প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) তানভীর গনির সঙ্গে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
Stock Market
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ১৯ পয়সা।
https://orthosongbad.com/390107/নগদ-২২-লভ্যাংশ-ঘোষণা-বাংল/
BNICL
- Eastern Bank PLC posted a 20 percent year-on-year growth in profit after tax in 2025, with earnings reaching BDT 901 crore, driven by strong growth in deposits, investments and steady asset quality.
- The bank’s performance was supported by prudent balance sheet management and disciplined risk practices, which helped sustain momentum across key financial indicators, according to a press release.
https://www.thedailystar.net/business/organisation-news/news/ebls-profit-rose-20-2025-4152321
British American Tobacco Bangladesh Company (BATBC) posted a steep 67 per cent year-on-year decline in profit after tax in 2025, hit by a mid-year excise duty hike and a forced factory relocation that drove up one-off costs.
The company’s income plunged to Tk 584 crore in 2025, resulting in earnings per share of Tk 10.81 for 2025, the lowest in at least six years, down from Tk 32.42 the year before.
The downturn was primarily triggered by an interim budget announced in January 2025, outside the conventional June cycle, which imposed a substantial excise duty increase across all cigarette segments.
Supplementary duty (SD) on the low segment rose from 76 per cent to 83 per cent, while rates for other segments increased from 81.5 per cent to 83 per cent. Including VAT and the Health Development Surcharge (HDSC), the effective tax burden climbed to roughly 83-84.8 per cent of the maximum retail prices, leaving 16-17 per cent to cover operating costs before a 47.5 per cent corporate tax.
Consequently, net revenue –excluding VAT– dropped 16 per cent, despite a nominal 7 per cent rise in gross turnover driven by price adjustments. The higher tax squeezed the company’s retained earnings per unit of sale.
The duty hike also intensified down-trading, the company said, with consumers shifting to lower-priced brands or illicit alternatives.
Finance Director Nirala Singh noted in the annual report that rising competition in the lower tiers and the expansion of illicit trade further eroded legal sales volumes.
The excise shock was compounded by a major operational disruption. After more than six decades of operations, the company vacated its Dhaka factory following the non-renewal of its lease, completing the relocation in June 2025.
Operating expenses more than doubled to Tk 1,768 crore in 2025 compared with the previous year. According to the company’s management, the spike was largely due to one-off restructuring and relocation costs.
Manufacturing has since been consolidated at the Savar facility. While the management described the transition – completed within 45 days – as operationally efficient, the financial impact was substantial due to relocation expenses, temporary inventory build-up, higher working capital needs, and ramp-up costs.
Cash flow tightens
Cash flow also came under pressure. Net cash from operating activities declined sharply to Tk 331 crore in 2025 from Tk 1,732 crore in 2024.
To navigate the transition, the company increased short-term borrowings, resulting in net cash from financing activities turning positive at Tk 320 crore, compared to negative Tk 1,315 crore in the previous year.
Year-end cash and cash equivalents stood at Tk 919 crore, broadly stable from Tk 897 crore a year earlier.
Dividend cut signals caution
The company’s board has recommended a final cash dividend of 30 per cent (Tk 3 per share) for 2025, sharply lower than Tk 30 per share in 2024 and Tk 10 per share in 2023. No interim dividend was declared for 2025.
This represents the lowest payout in at least five years and indicates a shift toward preserving liquidity and balance sheet strength.
Management flags structural concerns
Managing Director Monisha Abraham described the tax burden as “structurally destabilising” and criticised the January policy move for being implemented without prior stakeholder consultation.
She also cautioned that repeated tax hikes have not proportionately boosted government revenue, noting that sector revenue grew by only about 5 per cent in the last fiscal year, well below historical double-digit trends, as illicit trade expands.
