- Speakers at a programme on Saturday urged the government to introduce a predictable five-year tax structure and long-term policy reforms for the telecom sector to encourage investment and accelerate digital transformation.
- The call came at a roundtable titled “Future of the Telecom Sector: What the Government is Thinking”, organised by the Telecom and Technology Reporters Network Bangladesh at InterContinental Dhaka.
- Prime Minister’s Adviser Rehan Asif Asad said the government was working on a long-term and predictable reform of the telecom tax structure for the next five years in response to demands from operators and investors.
- https://today.thefinancialexpress.com.bd/trade-market/telecom-sector-seeks-5-yr-tax-regime-to-spur-investment-1778949174
DSE
- After reporting its lowest annual profit, British American Tobacco (BAT) Bangladesh posted a 34 per cent year-on-year decline in profit to BDT 2.10 billion in the first quarter this year, owing to lower sales and higher finance costs.
- The multinational tobacco manufacturer’s earnings per share (EPS) fell sharply to BDT 3.88 in the January-March quarter from BDT 5.89 in the same quarter last year, according to a regulatory filing on Thursday.
- The company said both sales volume and revenue declined significantly during the quarter, while higher borrowing costs and an increased tax burden weighed on bottom-line growth.
https://today.thefinancialexpress.com.bd/public/stock-corporate/bats-profit-falls-34pc-in-q1-due-to-weak-sales-1778774911#google_vignette
ঋণের চাপ মোকাবিলা ও উচ্চ সুদের ব্যাংকঋণ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৫০ কোটি টাকার কুপনধারী বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে টেকনো ড্রাগস। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
কোম্পানির প্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি এই বন্ডের ২৫ শতাংশ হবে রিডিমেবল এবং ৭৫ শতাংশ কনভার্টিবল। প্রস্তাবিত বন্ড ইস্যুর জন্য আগামী ২৪ জুন অনুষ্ঠেয় বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদনও লাগবে।
বন্ডটির ইস্যু ম্যানেজার ও অ্যারেঞ্জার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেডকে।
কোম্পানির সংশ্লেষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উচ্চ সুদের ব্যাংকঋণ আরও কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যেই এই বন্ড ইস্যুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে এমন সময় কোম্পানিটি নতুন অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নিল, যখন ওয়ান ব্যাংক পিএলসি প্রায় ১৫০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আদায়ে কোম্পানি ও এর পরিচালকদের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে মামলা করেছে। ইতোমধ্যে আদালত সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে গণবিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে।
এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে বরাবরের মতো জানানো হয়েছে, ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের আশাবাদ রয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল টেকনো ড্রাগস। নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আইপিওর অর্থের মধ্যে ৩১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা নরসিংদী ও গাজীপুর কারখানায় যন্ত্রপাতি ক্রয় ও নির্মাণকাজে ব্যয় করা হয়। এছাড়া ৩০ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে শুধু ওয়ান ব্যাংক পিএলসিকেই পরিশোধ করা হয় ২৫ কোটি টাকা। বাকি অর্থ লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স এবং আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হয়।
তবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোম্পানিটির আর্থিক পরিস্থিতি আরও দুর্বল হয়েছে। জুলাই-মার্চ সময়ে কোম্পানিটির বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ শতাংশ কমে ২৩২ কোটিতে নেমে এসেছে। একই সময়ে নিট মুনাফা ১৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকায়।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের মার্চ শেষে কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৪ শতাংশ বেশি।
https://sharenews24.com/article/119195/index.html
Technodrugs
- Reaffirming the United Nations’ continued partnership with Bangladesh, the UN Resident Coordinator in Bangladesh Carol Flore-Smereczniak on Wednesday assured all possible support and cooperation from UN agencies for the country’s development and progress.
- She made the comments when she paid a courtesy call on Chief of Army Staff General Waker-Uz-Zaman at the Army Headquarters, according to Bangladesh Army’s verified Facebook page.
