fstcap
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৭ জানুয়ারি (রোববার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে ওইদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন উপলক্ষে আগামী রোববার দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন এবং অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। নিবাচনের পরের দিন ৮ জানুয়ারি তথা সোমবার থেকে শেয়ারবাজারের সকল কার্যক্রম আগের নিয়মে চালু হবে।
এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ২৮ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে ব্যাংক বন্ধ রাখার বিষয়ে এই প্রজ্ঞাপন জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
শেয়ারনিউজ
Bangladesh election 7th January holiday government
পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি এর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অর্থ ব্যাবহারের সময় বাড়ানো হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিও’র অর্থ ব্যাবহারের সময় বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে।
সোমবার (১ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
Source: risingbd
Lovello
তথ্য মতে, বিএসইসির অনুমোদনের পর গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কোম্পানির বার্ষিক সাধরণ সভায় (এজিএম) আইপিও’র অবশিষ্ট টাকা ব্যবহারের সময় বাড়ানোর সম্মতি দিয়েছেন শেয়ারহোল্ডাররা।
কোম্পানিটি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত এ টাকা ব্যবহারের সময় বাড়িয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটি আগামী ১ বছরের মধ্যে এই টাকা ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারবে।
কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই চেয়ারম্যান হওয়া, পরিবারের সদস্যদের পরিচালক বানানো এবং ফ্লোর ক্রয়ের অনুমোদনের আগেই কোম্পানির তহবিল থেকে অর্থ নেওয়াসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্সে নিরীক্ষক নিয়োগ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ।
গতকাল রোববার নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ফার্ম হুদা ভাসী চৌধুরী অ্যান্ড কোং-কে নিরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। চিঠি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে। চিঠির তথ্যানুযায়ী, সোনালী লাইফের ১৭টি বিষয়ে তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে
১) ২০১৮ সালে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য পরিচালকেরা কোম্পানির শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেন। তবে প্রকৃতপক্ষে কয়জন পরিচালক কতটি শেয়ার ক্রয় করেন এবং এ জন্য কত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, তা যাচাই করা;
২) কোম্পানির মেয়াদি হিসাবের বিপরীতে সাউথ বাংলা ব্যাংকে একটি হিসাব খোলা ও ওই ঋণ হিসাব থেকে ৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং একই ব্যাংকের একটি সঞ্চয়ী হিসাব থেকে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা তুলে ৪ জন পরিচালকের শেয়ার কেনার মূল্য বাবদ মোট ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের অভিযোগ যাচাই করা;
৩) ২০২২ সালে কোম্পানির পর্ষদে পারিবারিক কর্তৃত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে একই পরিবারের ৪ জন সদস্যের নামে বিপুলসংখ্যক শেয়ার বিনা মূল্যে হস্তান্তর করে পরিবারের সর্বাধিক সদস্যকে পরিচালক রাখার অভিযোগ যাচাই করা;
৪) ২০২৩ সালে কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (ড্রাগন সোয়েটার) প্রতি মাসের ঋণের কিস্তি বাবদ ৩ কোটি টাকা কোম্পানির হিসাব থেকে জনতা ব্যাংকে পরিশোধ করার বিষয় যাচাই করা;
৫) বর্তমান চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন ভবন সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্সের জন্য কেনার নামে কোম্পানির এফডিআরের বিপরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৫২ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ এবং এ জন্য ৩ বছরে প্রায় ১৫ কোটি টাকার বেশি সুদ দেওয়ার বিষয় পরীক্ষা করা;
৬) বর্তমান চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন ইম্পেরিয়াল ভবন কোম্পানি কর্তৃক ৩৫০ কোটি টাকায় কেনার জন্য করা সমঝোতা চুক্তি যাচাই;
৭) আইডিআরএর অনুমতি ছাড়াই অক্টোবর, ২০২১ থেকে নভেম্বর, ২০২৩ সময়ে ইম্পেরিয়াল ভবনের মূল্য বাবদ বর্তমান চেয়ারম্যানের ৫৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগ পরীক্ষা;