The company called for structured, evidence-based engagement with stakeholders ahead of future fiscal measures.
https://thefinancialexpress.com.bd/stock/bangladesh/ebl-profit-jumps-20pc-in-2025
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলসের সর্বশেষ ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ করা হয়েছে। ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (CRISL) কোম্পানিটিকে দীর্ঘমেয়াদে ‘AA’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘ST-2’ রেটিং প্রদান করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রেটিং সংস্থাটি জানিয়েছে, কোম্পানির ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক তথ্যসহ রেটিং ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য বিবেচনায় এই রেটিং নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, কোম্পানির রেটিংয়ের আউটলুক ‘স্টেবল’ বা স্থিতিশীল রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে এর আর্থিক অবস্থান স্থিতিশীল থাকার ইঙ্গিত দেয়।
https://sharenews24.com/article/117654/index.html?shem=dsdf,sharefoc,agadiscoversdl,,sh/x/discover/m1/4
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক একের পর এক আইন ভাঙলেও প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দীর্ঘদিন সিকদার গ্রুপের হাতে থাকা ব্যাংকটির ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান- পরবর্তীকালে বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর নেতৃত্বে বিএনপিপন্থি ছয়জন পরিচালকে নিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ধার নিয়েছেন। ব্যাংকের ডিমান্ড প্রমিসরি নোটের বিপরীতে ‘লেন্ডার অব দ্য লস্ট রিসোর্ট’ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এই অর্থ দেয়। দীর্ঘদিন
ধরে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে না পারায় ব্যাংকটি সাড়ে ১১ শতাংশ সুদে এ অর্থ পেয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ের পর সরকারের মন্ত্রী হওয়ায় ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের পদ ছাড়েন আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং ব্যাংকটির আরেক পরিচালক জাকারিয়া তাহের।
এর আগে ২০০৯ সাল থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল সিকদার গ্রুপের জয়নুল হক সিকদার পরিবারের হাতে। তখন নিয়মবহির্ভূতভাবে এক পরিবার থেকে পাঁচজন পরিচালক, বেনামি ঋণ, কমিশনের বিপরীতে ঋণ, নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে । এর মধ্যে ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জয়নুল হক সিকদার মারা যাওয়ার পর ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিক সিকদার ও রন হক সিকদারের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে । একপর্যায়ে দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের গায়ে হাত তোলার ঘটনাও ঘটে বলে
ব্যাংক পাড়ায় গঞ্জন ছড়ায়। একপর্যায়ে এমডি পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি দিলেও সেই চিঠি ফেরত দেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর। এরপর ২০২৪ সালের মে মাসে কেন্দ্ৰীয় ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয় এস আলম গ্রুপের হাতে।
পুঁজিবাজার ও ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, আর্থিক অনিয়মে জর্জরিত তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইন ভেঙে চলেছে। তবে ক্ষমতাধরদের আশ্রয়- প্রশ্রয়ের কারণে ন্যাশনাল ব্যাংক প্রায়ই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ সুবিধা পেয়ে আসছে। ফলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কচ্ছপ গতিতে এগুচ্ছে।
পুঁজিবাজারের বিধি অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি পরিচালকের ব্যক্তিগতভাবে ন্যূনতম দুই শতাংশ শেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক । তবে এসব নিয়ম মানছে না ন্যাশনাল ব্যাংক। ক্ষমতাধর গোষ্ঠীর প্রভাব থাকায় ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিশেষ সুবিধা পেয়ে আসছে, যা ব্যাংক খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আইন থাকার পর কেনো ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতি নমনীয় বিএসইসি ও ডিএসই জানতে চাইলে ডিএসইএর উদ্যোক্তা পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন শেয়ার বিজকে বলেন, ‘আইন থাকার পরও যদি তা কারও বেলায় কার্যকর বা বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে এমন আইন না থাকাই ভালো । এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বলতা ও ব্যর্থতা প্রকাশ করে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি ন্যাশনাল ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের শেয়ার ছিল ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এক মাস পর ফেব্রুয়ারিতে তা আরও ২ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে গেলেও কোনো ডিসক্লোজার দেওয়া হয়নি। তবে হঠাৎ করেই ৩১ মার্চ ২০২৬ ন্যাশনাল ব্যাংকের স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। অর্থাৎ গত মাসে কোনো ডিসক্লোজার না দিয়েই হঠাৎ করে কোম্পানিটির স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার বেড়েছে ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ । এর আগে গত মার্চ মাসে ব্যাংকটির শেয়ার কাঠামোয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩৬ দশমিক ৫১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ দশমি এবং শেয়ার। বর্তমানে ব্যাংকটির শেয়ার কাঠামোয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩৬ দশমিক ৬১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগ শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৪৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার।
দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকটির ১০ টাকার শেয়ারদর ফেসভ্যালুর নিচে রয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকটির প্রতিটি শেয়ারদর ৪ টাকা ৭০ পয়সা । ন্যাশনাল ব্যাংকের মালিকদের শেয়ার লেনদেনের বিষয়ে জানতে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আদিল চৌধুরীকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তার হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালেও তিনি তার কোনো উত্তর দেননি।
এরপর ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কৃষ্ণ কমল ঘোষকে কল করা হলে তিনি শেয়ার বিজকে বলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আমি মনে হয় রাইট পারসন নই। আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন এর কোনো আপডেট তথ্য আমার কাছে নেই। দুঃখিত, আমি এ বিষয়টা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না। কোম্পানির অ্যাজ এ সিএফও হিসেবে এটা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।’ ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের শেয়ার লেনদেন বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী শেয়ার বিজকে বলেন, ‘পরিচালক হওয়ার জন্য কোনো শেয়ারের বাধ্যবাধকতা নেই। কারও যদি একটা শেয়ারও থাকে সে পরিচালক হতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে মূলধন নিয়ে। ব্যাংকটির স্পন্সর ডিরেক্টর শেয়ার কিনছে কি না, সে বিষয়ে বিএসইসি ও ডিএসইর আইন আছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটা রুলস আছে—কেউ যদি পাঁচ শতাংশের বেশি শেয়ার কেনে তাহলে সে হবে সিগনিফিকেন্ট শেয়ারহোল্ডার। তাকে
অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে। মানে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া পাঁচ শতাংশের বেশি শেয়ার কেউ কিনতে পারবে না। আর বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা ১০ শতাংশ পর্যন্ত অনুমতি দিতে পারবে। সেই ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের আছে ।
ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালকরা কি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে শেয়ার কেনা-বেচা বা হস্তান্তর অথবা দান-সংক্রান্ত কোনো আবেদন করেছে জানতে চাইলে শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, এ বিষয়ে তারা বিআরপিডিতে আবেদন করেছেন কি না আমার জানা নেই ।
অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালে পরিচালকদের যোগসাজশে প্রায় ১ হাজার ১৫৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে এক সময়ের শক্তিশালী এই ব্যাংক দুর্বল ব্যাংকের তালিকায় চলে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ২০ আগস্ট নতুন বোর্ড গঠন করা হয় ।
নতুন বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যাংকটিকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা হিসেবে জামানত ছাড়াই ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৯৮৫ কোটি টাকা সরবরাহ করা হয়। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকটি প্রায় ১০ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা সহায়তা পেয়েছে ।
তবে এসব ঋণের নির্ধারিত সময় পার হলেও পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে ব্যাংকটি। পরে কয়েক দফা সময় বাড়ানো হয়। পাশাপাশি চলতি হিসাবে ঘাটতি রেখেও লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যার পরিমাণ ২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা।
গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকটি এসএলআর ঘাটতিতে রয়েছে, যা বর্তমানে ৪ হাজার ১০ কোটিতে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সিআরআর ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক কোম্পানির স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার কেনাবেচার ক্ষেত্রে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে ডিসক্লোজার দেওয়া বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মুখপাত্র আবুল কালাম শেয়ার বিজকে বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার কেনাবেচার ক্ষেত্রে অবশ্যই স্টক এক্সচেঞ্জের ডিসক্লোজারের মাধ্যমে জানাতে হবে। কেনাবেচা শেষ করার পরেও তথ্য জানাতে হবে । এই তথ্য না জানানো দ্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এবং ডিএসই লিস্টিং রেগুলেশন, ২০১৫ এবং বিএসইসি অর্ডিন্যান্স
১৯৬৯-এর লঙ্ঘন ।
এর আগে ন্যাশনাল ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কায়সার রশিদ শেয়ার বিজকে বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের শেয়ার কম থাকলেও তারা শেয়ার ছাড়েননি, বরং হোল্ড অবস্থায় রেখেছেন। বিশেষ পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি আপাতত স্থগিত রয়েছে।
গত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির ৪২ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে ২২ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা, মোট ঋণের যা ৫১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা।
NBL
Treasury bill yields rose over the past week as increased government borrowing from banks, driven by mounting funding needs and weak revenue collection, put upward pressure on short-term interest rates.