- The meeting marked Carol Flore-Smereczniak’s first official interaction with the Army chief after assuming her appointment on 23 March 2026.
https://thefinancialexpress.com.bd/national/un-assures-continued-support-for-bangladeshs-development#google_vignette
- The market regulator has imposed fines on the chairman, directors, and senior officials of Fortune Shoes for failing to pay declared dividends and listing fees.
- The decision was taken at a meeting of the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) on Wednesday, chaired by its Chairman Khondoker Rashed Maqsood.Bangladesh travel guide
- According to a BSEC statement, Fortune Shoes declared a 10 per cent cash dividend and a 5 per cent stock dividend for FY22. Out of BDT 162.5 million in declared cash dividends, BDT 39.8 million remains unpaid to shareholders, raising serious concerns over investor protection.
https://today.thefinancialexpress.com.bd/stock-corporate/bsec-cracks-down-on-fortune-shoes-over-unpaid-dividends-fees-1778689804#google_vignette
দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী জুলাই থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ বা অবসায়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
গতকাল মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
বন্ধ বা অবসায়নের তালিকায় থাকা পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো—এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে।
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানগুলো খেলাপি ঋণের অর্থ আদায় করতে পারছে না। ফলে আমানতকারীদের অর্থও ফেরত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক এ অনুমোদন দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, ব্যাংক রেজুলেশন আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ধ বা অবসায়ন করা হবে।
অবসায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালককে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া আরও দুজন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, অবসায়ন বা বন্ধের সিদ্ধান্ত হওয়া পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এ জন্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে আগামী বাজেটে এ অর্থ বরাদ্দ রাখার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরই প্রতিষ্ঠানগুলোর অবসায়ন প্রক্রিয়া শুরু করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ব্যাংক রেজুলেশন আইনে আর্থিক সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে একীভূত, পুনর্গঠন বা বন্ধ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিক্রি করে পাওনাদারদের অর্থ কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তাও আইনে নির্ধারণ করা হয়েছে।
উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কেন ২০টি এনবিএফআই বন্ধ করা হবে না—এ মর্মে গত বছরের মে মাসে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনা সন্তোষজনক না হওয়ায় সেগুলো বন্ধ বা অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ফাস্ট ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।
তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেখান থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে ছয়টি বন্ধ বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বিআইএফসিকে বাদ দেওয়া হয়। এবার প্রিমিয়ার লিজিংকেও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর শেষে এফএএস ফাইন্যান্সের খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৯৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, আভিভা ফাইন্যান্সের ৯৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৯৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণেই এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (পরে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদার চারটি এনবিএফআই—পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
https://jagobangla.com/economy/17808
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি সায়হাম টেক্সটাইল তাদের স্পিনিং ইউনিটের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ জুন ২০২৬ থেকে ইউনিটটির উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সাইহাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের দুটি ইউনিটের মধ্যে একটি স্পিনিং ইউনিট ১৯৯৩ সালে স্থাপিত হয় এবং অপরটি মেলাঞ্জ ইউনিট, যা ২০১৩ সালে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে।
