ইরানে যুদ্ধকে ঘিরে বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তায় প্রভাব রয়েছে শেয়ারবাজারে। এর প্রভাব পড়ছে লেনদেনে। গতকাল সোমবার শুরুতে ঢাকার শেয়ারবাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও শেষে ছিল বিপরীত চিত্র। এর মধ্যে ব্যাংক ও বীমা খাতের শেয়ারের দর কমেছে। মিশ্রধারা ছিল উৎপাদন ও সেবা খাতে।
দিন শেষের তথ্য অনুযায়ী ডিএসইতে ১৯৬ কোম্পানির শেয়ারের দর হারিয়েছে। এর বিপরীতে ১১৪টির দর বেড়েছে। অপরিবর্তিত ছিল ৪২টির দর। এতে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট হারিয়ে ৫২৩২ পয়েন্টে নেমেছে।
লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় আড়াই শতাধিক কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বাড়ে। দর হারায় ৫০টির মতো। প্রথম ১০ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৫২৬৭ পয়েন্ট ছাড়ায়। মাঝে অধিকাংশ শেয়ার দর হারানোয় সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে ৪৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৫২২৩ পয়েন্ট পর্যন্ত নেমেছিল।
বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও কারও মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের একটা প্রভাব শেয়ার বাজারে রয়েছে। সর্বশেষ দেশে জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধিও প্রভাব ফেলতে পারে। কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান হবে বা ফের যুদ্ধ শুরু হবে। এছাড়া দেশের অর্থনীতি বর্তমানে চাপে রয়েছে। সরকার আর্থিক সংকটে রয়েছে। এসবের প্রভাব বাজারে রয়েছে।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল অধিকাংশ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। সিমেন্ট এবং টেলিযোগাযোগ খাতের দশ কোম্পানির মধ্যে ৯টিই দর হারিয়েছে। অন্য সব খাতে ছিল মিশ্রধারা। গতকাল ডিএসইতে সোয়া আটশ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা রোববারের তুলনায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা বেশি। যদিও ব্যাংক, বীমা এবং প্রকৌশল খাতের লেনদেন কমেছে সাড়ে ৬১ কোটি টাকার।