৮) বর্তমান চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন ইম্পেরিয়াল ভবনের জমির মালিকানা এবং ভবন নির্মাণে রাজউক ও অন্যান্য সংস্থার যথাযথ অনুমোদন যাচাই;
৯) কোম্পানি থেকে ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মোট ৬১ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা তুলে বর্তমান চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর অভিযোগ যাচাই করা;
১০) কোম্পানির পরিচালক কর্তৃক অবৈধভাবে মাসিক বেতন-ভাতা হিসেবে ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সময়ে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং পরে একইভাবে আরও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ যাচাই করা;
১১) আইডিআরএর সার্কুলার অমান্য করে কোম্পানির চেয়ারম্যানের জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ টাকায় বিলাসবহুল অডি গাড়ি কেনা এবং ২০২১-২৩ মেয়াদে এর রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ বিপুল ব্যয় পরীক্ষা করা;
১২) চেয়ারম্যান ও তাঁর পরিবারের সদস্য পরিচালক কর্তৃক কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশের অতিরিক্ত লভ্যাংশ গ্রহণের বিষয় যাচাই;
১৩) কোম্পানির চেয়ারম্যানের বিদেশে চিকিৎসার যাবতীয় খরচ, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ ও কেনাকাটার খরচ, বিদেশে পড়ালেখার খরচ অবৈধভাবে কোম্পানির তহবিল হতে নির্বাহের অভিযোগ যাচাই;
১৪) কোম্পানির একজন পরিচালকের (শেখ মোহাম্মদ ড্যানিয়েল) ব্যক্তিগত অফিস কোম্পানির ভেতরে থাকা, গ্রুপ বিমা পলিসি থেকে বড় অঙ্কের কমিশন গ্রহণ এবং ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখ থেকে পরিচালক না হয়েও বোর্ড সভায় অংশগ্রহণ, সম্মানী-বোনাসসহ বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ এবং ব্যাংক হিসাবের স্বাক্ষরকারী হিসেবে থাকার অভিযোগ যাচাই করা;
১৫) কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যান ২০১৪ সাল থেকে ব্যক্তিগত ঋণ সমন্বয়, বিজিএমইকে অনুদান, এসি কেনা, বিনোদন (পারিবারিক অনুষ্ঠান, বিয়ের উপহার), দুপুরের খাবার ও সন্ধ্যার নাশতার বিল, কোরবানির গরু ক্রয়সহ (২০২২ সালে) ব্যক্তিগত খরচ, ২০২২ ও ২০২৩ সালে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণ ব্যয় (১ কোটি ৯২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা), আইপিও খরচের নামে অতিরিক্ত টাকা (১ কোটি) এবং পলিসি নবায়ন উপহার বাবদ নিজ প্রতিষ্ঠানের জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা ইত্যাদি অর্থ কোম্পানি থেকে আত্মসাৎ করার অভিযোগ যাচাই করা;
১৬) বর্তমান চেয়ারম্যানের ১৫ তলা ভবনে বিভিন্ন অফিস/প্রতিষ্ঠান ভাড়া থাকা সত্ত্বেও সব ইউটিলিটি বিল কোম্পানি থেকে পরিশোধ এবং ২০২১ সাল থেকে ইম্পেরিয়াল ভবন কোম্পানি কর্তৃক পুরোপুরি ব্যবহার না করা সত্ত্বেও চেয়ারম্যান অবৈধ প্রভাবের মাধ্যমে পুরো ১৫ তলা ভবনের ভাড়া সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে পরিশোধের অভিযোগ যাচাই করা;
১৭) কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যানের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন সোয়েটার ও স্পিনিং লিমিটেডের ২০২১ সালের কর বাবদ ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি থেকে পরিশোধের বিষয় যাচাই করা।
Source: prothomalo
Sonalilife
The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC), the securities regulator, is expected to consider withdrawing the floor price in 2024, which is anticipated to usher in as a reprieve for investors, marking a positive turn after the challenges faced in 2023, stakeholders said.
Although the equity market may face an immediate correction following the withdrawal, the stock market can be expected to bounce back and the overall market turnover can be expected to rise significantly as funds unlocked will become available for reinvestment, said EBL Securities, a leading stockbroker, in its new-year market forecast.
On July 28 in 2022, the BSEC imposed floor prices on all securities to prevent shares from falling beyond a certain level amid the domestic and global macroeconomic strains.
The share prices of most companies have been stuck at their floor prices for an extended period of time, pushing investors towards liquidating their holdings and thus creating a liquidity crisis in the market.
Earlier in March 2020, the securities regulator took a similar move to limit the free-fall of shares following the global pandemic, when the DSEX fell below 3,000 points.
