Stock Market
ইত্তেফাক রিপোর্ট
https://epaper.ittefaq.com.bd/edition/773/first-edition/page/13#
শেয়ার বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নয়নে ব্যাংক ও অংশীজনদের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার বিএসইসিতে অনুষ্ঠিত দুটি আলাদা বৈঠকে শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজার ও ফান্ড ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিনিয়োগ বাড়ানোর এ আহ্বান জানানো হয়। বিএসইসি এই বৈঠকের আয়োজন করে।
বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে ব্র্যাক ব্যাংকের সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন, শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান, ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছায়েদুর রহমান, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান, সিটি ব্যাংকের এএমডি ও সিএফও মো মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সবাইকে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ব জুড়ে বন্ড মার্কেট দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জোগানে গুরুত্বপূর্ণ উত্স হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং বাংলাদেশের বাজারেও এর জন্য রয়েছে অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা। বৈঠকে বন্ড ইস্যুর প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান নানা সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এই প্রক্রিয়ার সহজীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। বন্ড মার্কেট জনপ্রিয় না হওয়ার পেছনের কারণ এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে সভায় সবাই মতামত দেন।
আলোচকরা বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে শক্তিশালী বন্ডের বাজার প্রতিষ্ঠার জন্য সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বন্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে হবে। এছাড়া বৃহত্ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে সচেতন ও আগ্রহী করতে কাজ করতে হবে।
বিএসইসি জানিয়েছে, দেশের বন্ড বাজারের উন্নয়নে সরকার সহায়ক ভূমিকায় রয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অ্যাসেট ম্যানেজার এবং ফান্ড ম্যানেজারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান ফান্ড ম্যানেজার ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষা করে এবং সুষ্ঠু প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন। তিনি মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতকে জনপ্রিয় করতে ও আরো ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে নিজেদের সর্বাত্মক চেষ্টা ও সহযোগিতা থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
TBS Report
21 April, 2022, 08:50 pm
Last modified: 21 April, 2022, 09:10 pm
https://www.tbsnews.net/economy/stocks/first-capital-securities-adopt-fintech-technology-407486
The brokerage company has made an agreement with Eco Soft Bd Ltd that will provide the technology.
First Capital Securities Ltd is going to adopt fintech technology to make the share transaction easier for the customers. The brokerage company has made an agreement with Eco Soft Bd Ltd that will provide the technology. Under the agreement, the technology company will provide Order Management System (OMS) services to First Capital Securities customers to facilitate their use of automated trading platforms for transactions. As a result, clients of the brokerage firm, as well as its officials, will be able to trade shares of both the stock exchanges directly on the same platform through the app.
First Capital Securities officials believe that this OMS software with many benefits, including online order, offline order, advance order placement, and stop-loss, will be able to fulfil the long aspirations of the investors. They also said that technical chatting facilities and the company’s financial information will enable investors to make the right investment decisions. The app allows users to trade shares directly on both stock exchanges on web browsers on mobile or computer. Besides, dealers or traders will be able to manage the trades of their customers through dealer terminals.
First Capital Securities Ltd, a member of the Dhaka Stock Exchange and Chittagong Stock Exchange, has been providing brokerage services in the stock market since 1995.