গত কয়েক বছরে পুরোনো যন্ত্রপাতির কারণে স্পিনিং ইউনিটে নিম্নমানের সুতা উৎপাদন, উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাস এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক চাপে পড়ে। বিশেষ করে ১৯৯৩ সালে স্থাপিত পুরোনো মেশিনারির কারণে ইউনিটটির কার্যকারিতা কমে যায় বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
এ পরিস্থিতিতে গত ১০ মে ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় স্পিনিং ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ ও ইউনিটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিএমআরই (Balancing, Modernization, Rehabilitation and Expansion) কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুবিধার্থে ইউনিটটির সব যন্ত্রপাতি দ্রুত বিক্রিরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি।
কোম্পানির ঘোষণা অনুযায়ী, কারখানা ভবনের পুনর্নির্মাণ, নতুন আধুনিক স্বয়ংক্রিয় স্পিন্ডল মেশিন স্থাপন, কমিশনিং ও পরীক্ষামূলক উৎপাদন সম্পন্ন করতে প্রায় ১৮ মাস সময় লাগতে পারে। এ সময় পুরো স্পিনিং ইউনিট বন্ধ থাকবে।
তবে বিএমআরই সম্পন্ন হওয়ার পর বর্তমানের তুলনায় উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আশা করছে কোম্পানিটি। একইসঙ্গে বিক্রি ও মুনাফাও বাড়বে বলে জানিয়েছে সাইহাম টেক্সটাইল।
https://sharenews24.com/article/118950/index.html
Saihamtex
রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি যুদ্ধসহ নানা বৈশ্বিক কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি কয়েক বছর ধরে চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে উৎপাদন ও সেবা-সংশ্লিষ্ট খাতের কোম্পানির লাভ-ক্ষতির খতিয়ানে।
চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত উৎপাদন ও সেবা-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর অন্তত তিন-চতুর্থাংশ বা ৭৫ শতাংশ হয় লোকসান করেছে, নয়তো মুনাফা কমেছে, অথবা বন্ধ ও রুগ্ণ অবস্থায় পড়ে আছে বলে আর্থিক হিসাব প্রকাশই বন্ধ রেখেছে।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন ও সেবা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের তালিকাভুক্ত দেশীয় কোম্পানি ২৩১টি। এসব কোম্পানির আর্থিক হিসাব বছর জুলাই মাসের শুরু হয়ে শেষ হয় জুনে। গত ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিক শেষে এ ধরনের কোম্পানিগুলোর প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১১৩ কোম্পানি কম-বেশি মুনাফা করার বিপরীতে ৫৪টি লোকসান করেছে বলে জানিয়েছে। তবে মুনাফায় থাকা ১১৩ কোম্পানির মধ্যে ৫৭টির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে।
এর বাইরে ৬৪ কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদনই প্রকাশ করেনি। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ না করা কোম্পানিগুলোর অধিকাংশ গত অন্তত এক বছর থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না। এর বড় কারণ কোম্পানিগুলোর ব্যবসা কার্যক্রম হয় পুরোপুরি বন্ধ বা অত্যন্ত রুগ্ণ অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। এসব কোম্পানির বেশির ভাগই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়েছিল।
আর্থিক প্রতিবেদন এবং কোম্পানিগুলোর প্রদান করা তথ্যানুযায়ী, চলতি হিসাব বছরে লোকসান করার পেছনে প্রধানত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি, ডলার সংকট, ঋণের উচ্চ সুদহার এবং কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির মতো কারণগুলো উৎপাদনমুখী কোম্পানির ব্যাখ্যায় লোকসানের মূল নেপথ্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
বেশ কিছু কোম্পানি জানিয়েছে, ডলার সংকটের কারণে তারা সময়মতো কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি খুলতে পারেনি। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাজার থেকে বেশি দামে কাঁচামাল কিনতে হয়েছে। দেশবন্ধু পলিমার জানিয়েছে, কাঁচামালের অভাবের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটে পর্যাপ্ত উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেনি।
মেঘনা সিমেন্ট কোম্পানিও জানিয়েছে, কাঁচামাল আমদানিতে বাধার কারণে কোম্পানিটি তার পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারেনি এবং আয়ের জন্য প্রধানত কনভার্সন ইনকামের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বাড়ার ফলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ।