After its imposition, the floor price was a complete mess for the stock business and a year of disappointment for the stock market as the average turnover and foreign investment reached rock bottom, which was never encountered by investors at such a bad time after the collapse in 2010.
Talking to The Business Post, DSE Brokers Association of Bangladesh (DBA) president Saiful Islam said the year 2023 was a big challenge for the overall economy, and the stock market was not immune to this challenge.
He further said that the big problem in the market was the floor price imposed by the stock market regulator. This results in low-volume trades in the market. There was no new investment. No return was found. The income of all stakeholder groups in the market has declined. All this has created constraints on the capacity of the stock exchanges.
Saiful, also a director of BRAC EPL Stock Brokerage Ltd, said that the number of new good IPOs coming up should be increased next year. “Let the market take its course.”
He believes that investors’ confidence can be restored if the floor price in New Year is withdrawn and trade volume increases in the market.
The capital market also felt the heat as the core index of the country’s premier bourse plunged below the psychological threshold of 6,000-mark, forcing the stock market regulator to reinstate the floor price at the end of July 2022, which is still effective.
As of Thursday, DSEX, the key index of the Dhaka Stock Exchange (DSE), ended at 6,246.49 points on the last trading day of 2023, which was 6,206.81 points on the first trading day of the outgoing year.
This year, the DSE’s average daily turnover fell by 39.83 per cent to Tk 578 crore. It was Tk 960 crore in the previous year.
The market capitalisation to GDP ratio declined to 17.59 per cent in the outgoing year, down from 19.14 per cent in 2022.
The capital market is poised for a turnaround in 2024, shedding the sluggish performance of the preceding years.
A resurgence of vibrancy and enthusiasm is anticipated, driven by several factors- moderate improvement of macroeconomic scenario going forward, alleviation of investors’ concern regarding domestic political issues, particularly about the National Election transpiring smoothly, and the expected reversal of regulatory restrictions set during the challenging periods in the preceding two years, said EBL Securities.
The key index, DSEX, may hit as low as 5,500 points if the floor price is withdrawn and can be expected to exceed 6,500 points later. However, it is likely to fall short of 7,000 points unless heightened investors’ participation and enthusiasm can be achieved.
Bangladesh Bank has made controlling inflation its main priority in its latest monetary policy and has also raised policy rates recently. Inflation is expected to come down by mid-2024, but further cuts to energy subsidies and the depreciation of taka may pose challenges in reducing inflation.
The liquidity crunch, a prevailing concern, is expected to alleviate in 2024 due to rising deposit rates. Bangladesh is expected not to face any sanctions from the western countries over political issues and violence related to political issues has been less than anticipated, said the leading stock broker of the Dhaka bourse.
Overall, 2024 is anticipated to usher in a reprieve for investors, marking a positive turn after the challenges faced in 2023, it said.
Managing director of the Dhaka Stock Exchange Dr. ATM Tariquzzaman told The Business Post that corporate governance should be given utmost importance to eliminate the market confidence crisis.
“In the new year, there will have expectations that the regulatory body withdraws the floor price from the market,” he added.
Source: businesspostbd
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) তারিখ নির্ধারণ করেছে এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড। আগামী ২৮ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিও আবেদন চলবে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ জানুয়ারি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পায় এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড। গত বৃহস্পতিবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাতিত্বে অনুষ্ঠিত ৮৮৭তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।
কমিশন সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এনআরবি ব্যাংককে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১০ কোটি শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে তৃতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ার প্রতি নীট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭২ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিলো ২৭ পয়সা।
আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যাংকটি সরকারি সিকিউরিটিজ ও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের কাজে ব্যয় করবে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোন প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।
উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
Source: https://www.sharebazarnews.com/archives/251715
NRB Bank IPO
ADN Telecom, a publicly traded telecommunications service provider, is set to bolster its business expansion by investing Tk 4.50 million in a proposed subsidiary, ADN Media Limited.
The initial paid-up capital of the new entity will be Tk 10 million, subject to the fulfillment of all regulatory requirements, the company said in a stock exchange filing on Wednesday.
AND Telecom has decided to subscribe to 45 per cent of the proposed subsidiary’s paid-up capital, amounting to Tk 4.50 million.
A company official said ADN Media would be an interactive digital media platform which would open up numerous business opportunities.
In recent months, ADN Telecom has been investing heavily in various projects as part of its broader business expansion strategy.
