কারখানায় উৎপাদন নেই অন্তত ৫ বছর। কোম্পানির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর কোনো তথ্যও নেই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে। গত বছর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিদর্শন দল সরেজমিন গিয়ে কারখানা বন্ধ পেয়েছে। অথচ প্রায় অস্তিত্বহীন কোম্পানিটির শেয়ারের দাম পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে। গত দুদিনে এই শেয়ারের দর বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। গতকাল বুধবার ১০ শতাংশ ছুঁই ছুঁই করছিল, আগের দিনতো সার্কিট ব্রেকার ছুঁয়ে লেনদেন বন্ধই হয়ে যায়। জুলাই শেষে যে শেয়ারদর ২ টাকা ৯০ পয়সা ছিল তা গতকাল ৩ টাকা ৬০ পয়সায় উঠেছে।
অথচ পাঁচ মাস আগেই অভিনব কৌশলে জালিয়াতির মাধ্যমে আইপিওর ৪৩ কোটি টাকার মধ্যে ৪১ কোটি আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে। ওই প্রতিবেদন আদালতে জমাও দেওয়া হয়েছে। তবু কোম্পানিটির শেয়ার কেনার হিড়িক বাজার বিশেষজ্ঞদের বিস্মিত করেছে। এই কোম্পানিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। কিন্তু তা নিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বা স্টক এক্সচেঞ্জ কারও মাথা ব্যথা দেখা যাচ্ছে না। মামলা বিচারাধীন বলে হাত গুটিয়ে বসে আছে বিএসএসি।
২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছেড়ে ৪৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল ফেনীর নুরানী ডাইং। আইপিওর তোলার আগে কাগজে কোম্পানির ঋণ কমিয়ে দেখানো হয়। সেই জাল তথ্যের ভিত্তিতেই শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে তোলা হয়। পরে এফডিআর, ভুয়া পেমেন্ট ও ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে সেই অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়। তদন্তে আইপিওর ৪৩ কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৪১ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে পিবিআই। শুধু অর্থ সরিয়ে নেওয়া নয়, কে কোন পর্যায়ে কী ভূমিকা রেখেছেন তারও চিত্র তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।
আইপিওর শুরুতেই তিন ইস্যু ম্যানেজার
২০১৭ সালে নুরানী ডাইংয়ের আইপিওতে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড ও সিএপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড সম্মিলিতভাবে ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করে। অভিহিত মূল্যে আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, এ অর্থের একটি অংশ ব্যাংক ঋণ পরিশোধে এবং বাকি অর্থ যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল আমদানি ও ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় করার কথা ছিল। আইপিওর অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথাও দেখানো হয়।
নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন ও কারখানা ভবন তৈরির পরও ২০১৯-২০ হিসাব বছর থেকেই লোকসান দেখাতে শুরু করে নুরানী ডাইং। ওই বছরে কোম্পানিটি ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা লোকসান দেখায়। ২০২০-২১ হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত লোকসান দাঁড়ায় ১১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ওই অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ৯৫ পয়সা। তালিকাভুক্তির সময়ই কোম্পানিটির মৌলভিত্তি দুর্বল ছিল বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা যায়। কিন্তু ডিসক্লোজারভিত্তিক আইপিও পদ্ধতির সুযোগ নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. কে. নুরুল আলম মারা যাওয়ার পর কোম্পানিটি আরও রুগ্ণ হতে শুরু করে। তার অবর্তমানে পর্ষদের অন্যান্য পরিচালক ও উত্তরসূরিরা কোম্পানি পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে বন্ধ হওয়ার বিষয়টি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ স্টক এক্সচেঞ্জকে জানায়নি।
জাল আর্থিক তথ্য
পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে আইপিও অনুমোদনের জন্য নুরানী ডাইং যে আর্থিক তথ্য উপস্থাপন করে, তার একটি অংশ ছিল জাল, বিভ্রান্তিকর এবং কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ করে ব্যাংক ঋণের প্রকৃত চিত্র গোপন করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, আইপিওর সময় কোম্পানিটির প্রকৃত ব্যাংক দায় ছিল প্রায় ১১০ কোটি ৮৪ লাখ থেকে ১৪০ কোটি ৬১ লাখ টাকার মধ্যে। কিন্তু আর্থিক বিবরণী ও প্রসপেক্টাসে দায়ের পুরো চিত্র তুলে ধরা হয়নি।
বিএসইসির তদন্তেও একই ধরনের তথ্য উঠে আসে। আর্থিক প্রতিবেদনে ২০১৮ সালে দীর্ঘমেয়াদি দায় দেখানো হয়েছিল ৩৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ২০১৯ সালে ৩৯ কোটি ৭৭ লাখ এবং ২০২০ সালে ৫৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অথচ প্রকৃত ব্যাংক ঋণ ছিল যথাক্রমে ১৬৮ কোটি ৯৬ লাখ, ১৯২ কোটি ৬৮ লাখ ও ২১৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
ব্যাংক বিবরণী জালিয়াতির মাধ্যমে প্রকৃত ঋণের তথ্য গোপন করা হয়েছিল বলে বিএসইসির তদন্তে বলা হয়। পিবিআই বলছে, নিরীক্ষকের সহায়তায় প্রস্তুত করা জাল আর্থিক তথ্যই আইপিও প্রসপেক্টাসে উপস্থাপন করা হয়।
বাজার থেকে ৪৩ কোটি, আত্মসাৎ ৪১ কোটি
আইপিওর অর্থ পাওয়ার পর এবি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ দেখিয়ে প্রায় ১১ কোটি ৮০ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। ইস্টার্ন ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৫ কোটি টাকা আরাফাত স্টিল স্ট্রাকচার অ্যান্ড বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের নামে স্থানান্তর করা হয়।
অর্থ সরিয়ে নেওয়ার আরেকটি কৌশল ছিল মেয়াদি আমানত বা এমটিডিআর/এফডিআর খোলা। ইউনিয়ন ব্যাংকের বগাবাড়ী শাখায় আইপিও তহবিলের অর্থ দিয়ে মোট ২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকার ছয়টি এফডিআর খোলা হয়। পরে এসব এফডিআর নগদায়ন করে প্রায় ২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। অবশিষ্ট ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। আরাফাত স্টিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভুয়া পরিশোধ দেখিয়ে এসব অর্থ সরানো হয়।
এভাবে আইপিওর ৪৩ কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৪১ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে পিবিআই।
কার কী ভূমিকা
তদন্ত প্রতিবেদনে কোম্পানিসহ মোট ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতার কথা বলা হয়েছে। নুরানী ডাইংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. কে. নুরুল আলমকে অর্থ আত্মসাতের মূল কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেছে পিবিআই। তার স্ত্রী ও চেয়ারম্যান রেহেনা আলম এবং ছেলে ও পরিচালক এস. কে. নূর মোহাম্মদ আজগরের বিরুদ্ধেও প্রতারণায় সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।
কোম্পানি সেক্রেটারি মো. মাহবুব আলম (দীপু) ও সিএফও মো. আমির হোসেনের নাম এসেছে জাল আর্থিক তথ্য, ব্যাংক লেনদেন ও এফডিআর-সংক্রান্ত অনিয়মে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামগুলোর একটি কোম্পানির আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আরাফাত হোসেন খান। পিবিআই তাকে তথ্য জালিয়াতি, ভুয়া নথি তৈরি ও মিথ্যা পেমেন্টের মাধ্যমে অর্থ নেওয়াসহ পুরো প্রক্রিয়ার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মিথ্যা পেমেন্টের মাধ্যমে গ্রহণসহ প্রতারণায় সহযোগিতার অভিযোগের কথাও বলা হয়েছে।
নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান আহমেদ জাকের অ্যান্ড কো. এবং সংশ্লিষ্ট অডিট পার্টনারদের বিরুদ্ধেও প্রকৃত তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে জাকের আহমেদ, এ. কে. এম মুহিতুল হক, আশরাফ চৌধুরী, মো. শফিকুল আলম ও মুহাম্মদ জাবেদ আলী জুবায়েরের নাম রয়েছে। আবদুল হানান শেখের বিরুদ্ধেও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মার্জিন ঋণের বিপরীতে নিজেদের মোট ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের কাছে বন্ধক রাখেন। পরে ওই মার্জিন ঋণ খেলাপি হয়।
ইস্যু ম্যানেজারদের বিষয়ে দুই তদন্তে দুই তথ্য
