংক। এগুলো হলো এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক বা ইউসিবি, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ও এনআরবিসি ব্যাংক। আগে থেকেই শেয়ারবাজারে দুর্বল মানের ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, সাউথবাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স বা এসবিএসি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক। আগের সেই ৫টি ব্যাংকের সঙ্গে নতুন করে আরও ১০টি ব্যাংক যুক্ত হয়ে এখন শেয়ারবাজারে দুর্বল মানের ব্যাংকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫টিতে।
বাংলাদেশে পুঁজিবাজারের তদারকি, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সিকিউরিটিজ বাজারের উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে বিলটি পাস হয়।
বিলটি আজকে পাস না করে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছিলো সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বিন্তু কণ্ঠ ভোটে সেটি নাকচ হয়ে যায়।
এছাড়া পুঁজি বাজারের দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইইডিআরএ) শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা তুলে দিতে জাতীয় সংসদে দুটি সংশোধনী বিল পাস হয়েছে।
https://www.dailyamardesh.com/national/amduiyarm6yo9
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১০টি ব্যাংকের শেয়ারের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিগুলোকে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগারি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ‘জেড’ ক্যাটাগরি হলো পুঁজিবাজারের লেনদেনের মধ্যে সর্বনিম্ন ক্যাটাগরি, যা সাধারণত দুর্বল ও জাঙ্ক স্টক হিসেবে পরিচিত।
রোববার (৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে এই ১০টি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেনের জন্য ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে পাঠানো হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি, এনআরবি ব্যাংক পিএলসি, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসি।
https://bonikbarta.com/economy/AnrJw6Tja42uS5XY
পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ দেশের মোট স্থায়ী মূলধনের মাত্র ৬ শতাংশ
২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের পুঁজিবাজারের ইস্যুকৃত মূলধনের পরিমাণ ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছে এখন পর্যন্ত ১ লাখ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে।
দেশের গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশন বা মোট স্থায়ী মূলধনের সঙ্গে তুলনা করলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় মাত্র ৬ শতাংশে।
দেশের পুঁজিবাজারের যাত্রা সাত দশক আগে, ১৯৫৬ সালে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আনুষ্ঠানিক লেনদেন চালু হয়। সেই হিসেবেও পুঁজিবাজারের যাত্রা পাঁচ দশকের। অথচ পুঁজির জোগানের দিক থেকে এখনো তলানিতে রয়ে গেছে পুঁজিবাজার। অর্থনীতির আকার বিবেচনায় নিলে দেখা যায় যে বিশ্বের আর কোথাও পুঁজিবাজার থেকে এত কম অর্থায়ন হয়নি। তার ওপর গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে নতুন কোনো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের পুঁজিবাজারে ইস্যুকৃত মোট মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। গতকালের দর অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৪১ কোটি বা ৮ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশের গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশনের (জিএফসিএফ) আকার ছিল ১৩৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে গত পাঁচ দশকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট স্থায়ী মূলধনের ৬ শতাংশে।
জিএফসিএফ বা মোট স্থায়ী মূলধন গঠন হলো জাতীয় পরিসরে নিট বিনিয়োগের ধারণা, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে অ-আর্থিক সম্পদে ব্যয় পরিমাপ করে। মোটা দাগে কোনো দেশে উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যেসব সম্পদ (অবকাঠামো, ভবন ও যন্ত্রপাতি) নতুন করে তৈরি বা কেনা হয়, তার মোট মূল্যই হলো গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশন। এর হিসাবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগের (অবকাঠামো, মেগা প্রকল্প) পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বিদেশী বিনিয়োগকেও (এফডিআই) আমলে নেয়া হয়।
সারা বিশ্বে শিল্পায়নে মূলধনের জোগান আসে পুঁজিবাজার থেকে। যদিও বাংলাদেশে এ মূলধনের প্রধান উৎস ব্যাংক খাত। এক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের অবদান যৎসামান্য। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ব্যাংক ঋণের ৪৩ শতাংশ বা ৭ লাখ ৬৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে শিল্প খাতে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা মেয়াদি ঋণ এবং ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা চলতি মূলধন। দেখা যাচ্ছে শিল্প খাতে পুঁজিবাজারের তুলনায় ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে সাত গুণেরও বেশি অর্থ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা, যার প্রায় ৩১ শতাংশই শিল্প খাতে। স্বল্পমেয়াদি আমানতের অর্থ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করার কারণে ব্যাংকগুলোকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এক্ষেত্রে পুঁজিবাজার থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হলে সেটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর তহবিল সংগ্রহ ব্যয়কেও অনেকাংশে কমিয়ে দিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ইকুইটি