https://www.sharenews24.com/article/66376/index.html
বিদায়ী সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের ১৩টি কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন’২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে ইপিএসের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এই ১৩ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে প্রাইম ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, আইসিবি ইসলামি ব্যাংক, গ্রামীণফোন, আরএকে সিরামিক, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, লাফার্জহোলসিম, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড।
প্রাইম ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ০১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬৭ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৯ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৫৬ পয়সা।
সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬৫ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ০৪ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৭০ পয়সা।
ট্রাস্ট ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯৪ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৫৭ পয়সা।
প্রগতি ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ০২ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ৭৪ পয়সা।
আইসিবি ইসলামী ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৫ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৩৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০২ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৯১ পয়সা দায়।
গ্রামীনফোন: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৮৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৮২ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৪ টাকা ৬২পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ টাকা ৮২ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৩৪ পয়সা।
আরএকে সিরামিক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৪ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ০১ পয়সা।
ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬৫ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩০ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৯২ পয়সা।
পদ্মা ইসলামী লাইফ: চলতি বছরে প্রথম ৩ মাসে কোম্পানিটি ৩ কোটি ১৭ লাখ ১৪ হাজার ৫৭৯ টাকার প্রিমিয়াম আহরণ করেছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাইনাস ২৩৯ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময় লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ১৭ লাখ ৭ হাজার টাকা।
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং: প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানির লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৭৬ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। গত ৩০ জুন ২০২৩ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে মাইনাস ১৬৪ টাকা ৩৯ পয়সা।
লাফার্জহোলসিম: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৬ পয়সা। প্রথম দুই প্রান্তিক বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৭ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১৭ টাকা ৭ পয়সা।
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স: ছয় মাসে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯২৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫৫০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে কোম্পানিটির তহবিল বেড়েছে ৩ হাজার ৭৯ কোটি ৪ লাখ টাকার।
সিঙ্গার বাংলাদেশ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৭২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪০ পয়সা। দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৮৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৩১ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮৩ পয়সা।
শেয়ারনিউজ, ২১ জুলাই ২০২৩
নুরুজ্জামান তানিম || রাইজিংবিডি.কম
প্রকাশিত: ২২:০৪, ২৩ জুলাই ২০২৩ আপডেট: ২২:০৭, ২৩ জুলাই ২০২৩
https://www.risingbd.com/economics/news/513272
পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের দুইটি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় বৃদ্ধির আবেদন নাকচ করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সেই সঙ্গে কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে দেরি হওয়ার কারণ জানাতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
সম্প্রতি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে সময় বৃদ্ধির আবেদন নাকচ করার বিষয়টি উল্লেখ করে ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তথ্য মতে, ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড দুইটি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সময় বৃদ্ধিতে গত ২৮ মে বিএসইসির কাছে আবেদন জানায়। কোম্পানিটি ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সময় চেয়েছিল।
গত ২৮ মে কোম্পানির আবেদনের বিষয়টি উল্লেখ করে বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিশন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া হিসাব বছর এবং ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত শেষ হওয়া প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে সময় বাড়াতে কোম্পানির আবেদন বিবেচনা করতে অপারগতা প্রকাশ করছে। সেই সঙ্গে কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি হওয়ার কারণ অবিলম্বে প্রচার করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হলো। কারণ বিষয়টি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে বিবেচিত।
উল্লেখ্য, ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড গত ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী লোকসান করেছে। হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে (১.৫১) টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ০.০৯ টাকা। অন্যদিকে, হিসাব বছরের নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে (১.৫০ টাকা)। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৬৫ টাকা। আর ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬.০৪ টাকা।