Following the announcement of the news, its stock price edged up 1.30 per cent to close at Tk 117.20 on Wednesday.
RECENT INVESTMENTS
Last month, ADN Telecom acquired another 40 per cent stake in ADN International Gateway (AIG), a broadband service provider, for Tk 11.34 million.
AIG is a private limited company holding an International Internet Gateway (IIG) licence issued by the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC).ADN Telecom and ADN International Gateway are two major concerns of the AND Group. ADN Telecom first acquired a 40 per cent stake in AIG in 2021.
This vertical acquisition has increased ADN Telecom’s current shareholding from 40 per cent to 80 per cent in ADN International Gateway, making AIG a subsidiary of ADN Telecom.

In June this year, ADN Telecom expanded its portfolio by acquiring a 10 per cent stake in Shohoj, an online ticketing platform, with an investment of Tk 120 million.
At that time, Company Secretary Md. Monir Hossain said ADN Telecom invested in Shohoj, having been encouraged by its good business potential.
Shohoj launched as an online ticketing platform in Bangladesh in 2014 under the brand name “Shohoz”. It holds the number one position in terms of the usage of its ticketing software by long-distance bus operators as well as use of its web-based ticketing systems.
On top of that, “Shohoz” exclusively manages the online integrated ticketing platform of Bangladesh Railway.
In July last year, ADN Telecom also acquired 60 per cent shares of SOS Developments, a fire security service provider, at a cost of Tk 20 million for 10 years.
In May this year, the company decided to construct a 13-storey commercial building and set up a data centre there in the capital’s Badda area.
In September this year, the company also decided to acquire a 235-decimal plot of land in Gazipur at a cost of Tk 23 million for future business expansion.
FINANCIAL PERFORMANCE
After a record annual profit for FY’23, ADN Telecom’s consolidated first quarter (July-Sept) profit dropped 32 per cent year-on-year to Tk 44.42 million.
Its revenue also declined 10 per cent to Tk 298.68 million in July-September period of this year.
The company explained that revenue was higher in the same quarter a year ago due to a payment from its client Bangladesh Police, but the service was discontinued.
It said the revenue decline was temporary. The cost of operation was high, affecting the quarterly earnings.
Its total operating expenses rose nearly 12 per cent to Tk 75.33 million while finance expenses more than doubled year-on-year to Tk 6.87 million in the July-September quarter.
The income is expected to get a boost soon as the investments made will bear fruits, said the company in its earnings note.
source: thefinancialexpress.com.bd
ADN telecom invest media limited investment
ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেডের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি অনুমোদন করেছে কেডিএস অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের পর্ষদ। রুফটপ সোলার ফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে কেডিএসের কারখানা প্রাঙ্গণে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ব্যবহারের পরিমাণের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে কেডিএস। কোম্পানির কার্যক্রমে সৌরবিদ্যুৎ অন্তর্ভূক্ত করার মাধ্যমে পরিচালন কার্যক্রমে টেকসই ও দায়িত্বশীল মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটির বিদ্যুতের উৎসে বৈচিত্র্য আসবে। পাশাপাশি একটি নির্মল ও সবুজ পরিবেশ নিশ্চিতে অবদান রাখবে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয় ও মুনাফা দুটোই কমেছে। আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৫৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৭৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। অন্যদিকে আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এছাড়া চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৭০ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৬৩ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরেও প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটির আয় কমেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ২৭৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কেডিএস অ্যাকসেসরিজের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৩ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ১৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ টাকা ৫৮ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কেডিএস অ্যাকসেসরিজের পর্ষদ।
সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয় প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা, আগের বছর যা ছিল ১৪৪ কোটি টাকার বেশি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ২ টাকা ২০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৭৫ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল কেডিএস অ্যাকসেসরিজ। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও বাকি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৯৯ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৪ টাকা ৯৪ পয়সা।
source: bonikbarta.net
omera renewable energy limited KDS group
ডলার সংকটের চাপে অসহায় ছিলেন ব্যবসায়ীরা
আলোচনায় ছিল ব্যাংকের অনিয়ম দুর্নীতি
টালমাটাল অর্থনীতির আরেকটি বছর পার করল দেশবাসী। বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো সময়টাই সামষ্টিক অর্থনীতি ছিল অস্থির ও সংকটাপন্ন। এমনকি বছর শেষে সংকটগুলো আরও তীব্র হয়েছে। ডলার সংকট আর মূল্যস্ফীতির চাপ ছিল বছরজুড়েই। খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য ভুগিয়েছে সব শ্রেণির মানুষকেই। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন ঠেকানো যায়নি শত চেষ্টায়ও।
আলোচনায় ছিল ব্যাংক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতিও। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি আর ডলার সংকটের কারণে অসহায় অবস্থায় পড়েন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে উল্লেখ করার মতো আসেনি নতুন কোনো বিনিয়োগ। তৈরি হয়নি তেমন কোনো কর্মসংস্থান। যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সংকটকে করেছে তীব্র থেকে তীব্রতর। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। তার আগের মাস নভেম্বরে যেটা ছিল ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং অক্টোবরে ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। আর চলতি বছরের নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশে। অবশ্য নভেম্বর ২০২৩-এ খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ হয়েছে। অক্টোবরে যা ছিল ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ে বছর শুরু হলেও শেষ হতে যাচ্ছে ২ অঙ্কের কাছাকাছি নিয়ে। আবার নতুন একটি বছর ২০২৪ শুরু হতে যাচ্ছে সেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়েই। চলতি বছরই মূল্যস্ফীতির চাপ ১১ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। যদিও গত দুই মাসে তা সামান্য কমেছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে ও চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১০৫ টাকা; যা তার আগের বছরের ডিসেম্বরে ছিল ৮৫-৮৬ টাকা। আর গত ২৪ ডিসেম্বর প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা। যদিও ব্যাংকের বাইরে এ ডলারের দাম ১২৪ টাকার বেশি। ২০ ডিসেম্বর, ২০২২-এ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৪ বিলিয়ন ডলার। আর ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩-এ তা দাঁড়ায় ২০ বিলিয়ন ডলারে। সে হিসেবে এক বছরে রিজার্ভ কমেছে ১৪ বিলিয়ন ডলার। এদিকে ডলার সংকটের কারণে আমদানি ব্যয়ের লাগাম টানার চেষ্টা করা হয়েছে সারা বছরই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যের হালনাগাদ তথ্যমতে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৯০ লাখ (১৪.৭৫ বিলিয়ন) ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করেছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। এ অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম। তার পরও বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে আলোচিত সূচক বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে না; উল্টো কমছেই। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আয় কাক্সিক্ষত হারে বাড়াতে না পারা।