হেইডেলবার্গ সিমেন্ট জানিয়েছে, কাঁচামালের দাম বাড়লেও বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারায় মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস এর ব্যাখ্যায় বলেছে, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া লোকসানের বড় কারণ। ব্যাংক ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় কোম্পানিগুলোর আর্থিক ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে, যা নিট মুনাফাকে নেতিবাচক করে তুলেছে। এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন এবং বসুন্ধরা পেপার মিলসও।
উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রি কমেছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ। মুন্নু সিরামিকস জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ঈদ ও নির্বাচনের ছুটির কারণে কর্মদিবস কমে যাওয়ায় তাদের রাজস্ব ও মুনাফা কমেছে। এদিকে কারখানা বন্ধ থাকা কয়েকটি কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে মিথুন নিটিং বলেছে, কারখানা বন্ধ থাকায় কোম্পানিটির কোনো আয় হয়নি।
ভালো করেছে কিছু কোম্পানি
সার্বিক এমন নেতিবাচক চিত্রের বিপরীতে কিছু কোম্পানি ভালো মুনাফা করারও তথ্য দিয়েছে। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে অন্তত ৩০ কোম্পানির ইপিএস অর্জিত হয়েছে পাঁচ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৪ টাকা।
বারাকা পাওয়ার কোম্পানিটির ৯ মাসের ইপিএস ২৯ পয়সা থেকে বেড়ে ৮৭ পয়সা হয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই মুনাফা বেড়েছে। সহযোগী কোম্পানি তালিকাভুক্ত বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার কোম্পানিটির ইপিএস ৭৪ পয়সা থেকে বেড়ে দুই টাকা ৮৬ পয়সা হয়েছে। কারণ হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়জনিত লোকসান কমা এবং গত বছরের তুলনায় আর্থিক ব্যয় কমে যাওয়াকে উল্লেখ করেছে।
জ্বালানি খাতের কোম্পানি সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ইপিএস দুই টাকা ৩৫ পয়সা থেকে বেড়ে পাঁচ টাকা ০৮ পয়সা হয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, বিক্রি বৃদ্ধি এবং কাঁচামালের দাম কমে যাওয়ায় তাদের মুনাফা বেড়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ সঞ্চালনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি গত বছরের লোকসান কাটিয়ে ৯ মাসে বড় মুনাফা করেছে। তাদের ৯ মাসের ইপিএস ৩৪ পয়সা থেকে ছয় টাকা ২৪ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।
প্রকৌশল খাতের আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লোকসান কাটিয়ে ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি চার টাকা ইপিএস দেখিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তাদের ‘নন-অপারেটিং’ আয় অনেক বেশি হওয়ায় মুনাফায় এই পরিবর্তন এসেছে।
কোম্পানিগুলোর নিট মুনাফার অঙ্কের দিকে তাকালে দেখা যায়, স্কয়ার ফার্মা সর্বোচ্চ দুই হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে। স্টিল খাতের বিএসআরএম লিমিটেড এবং বিএসআরএম স্টিল যথাক্রমে ৪৬৪ কোটি ও ৪৩২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। বিদ্যুৎ খাতের পাওয়ার গ্রিড ৫৭০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে ব্যর্থ যারা
নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও অনেক কোম্পানি তাদের তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেনি। এই তালিকায় রয়েছে জিপিএইচ ইস্পাতের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া টেক্সটাইল খাতের আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ফ্যামিলি টেক্স, জেনারেশন নেক্সট এবং ওষুধ খাতের বেক্সিমকো ফার্মা, কেয়া কসমেটিকস ও মারিকো বাংলাদেশ তাদের আর্থিক তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি।
https://samakal.com/economics/article/351448/লোকসানে-৫৪টি-কোম্পানি-মুনাফা-কমেছে-৫৭টির
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান বলেছেন, সব প্রস্তুতি শেষ করে চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ডেরিভেটিভস লেনদেন (পণ্যভিত্তিক আগাম লেনদেন) চালু করা সম্ভব হবে।
আজ রোববার সিএসই ও পুঁজিবাজার–বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত ‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জ: বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে এ কথা জানান হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ফারজানা লালারুখ।