এদিকে, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ গত ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনও লভ্যাংশ দেয়নি। সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির বড় লোকসান হয়েছে। সেসময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২.১১ টাকা। তার আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.২১ টাকা।
২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল (৮.২৬)। আর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৭.৫৪ টাকা।
ঢাকা/এনএইচ
শেয়ারবাজারে ভয়াবহ জালিয়াতি
ভুয়া বিও অ্যাকাউন্টে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
৭০ লাখ ৫০ শেয়ার আত্মসাৎ * তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি
মনির হোসেন
২৩ জুলাই ২০২৩, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ
https://www.jugantor.com/todays-paper/last-page/698914/
দেশের শেয়ারবাজারে জাল কাগজ দিয়ে ভুয়া বিও অ্যাকাউন্ট খুলে মাস্টার ফিড অ্যাগ্রোটেক নামে একটি এসএমই কোম্পানির মৃত পরিচালকের শেয়ার বিক্রি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভয়াবহ এ জালিয়াতির ঘটনায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেছে ফার্স্ট ক্যাপিটাল নামে একটি ব্রোকারেজ হাউজ।
কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ১৮ জুলাই ফার্স্ট ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউসার আল মামুন এ ব্যাপারে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছেন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল করিম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, ফার্স্ট ক্যাপিটালের অভিযোগ আমরা খতিয়ে দেখছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা পেলে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফার্স্ট ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউসার আল মামুন স্বাক্ষরিত বিএসইসিতে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মাস্টার ফিড অ্যাগ্রোটেকের পরিচালক ছিলেন রফিকুল আলম। সম্প্রতি তিনি মারা যান। তার নামে বরাদ্দ ৭০ লাখ ৫০ শেয়ার আত্মসাৎ করছে একটি চক্র।
এই শেয়ারের বর্তমান বাজারমূল্য ৯ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে চলতি বছরের ৫ মার্চ উম্মে হাবিবা ইয়াসমিন নামে একজন নারী পাসপোর্ট এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের চেক দিয়ে ফার্স্ট ক্যাপিটালে বিও অ্যাকাউন্ট খোলেন। দুই মাস পর ওই অ্যাকাউন্টে মাস্টার ফিড অ্যাগ্রোটেকের ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৫০০টি শেয়ার জমা হয়। এরপর ৪ এপ্রিল থেকে ২৩ মের মধ্যে ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৭০৮টি শেয়ার বিক্রি করে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা নিয়ে যায়।
পরপর বড় অঙ্কের টাকা তুলে নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব করা হয়। এক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, তা উম্মে হাবিবার নয়। তিনি নিজেকে উম্মে হাবিবার বোন ইভা আকতার বলে দাবি করেন। উম্মে হাবিবা নিজেকে মৃত পরিচালক রফিকুল ইসলামের স্ত্রী দাবি করেন।
কিন্তু বিও অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে পাসপোর্ট নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে তার স্বামীর নাম মো. মোকাদ্দেস হোসাইন। দুজনের ঠিকানায়ও মিল নেই। এছাড়াও অ্যাকাউন্টের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া হয়েছে মাস্টার ফিডের বর্তমান কোম্পানি সেক্রেটারি আবুল বাসারকে।
এক্ষেত্রে গ্রাহক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ও নমিনিকেও চেনেন না। এমনকি উম্মে হাবিবা তার শ্বশুরের নামও বলতে পারেননি বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ডকুমেন্টের ক্ষেত্রেও জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
এ অবস্থায় মাস্টার ফিডের কোম্পানি সেক্রেটারি আবুল বাসার ব্রোকারেজ হাউজে ফোন করে জানান, গ্রাহক উম্মে হাবিবা অসুস্থ। তাকে ছাড়াই পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমেই লেনদেন নিষ্পত্তি করতে হবে। এতে ব্রোকারেজ হাউজ রাজি না হওয়ায় ১৬ জুলাই মাস্টার ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কবির হোসেন ৪/৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে সশরীরে গিয়ে লেনদেন নিষ্পত্তি করতে বলেন।
সে সময়ে বোরকা পরা অবস্থায় শুধু চোখ খোলা একজনকে উম্মে হাবিবা হিসাবে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অ্যাকাউন্টের ডকুমেন্ট চাইলে তারা গ্রহণযোগ্য কোনো তথ্য দিতে পারেননি। ফার্স্ট ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউসার আল মামুন যুগান্তরকে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উম্মে হাবিবার নামে বিও অ্যাকাউন্টে যে মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে, সেখানে যুগান্তরের পক্ষ থেকে বারবার কল করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে মাস্টার ফিডের কোম্পানি সেক্রেটারি আবুল বাসার যুগান্তরকে বলেন, এখানে কোনো কাগজপত্র জালিয়াতি করা হয়নি। সব বৈধ কাগজের মাধ্যমেই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। তিনি বলেন, রফিকুল আলম আমাদের কোম্পানি পরিচালক ছিলেন। গত বছর তিনি মারা যান। তার মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে নমিনি হিসাবে দিয়েছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রীর নামের ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে তিনি (হাবিবা) টাকা নিতে চেয়েছেন।
পাসপোর্ট এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ডে উম্মে হাবিবার স্বামীর নাম দুই রকম থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, উম্মে হাবিবার আগে একটি বিয়ে হয়েছিল। পাসপোর্টে সেই স্বামীর নাম রয়েছে। পরে তিনি রফিকুল আলমকে বিয়ে করেন। সেই সময় এনআইডি কার্ডে স্বামীর নাম পরিবর্তন করা হয়। তবে ব্রোকারেজ হাউজকে তিনি কোনো ধরনের হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন।
https://www.sharenews24.com/article/66483/index.html