নুরানী ডাইংয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি বিএসইসিতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এর ভিত্তিতে ৯ মে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। তদন্ত শেষে ২০ জুন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
বিএসইসির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইস্যু ম্যানেজার ও অন্য সহযোগীদের সহায়তায় কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থা গোপন করে মিথ্যা ও জাল তথ্য দিয়ে প্রসপেক্টাস প্রকাশ করা হয়। এতে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস ও সিএপিএম অ্যাডভাইজরি সহযোগিতা করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ বিএসইসির ৮৪০তম কমিশন সভায় কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান ও ইস্যু ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরে ইস্যু ম্যানেজারদের বাদ দিয়ে নুরানী ডাইংয়ের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়।
এখানে বিএসইসি ও পিবিআইয়ের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। বিএসইসির তদন্তে তিন ইস্যু ম্যানেজারের সহযোগিতার অভিযোগ থাকলেও পিবিআইয়ের তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সিদ্ধান্ত পাল্টে ইস্যু ম্যানেজার বাদ
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিএসইসির কমিশন সভায় ইস্যু ম্যানেজারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও পরে বিএসইসির এক শীর্ষ কর্মকর্তার উদ্যোগে তৎকালীন চেয়ারম্যান শিবলি রুবাইয়াতের মাধ্যমে একটি ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানিকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ওই কর্মকর্তার সঙ্গে একটি ইস্যু ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সুরক্ষা দিতেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। পরে অন্য ইস্যু ম্যানেজারদেরও মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, নুরানী ডাইংয়ের বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি বিচারাধীন। ইস্যু ম্যানেজারদের বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আগের সিদ্ধান্ত পরে পরিবর্তন হওয়ায় সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি।
পিবিআইয়ের তদন্ত, মামলা বিচারাধীন
বিএসইসির অভিযোগের পর ঢাকা মহানগরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন। ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ পিবিআই মামলাটি তদন্তের জন্য গ্রহণ করে। চলতি বছরের এপ্রিলে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।
অন্যদিকে, যে কোম্পানির নামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৩ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল, সেই কোম্পানির কারখানা এখন অচল। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর কোনো তথ্যও নেই। ডিএসইর পরিদর্শন দলও কারখানাটি অচল পেয়েছে।
তারপরও শেয়ারবাজারে নুরানী ডাইংয়ের শেয়ারে সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক গতি। গত জুলাইয়ের শেষে ২ টাকা ৯০ পয়সার শেয়ারটি গতকাল ৩ টাকা ৬০ পয়সায় উঠেছে। সর্বশেষ কার্যদিবসে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ারটি ছিল দর বৃদ্ধির শীর্ষে। মাত্র দুই কার্যদিবসে দর বেড়েছে ২০ শতাংশ।
কারখানায় উৎপাদন নেই, কোম্পানির কার্যক্রম প্রায় অচল—কিন্তু শেয়ারবাজারে শেয়ারে দৌড়। আর সেই কোম্পানির আইপিওর পেছনে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে জাল আর্থিক তথ্য, ৪৩ কোটি টাকা সংগ্রহ এবং তার মধ্যে ৪১ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।
কোম্পানিটির অস্বাভাবিক শেয়ারদরের উত্থানের বিষয়ে ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক ও মুখপাত্র শফিকুর রহমান বলেন, কোম্পানিটি ডিএসইর অকার্যকর কোম্পানির তালিকায় রয়েছে। এরপরও এই কোম্পানির শেয়ারে লেনদেন করা বিনিয়োগকারীদের একান্ত সিদ্ধান্ত।
https://jatiyoarthoniti.com/2026/08/13/aipioo-43-koti-takar-41-kotii-atmsatt
Nurani