রাজধানীর বিজয়নগরে অবস্থিত সিএমজেএফ কার্যালয়ে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। সিএমজেএফ সভাপতি মনির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার।
অনুষ্ঠানে সিএসই চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান জানান, নতুন এই সেগমেন্ট (ডেরিভেটিভস) চালু করতে সিএসই ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কার্যক্রমটি পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু করতে আরও কিছু বিনিয়োগ করতে হবে। মূলত ২০২৩ সাল থেকেই প্রস্তুতি চলছে। যদিও লক্ষ্য ছিল গত বছরের মধ্যে এটি চালু করার, কিন্তু কিছু কারণে তা সম্ভব হয়নি। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ সম্পর্কে এখনো অনেকেরই ধারণা পরিষ্কার নয়। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ মানে এখানে সাধারণ পণ্য কেনাবেচা হবে না। এখানে মূলত নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুমোদিত নির্দিষ্ট পণ্যের ‘ফিউচার কন্ট্রাক্ট’ লেনদেন হবে। কন্ট্রাক্টের মেয়াদ শেষে সেটেলমেন্ট বা নিষ্পত্তির দুটি পদ্ধতি রয়েছে। এক. ক্যাশ সেটেলমেন্ট। এতে নির্ধারিত হারে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে কন্ট্রাক্টটি শেষ হবে। দুই. স্পট বা ফিজিক্যাল সেটেলমেন্ট; যেখানে সরাসরি পণ্য সরবরাহ বা ডেলিভারি দেওয়া হয়। সাধারণত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ সরাসরি পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়; বাকিগুলো অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে।
সিএসই চেয়ারম্যান আরও জানান, শুরুতে জটিলতা এড়াতে ক্যাশ সেটেলমেন্ট পদ্ধতিতেই থাকবে সিএসই। ফিজিক্যাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে ওয়ারহাউস (গুদামজাতকরণ) এবং পণ্যের আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার মতো বড় বিনিয়োগ ও প্রস্তুতির বিষয় থাকে, যা সিএসই তাদের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনায় রেখেছে। তবে বর্তমান প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এমনভাবে নেওয়া হয়েছে, যাতে খুব সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমেই ভবিষ্যতে ফিজিক্যাল ডেলিভারি সুবিধা যুক্ত করা যায়।
অনুষ্ঠানে বিএসইসি কমিশনার ফারজানা লালারুখ বলেন, ‘ডেরিভেটিভস বাজারকে এগিয়ে নিতে কমিশন কাজ করছে। যেহেতু এটি একটি নতুন ধারণা, তাই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শেষ করতে সময় লাগছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি ও সমস্যাগুলো বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সিএসইর প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে দ্রুত কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা হবে। আমাদের পুঁজিবাজারের তিনটি প্রধান পিলারের মধ্যে ইকুইটি মার্কেট এক জায়গায় আটকে গেছে। দুই বছর ধরে আইপিও আসছে না। বন্ড মার্কেট কিছুটা আশার আলো দেখালেও আমরা এখন তৃতীয় পিলার হিসেবে কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেটকে শক্তিশালী করতে চাই।’
সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, সিএসইর প্রস্তুতি অনুযায়ী কমোডিটি এক্সচেঞ্জ এখন থেকে দেড়-দুই বছর আগে চালু করা সম্ভব ছিল। এটি বাংলাদেশে ২০২৩ সালে শুরুর কথা থাকলেও যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে সেটি করা সম্ভব হয়নি। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বা ডেরিভেটিভস নতুন কিছু নয়। এটি বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাজারের পরিচিত পণ্য। তবে যেহেতু বাংলাদেশে এটি নতুন ধারণা, তাই অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে। এ জন্য দেরি হচ্ছে।
https://www.prothomalo.com/business/market/fh59d6t566
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের একজন উদ্যোক্তা পরিচালক তাঁর হাতে থাকা শেয়ারের বড় অংশ স্ত্রীকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) দেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শেয়ার উপহার দেওয়া শ্রী রায়ান হামিদ কোম্পানিটির একজন উদ্যোক্তা পরিচালক। শ্রী রায়ান হামিদ তাঁর হাতে থাকা কোম্পানির মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার শ্রীমতী আনিকা তাহসিন ওয়ালীদকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন।
বিডি থাই ফুডের উদ্যোক্তা পরিচালকের ৪ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার স্ত্রীকে উপহার
BDthaifood