অন্যদিকে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির তথ্যমতে, দেশের ব্যাংক খাত থেকে অনিয়মের মাধ্যমে গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৩) ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। এ সময়ে যে পরিমাণ অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে, তা বর্তমান মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ। ফলে দেশের ব্যাংক খাতও আলোচনায় ছিল বছরজুড়েই। সে আলোচনা-সমালোচনা এখনো চলছে। অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই নেতিবাচক ধারায় ছিল সারা বছর; যা এখনো বিদ্যমান। মূল্যস্ফীতির উচ্চচাপ, রিজার্ভ নামছে প্রতিদিনই। ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না কিছুতেই। বছরজুড়েই ডলারের দাম বেড়েছে। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়ানো যায়নি শত চেষ্টায়ও। রাজস্ব আদায়েও ঘাটতি বেড়েছে। সরকারের বাজেট বাস্তবায়নও চলছে ঢিমেতালে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা একটা বিভ্রমের মধ্যে ছিলাম এখনো সেখানেই আছি। আমাদের ডলারের বাজারে নিয়ন্ত্রণ করে বাফেদা ও এবিবি যেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে থাকার কথা। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে কার্যকর কোনো কৌশল আমরা নিতে পারিনি। ফলে চলতি বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থনীতিতে ছিল চরম বিশৃঙ্খলা, যা এখনো বিদ্যমান। ফলে আগামী বছরটা যে অর্থনীতির জন্য ভালো যাবে তা প্রত্যাশা করা যায় না।’
এদিকে এক বছরে বেড়েছে বৈদেশিক ঋণের চাপও। গত ১৪ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৩২২ শতাংশ বেড়েছে। দেশের বৈদেশিক ঋণ ২০২৩ সালের জুনের শেষে ৯৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের শুরুতে ২০০৯ সালের জুনে ছিল ২৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। বিদেশি ঋণ বাড়ার পেছনে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য বিদেশি ঋণের ওপর দেশটির ক্রমবর্ধমান নির্ভরতাকে দায়ী করছেন অর্থনীতিবিদরা। এমনকি এটাকে অদূরদর্শী, অতিমূল্যায়িত এবং অতিদুর্নীতিপরায়ণ উন্নয়ননীতি বলে মনে করেন ড. জাহিদ হোসেন।
সূত্রঃ বিডি-প্রতিদিন
othoniti bochor talmatal turmoil economic year bb
বছরের হিসাব সমাপ্ত করতে ব্যাংকগুলোর হাতে সময় আছে আর মাত্র এক দিন। অর্থাৎ আজ বৃহস্পতিবার। কিন্তু বেশির ভাগ ব্যাংককে টাকার সঙ্কট রেখেই এ বছরের হিসাব শেষ করতে হচ্ছে। তহবিল ঘাটতি মেটাতে শেষ সময়ে ব্যাংক কর্মকর্তাদের নানা কৌশল অবলম্বন করতে হচ্ছে। যাদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ আছে তারাও আন্তঃব্যাংকে টাকা ধার দিতে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে। এ কারণে আন্তঃব্যাংকে টাকার দাম বেড়ে গেছে। গতকাল ১৪ দিন মেয়াদের জন্য ধার নিতে ব্যাংকগুলোকে সার্বোচ্চ সাড়ে ১২ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। আন্তঃব্যাংকে টাকা না পেয়ে ছুটে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক শেষ মুহূর্তে ব্যাংকগুলোর চাহিদা অনুযায়ী টাকা ধার দিচ্ছে। গত কয়েক দিনের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ২০ ডিসেম্বর ২৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা, ২১ ডিসেম্বর ১৮ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা এবং ২৬ ডিসেম্বর টাকা ধার দেয়া হয়েছে ২০ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রতি ১০০ টাকার জন্য ব্যয় করতে হচ্ছে পৌনে ৮ শতাংশ থেকে পৌনে ১০ শতাংশ সুদ।
জানা গেছে, ব্যাংকগুলো তাদের সারা বছরের হিসাব সমাপ্ত করেন বছরের শেষ দিনগুলোতে। এ কারণে ব্যাংকগুলো বিভিন্ন গ্রাহককে ঋণ পরিশোধে চাপ প্রয়োগ করেন। কারণ খেলাপি ঋণ বেশি থাকলে বেশি পরিমাণ প্রভিশন রাখতে হয়। এ প্রভিশন রাখা হয় ব্যাংকের মুনাফা থেকে। এতে কমে যায় ব্যাংকের মুনাফা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি ব্যাংকে শীর্ষ নির্বাহী এ বিষয়ে গতকাল নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, বড় বড় গ্রাহক ঋণ পরিশোধ করছেন না। গতকাল এমন কয়েকটি গ্রাহককে অনুরোধ করা হয়েছে ঋণ পরিশোধে। এমনও বলা হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বরের আগে ঋণ পরিশোধ করলে জানুয়ারি মাসে তাদেরকে নতুন করে ঋণ দেয়া হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ হিসেবে ওই ব্যাংকের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা শিথিল করায় বার বার ছাড় দেয়ায় ঋণ পরিশোধে এক ধরনের ব্যবসায়ীর মধ্যে অনিহা দেখা দিয়েছে। তারা বছরের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের দিকে। এবারো ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ বণিক সমিতির ফেড়ারেশন বা এফবিসিসিআই থেকে এ ধরনের একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকরা প্রায় আট মাস যাবত তাদের বকেয়া পাওনা পাচ্ছেন না। প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এ কারণে তারা ডিসেম্বর শেষে ঋণ পরিশোধ থেকে ছাড় চেয়েছেন। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গতকাল পর্যন্ত এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। আর এ কারণে ব্যাংকের নগদ আদায় কমে গেছে। নগদ আদায় কমে যাওয়ায় কোনো কোনো ব্যাংকের তহবিল সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করে।