বা কোম্পানিনির্ভর হলেও বৈশ্বিক চিত্র এর বিপরীত। বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর পুঁজিবাজার বেশ বৈচিত্র্যময়। সেখানে কোম্পানির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বন্ড, ডেরিভেটিভস, কমোডিটি ও অবকাঠামো প্রকল্পের অর্থায়নও পুঁজিবাজারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশে সিকিউরিটাইজেশনের মাধ্যমে অবকাঠামো প্রকল্পের অর্থায়ন পুঁজিবাজারের মাধ্যমে সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও সেটি কখনো আলোর মুখ দেখেনি। তবে সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে বাজেট আলোচনায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সিকিউরিটাইজেশনের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়নের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যানুসারে, আইপিওর মাধ্যমে সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নয়টি কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে ৮৪১ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। এ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিক থেকে এখন পর্যন্ত আইপিওর মাধ্যমে নতুন কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়নি। দেশের পুঁজিবাজারে এত দীর্ঘ সময় ধরে আইপিও না আসার নজির আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ২০২২ সালের শুরুতেই দেশের পুঁজিবাজারে মন্দা ভাব দেখা যায়, যা বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। পুঁজিবাজারের এ নিম্নমুখিতার কারণে উদ্যোক্তারা কোম্পানিকে আইপিওতে আনতে আগ্রহ দেখান না। নিম্নমুখী বাজারে শেয়ারের প্রত্যাশিত দাম পাওয়া নিয়ে তাদের সংশয় থাকে। তাছাড়া বিগত সময়ে দেশের পুঁজিবাজারে যেভাবে অনিয়ম ও কারসাজির ঘটনা ঘটেছে তাতে অনেক ভালো কোম্পানি আগ্রহ হারিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার (সাবেক) ক্ষমতা নিলে অনেকে প্রত্যাশা করেছিলেন যে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে। যদিও সে প্রত্যাশার বাস্তবায়ন হয়নি। তার ওপর সে সময়ের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে কোনো বিনিয়োগে যাননি উদ্যোক্তারা
https://bonikbarta.com/economy/AnrJw6Tja42uS5XY
Telecom, steel seek tax cuts as tobacco firms split over govt revenue policy ahead of budget
- The Association of Mobile Telecom Operators of Bangladesh (AMTOB) has proposed abolishing the 20% supplementary duty on mobile talk-time and data, along with other tax cuts, saying the current structure is restricting growth and digital inclusion.
- The proposals were placed at a pre-budget meeting with the National Board of Revenue (NBR) in Agargaon, Dhaka, yesterday (27 April).
- AMTOB said operators currently pay about 56% of gross revenue in taxes, VAT and other charges, compared to a global average of 22% and 26% in Asia-Pacific countries.
https://www.tbsnews.net/economy/telecom-steel-seek-tax-cuts-tobacco-firms-split-over-govt-revenue-policy-ahead-budget
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ও কমিশনার/সদস্য পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা তুলে দিতে জাতীয় সংসদে আজ দুটি পৃথক বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
বিল দুটি পাস হলে এই সংস্থা বিএসইসি ও আইডিআরএ-তে যে কোনো বয়সের ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। খবর- বাসসের
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে পৃথকভাবে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ এবং ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিল দুটি জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়, যা আগামীকাল বুধবার এর মধ্যে পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেবে।
বর্তমান আইনে, কোনো ব্যক্তির বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হলে তাকে বিএসইসি-এর চেয়ারম্যান বা কমিশনার হিসেবে নিয়োগের অযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয় বা তিনি পদে বহাল থাকতে পারেন না। উত্থাপিত বিলে এই বিধানটি বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আইডিআরএ আইনে বলা আছে, ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হলে কোনো ব্যক্তি বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বা সদস্য হতে পারেন না। সংসদে উত্থাপিত বিলটিতে এই বিধানও বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে।
দুটি বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিজ্ঞ, দক্ষ ও জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে আইনগুলোকে সময়োপযোগী করা প্রয়োজন।
- The securities regulator has taken punitive action against three audit firms and their three partners over serious irregularities in the auditing of Ring Shine Textiles Limited.
- The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has imposed a three-year ban on the audit firms Ata Khan & Co., Mahfel Huq & Co., and Shiraz Khan Basak & Co.
- In addition, a five-year ban has been imposed on Maqbul Ahmed, partner of Ata Khan & Co.; Md. Abdus Sattar, partner of Mahfel Huq & Co.; and Ramendra Nath Basak, partner of Shiraz Khan Basak & Co. The regulator found that the audited financial statements did not present a true and fair view of the company’s financial position.
https://today.thefinancialexpress.com.bd/stock-corporate/bsec-bans-3-firms-over-ring-shine-audits-1777305281