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ২১ কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য পরিচালনা বোর্ড সভার তারিখ জানিয়েছে। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিগুলো হলো- সোনার বাংলা ইন্সুরেন্স, রূপালী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, বার্জার পেইন্টস, ব্যাংক এশিয়া, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, মাইডাস ফাইন্যাান্সিং, প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স, বিডি ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ন্যাশনাল হাউজিং, আইএফআইসি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, ইউনিয়ন ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স লিমিটেড, সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স, এনসিসি ব্যাংক এবং ইসলামি কমার্সিয়াল ইন্সুরেন্স।
কোম্পানিগুলোর মধ্যে সোনার বাংলা ইন্সুরেন্সের বোর্ড সভা আগামী ২৬ জুলাই বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে, রূপালী ব্যাংকের আগামী ৩১ জুলাই বিকেল ৩টায়, এক্সিম ব্যাংকের আগামী ২৭ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের আগামী ৩০ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে, বার্জার পেইন্টসের আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৫টায়, ব্যাংক এশিয়ার আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৩টায়, আইপিডিসি ফাইন্যান্সের আগামী ৩১ জুলাই বিকেল ৩টায়, মাইডাস ফাইন্যাান্সিংয়ের আগামী ৩০ জুলাই বিকেলে ৩টায়।
প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্সের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৪টায়, বিডি ফাইন্যান্সের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টায়, প্রিমিয়ার ব্যাংকের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৩টায়, ন্যাশনাল হাউজিংয়ের আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৪টায়, আইএফআইসি ব্যাংকের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৫টায়, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্সের আগামী ৩১ জুলাই ২টা ৪৫ মিনিটে, ইউনিয়ন ব্যাংকের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায়, ঢাকা ব্যাংকের আগামী ৩১ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে,ব্রাক ব্যাংকের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৩টায়, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স লিমিটেডের আগামী ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে, সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্সের ৩ আগস্ট বিকেল ৩টায়, এনসিসি ব্যাংকের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৩টায় এবং ইসলামি কমার্সিয়াল ইন্সুরেন্সের আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে।
শেয়ারনিউজ, ২৪ জুলাই ২০২৩
https://www.sharenews24.com/article/66488/index.html
রাষ্ট্রায়াত্ব বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে যাতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শেয়ারবাজারে সাপোর্ট জোরদার করা যায়। এই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গত ১৭ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বার্ষিক কর্মক্ষমতা চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর করেছে।
চুক্তি অনুসারে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শেয়ারবাজারের সেকেন্ডারি মার্কেটে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা, শেয়ারবাজারে তারল্য প্রবাহ জোরদার করতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্জিন ঋণ হিসাবে ৩৫০ কোটি টাকা বিতরণ করা এবং প্রতিদিন অন্যুন ২০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারের টার্নওভারে বৃদ্ধিতে অবদান রাখা।
শেয়ারবাজারের মন্দা, তারল্য সংকট এবং রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য স্টক মার্কেটের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতাসহ বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের কারণে আইসিবির স্টক মার্কেট বিনিয়োগ আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৭২ কোটি টাকা হয়েছে। এর আয়ও ৪৯ শতাংশ কমে ৭১৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা হয়েছে।
এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটি মার্জিন ঋণ হিসাবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ৩৮১ কোটি টাকা বিতরণ করেছে এবং গত অর্থবছরে ৩৮২ কোটি টাকা আদায় করেছে, যা ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় যথাক্রমে ৬৩ শতাং এবং ৭২ শতাংশ কম।
শেয়ারবাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য, আইসিবি দশ বছরের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সফট লোন হিসেবে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা চেয়েছে।
আইসিবির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু তাহের মোহাম্মদ আহমেদুর রহমান শেয়ারনিউজকে বলেন, ‘আমরা ব্যাংক থেকে ধার নিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছি। এ কারণে আমাদের তহবিলের ব্যয় অনেক বেশি। আর এভাবে চলতে থাকলে কোম্পানির শেয়ারবাজারকে সমর্থন করার কোনো সক্ষমতা থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে স্বল্প সুদে ঋণ চেয়েছি কারণ এই সময়ে আমাদের স্বল্প খরচে দীর্ঘমেয়াদী তহবিল দরকার। সরকারও আমাদের সমর্থনে আন্তরিকতা দেখিয়েছে। তাই, আমরা ঋণ পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।’
আইসিবি সূত্রে জানা যায়, কর্পোরেশন নিজেদের স্বার্থ বিবেচনা না করে ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তহবিল ও নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে সহায়তা করে আসছে।
কিন্তু গত কয়েক বছরে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকগুলো ক্রমাগত পতনের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় বাজারকে সাপোর্ট দিতে বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চ সুদে ১১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে আইসিবি। ফলে তহবিলের ব্যয় বেড়েছে। আইসিবি ঋণের বিশাল সুদ ত্রৈমাসিক পরিশোধ করছে।
আহমেদুর রহমান বলেন, ‘স্টক মার্কেট থেকে আয় যাই হোক না কেন আমাদের নিয়মিত সুদ দিতে হবে। শুধুমাত্র স্বল্পমূল্যের তহবিলই এখন আমাদের বাঁচাতে পারে।’
সরকার ১৯৭৬ সালে শেয়ারবাজারে অর্থায়নের জন্য আইসিবি গঠন করে। কর্পোরেশন বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে একটি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেসরকারি খাতে অর্থ ঋণ দেয়।
শেয়ারনিউজ, ২৪ জুলাই ২০২৩