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, ব্যাংকিং খাতে চলমান বৈদেশিক মুদ্রা বিশেষ করে ডলার সঙ্কটের পাশাপাশি নগদ টাকারও সঙ্কট বেড়ে যাচ্ছে। এ জন্য এক ব্যাংক আরেক ব্যাংক (কলমানি মার্কেট) থেকে উচ্চ সুদে পর্যাপ্ত ধার না পাওয়ায় সঙ্কট মেটাতে কিছু কিছু ব্যাংক প্রতি দিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে দ্বারস্থ হচ্ছে। তহবিল সঙ্কট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ উচ্চ সুদে ধার নিতে ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থা ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে। আর এ তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় সমন্বয় করতে ঋণের সুদহারও বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। একে তো ডলারের উচ্চ মূল্যে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এর ওপর ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। পণ্য উৎপাদনে বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে পণ্য মূল্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানিয়েছে, টাকার প্রবাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতোমধ্যে নীতি সুদহার বাড়ানো হয়েছে। সঙ্কট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর ধার নেয়ার হার (রেপো) এক সাথে পৌনে ১ শতাংশ সুদ বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ স্বপক্ষে দাবি হলো বাজারে টাকার প্রবাহ কমানোর অন্যতম উপায় হলো নীতি সুদহার বাড়ানো। আর নীতি সুদহার বাড়ানো হলো ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় বাড়বে। আর এতে সব ধরনের ঋণের সুদহার বাড়বে। ঋণের সুদহার বাড়লে মানুষ কম ব্যয় করবে। এতে মূল্যস্ফীতি কমে যাবে। তবে, এর বিপক্ষে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, আইএমএফ থেকে ঋণ পাওয়ার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়িয়েছে। এটা কার্যকর হয় রফতানি বেশি এমন উন্নত দেশগুলোর জন্য। কিন্তু আমাদের অর্থনীতি তো আমদানি নির্ভর। রফতানির চেয়ে আমদানি হয় বেশি। যে টুকু রফতানি হয় এর একটি বড় অংশ আবার (তৈরী পোশাক) ব্যাক টু ব্যাক এলসির নামে বিদেশে চলে যায়। সুতরাং ঋণের সুদহার বাড়লে পরোক্ষভাবে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। আর এ ক্ষেত্রে উচ্চমূল্যের কাঁচামাল দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের দামও বেড়ে যায়। এতে মূল্যস্ফীতি কমে না বরং উসকে দেয়া হয়। একজন ব্যবসায়ী বলেন, ব্যাংকগুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির জন্য ডলার সংস্থান করতে পারছে না। অনেক সময় প্রতি ডলারের বিপরীতে বেশি ব্যয় করেও চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের এলসি খোলা যায় না। এতে তাদের উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকও কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এমনিতেই ডলার সঙ্কট এর ওপর ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পণ্যের দামও বেড়ে যাচ্ছে। এতে মূল্যস্ফীতি না কমে বরং বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, রেমিট্যান্স ও রফতানির মাধ্যমে যে পরিমাণ ডলার আহরণ করা হচ্ছে চাহিদা তার চেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে ডলারের দাম বাড়ছে। সিন্ডিকেট ও অতিমুনালোভীদের কারসাজির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি বাড়ার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে আরেকটি হলো ডলারের দাম বৃদ্ধি। সবমিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় মানুষ আগের মতো আর ব্যাংকে অর্থ সঞ্চয় করতে পারছে না। বরং অনেকেই মূল্যস্ফীতির বৃদ্ধির কারণে বাড়তি ব্যয় সমন্বয় করতে জমানো টাকা খরচ করছে। এতে ব্যাংকে কাক্সিক্ষত হারে আমানত বাড়ছে না। আবার ডলার সঙ্কটের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নগদ অর্থে ডলার কিনতে হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৩৭৬ কোটি মার্কিন ডলার বাংলাদেশ ব্যাংক তার রিজার্ভ থেকে বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে সাড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ৫০ পয়সা হিসাবে)। আবার শরিয়াভিত্তিক কিছু ব্যাংকের অনিয়মতান্ত্রিক ঋণ দেয়ার কারণে ওই ঋণ আর ফেরত আসছে না। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) এক সাথে ৩৬টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে। সবমিলেই ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার সঙ্কট মেটাতে আন্তঃব্যাংক থেকে টাকা ধার নেয়া হচ্ছে। এতে কলমানি মার্কেটের সুদহারও বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত বছরের ৪ অক্টোবর কলমানি মার্কেট থেকে ধার নিতে ৫.৭৯ শতাংশ হারে সুদ গুনতে হতো, গত ২৭ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে ৬.৬৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। গতকাল ২৮ ডিসেম্বর ১৪ দিন মেয়াদি তহবিল পেতে ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করতে হয়েছে।
source: dailynayadiganta.com
money crisis bank end of year taka songkot