According to data from the latest auction held today (12 April), yields on 91-day, 182-day and 364-day treasury bills increased by 31 to 33 basis points compared with the previous week. The yield on 91-day bills climbed to 10.16%, while 182-day bills rose to 10.33% and 364-day bills reached 10.39%.
https://www.tbsnews.net/economy/treasury-bill-yields-rise-govt-ramps-bank-borrowing-1409996
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি প্রস্তাবিত একীভূতকরণ (মার্জার) সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ও অতিরিক্ত সাধারণ সভার (ইজিএম) সময়সূচি ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (ডব্লিউডিআইএল) এবং ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি (ডব্লিউএইচআইপিএলসি)-এর একীভূতকরণে অনাপত্তিপত্র (নো অবজেকশন লেটার) সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (কোম্পানি ম্যাটার নং-৩১৮/২০২৬) প্রস্তাবিত মার্জার সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু নির্দেশনা প্রদান করে। ওই নির্দেশনা অনুসরণে ওয়ালটন হাইটেকের পরিচালনা পর্ষদ ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৫০তম সভায় এক্সট্রা-অর্ডিনারি জেনারেল মিটিং (ইজিএম) এবং পাওনাদারদের সভার সময়সূচি চূড়ান্ত করে।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ইজিএমে অংশগ্রহণের জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৪ মে ২০২৬। আর শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে ২১ মে ২০২৬ সকাল ১১টায়, যা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজন করা হবে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে এই প্রস্তাবিত একীভূতকরণ কার্যকর হবে।
https://sharenews24.com/article/117523/index.html?shem=dsdf,sharefoc,agadiscoversdl,,sh/x/discover/m1/4
https://sharenews24.com/article/117565/index.html
রবিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও শেয়ারবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি। সফরকালে বাজার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারের প্রতি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের গুরুত্ব ও নজরদারির বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির ঘাটতি এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় মার্জিন রুলস ২০২৫ বাস্তবায়নের সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে পুঁজিবাজারের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। সংস্থাটি বলছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিধান কার্যকর করা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) রুল ২০২৫ পরিপালনের সময়সীমা বৃদ্ধি চেয়ে ডিবিএর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) একটি আবেদন পত্র দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চিঠি প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন মার্জিন রুলস ২০২৫, যা ০১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগকারী সুরক্ষা এবং সামগ্রিক বাজার স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান প্রবর্তন করেছে। তবে ছয় মাসের (৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত) নির্ধারিত সময়সীমা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বোর্ড অনুমোদিত কনজারভেটিভ মার্জিন লোন পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। অভ্যন্তরীণ পরামর্শ, ঝুঁকি মূল্যায়ন, বোর্ড অনুমোদন এবং অপারেশনাল সিস্টেমে সংযোজন প্রক্রিয়া এখনও অনেক প্রতিষ্ঠানে চলমান রয়েছে। দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিগত সহায়তার সীমাবদ্ধতাও এ প্রক্রিয়াকে ধীর করেছে।
আরবিসিএ ২০১৯-এর সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সিস্টেম উন্নয়ন, জনবল প্রশিক্ষণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। তাড়াহুড়া করে বাস্তবায়ন করলে অপারেশনাল ত্রুটি বা মার্জিন সেবায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
বিদ্যমান মার্জিন ঋণ গ্রাহকদের নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ বিক্রয় সমন্বয় করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিপুল সংখ্যক হিসাবধারীর কাছে এসব সিকিউরিটিজ রয়েছে, ফলে স্বল্প সময়ে বাস্তবায়ন করলে বাধ্যতামূলক বিক্রয়, বাজারে অস্থিরতা, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি এবং তারল্যের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এ নিয়ম বাস্তবায়নকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
এই প্রেক্ষাপটে সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়ে মোট নয় মাস (৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত) করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় সিস্টেম ও নীতিমালা উন্নয়ন সম্পন্ন করে বিদ্যমান গ্রাহকদের জন্য একটি মসৃণ ও বিঘ্নহীন রূপান্তর নিশ্চিত করতে পারবে।
সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে কমিশনের সদয় বিবেচনা ও অনুমোদন কামনা করেছেন।
মার্জিন রুলস বাস্তবায়নের সময়সীমা আরও ৩ মাস বাড়ানোর আবেদন ডিবিএ’র


