দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থাকা ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক মন্দায় লোকসানের মুখে থাকলেও আর্থিক হিসাব নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ থামছে না। সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোম্পানিটির হিসাব সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুতর অসঙ্গতি উঠে এসেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কোম্পানিটি অগ্রিম প্রদান বাবদ ৩৬০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা সম্পদ হিসেবে দেখিয়েছে। তবে এই বিপুল অঙ্কের বিপরীতে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ বা নথি নিরীক্ষকের কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
নিরীক্ষায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়েস্টার্ন মেরিন একটি ঝুঁকিপূর্ণ ও আর্থিকভাবে অস্থির গ্রুপের সঙ্গে জাহাজ বা পণ্য বিক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি করলেও তা আর্থিক বিবরণীতে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই গ্রুপটি এস. আলম গ্রুপ, যাদের আর্থিক অবস্থাও স্থিতিশীল নয়।
এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখায় কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয় এবং ব্যবসার ঝুঁকি মূল্যায়নে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হতে পারেন বলে মনে করছেন নিরীক্ষকরা। বিশেষ করে পণ্য বিক্রির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ওয়েস্টার্ন মেরিনের পরিশোধিত মূলধন বর্তমানে ২৩৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বাইরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে প্রায় ৬৯.৯৯ শতাংশ শেয়ার।
Wmshipyard
https://sharenews24.com/article/116837/index.html


